যখন রংধনু স্বপ্ন দেখবার সময় হলো
যখন মেঘ সরে গিয়ে এক চিলতে রোদ
যখন শরীরে শরীর শয্যা অনেক উঞ্চ মনে হয়
যখন প্রতি সন্ধ্যায় সুঠাম পাখিরা ঘরে ফেরে
যখন কেউ নেই বলে দুখঃ হৃদয় উড়ন্ত প্রলাপ
যখন চারিদিকে মুখরোচক গপ্প কানাঘুষা
যখন নিত্য বাজে সন্ধ্যা পুজোর শাঁখ
তখনই হঠাৎ ঘুমেরা নিরুদ্দেশ
তখনই ঘন কালো মেঘে ছেয়ে গেল পুরোটা আকাশ
তখনই স্বপ্নের খেলাঘর ক্রমাগত কন্টকশয্যা
তখনই আচমকা একটা আপন পাখি নীড় হারাল
তখনই মানুষ ঈশ্বরের সাথে কথা বলে
তখনই ভেতর বাড়িতে থেতলে যাচ্ছে অযাচিত যন্ত্রনা
তখনই সন্ধ্যা আরতীর শাঁখ বাজেনা আর
এভাবেই পলে-অনুপলে আলো-অন্ধকারে দিনে-রাতে
এভাবেই প্রতিরাতে অশ্রুজলে অবগাহন
এভাবেই বিজলীর চাবুক খেয়ে চমকে ওঠা ভেজা হাওয়া
এভাবেই দীর্ঘশ্বাসের ভীড়ে ধীরে ধীরে নিজেকে হারানো
এভাবেই কবিতার মাঝে আত্নজীবনী ঢুকে যায়
এভাবেই উঁকি মারে একটু আধটু বেহিসেবী আশকারা
এভাবেই আচমকা সবকিছু হুড়মুড়িয়ে ভেঙ্গে পরে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




