১৯৬৯ এর গণঅভ্যূত্থানের একটি ছবি আমাকে পৃথিবীর সকল প্রতিহিংসা,অরাজকতা এবং মিথ্যা থেকে অনেক দূরে নিয়ে যায়। যা আমার কাছে মনে হয় প্রকৃতি প্রদত্ত, কোনভাবেই মানুষের কারসাজি হতে পারেনা। একাট শিশু, যে বুঝেনা অধিকার কি? আমার কি হরন করা হচ্ছে? কিন্তু ঐ শিশুটি অধিারের আন্দোলনে সবার সম্মুখে। আপনাদের জাগ্রত বিবেক এটা কি বলবে? স্বৈরাচারী রক্তপিপাসু হায়েনাদের প্রথম বুলেট যখন ঐ শিশুটির বক্ষভেদ করে তখন অধিকার বুঝা নিশ্চুপ শত শত বিবেক কি জাগ্রত হয়নি?
ডুয়েট ভূমি অধিগ্রহন আন্দোলন যখন সকল প্রতিকূলতাকে জয় করে সামনে ধাবিত হচ্ছে,
তখনও শত শত বিবেক অন্ধকার প্রকোষ্ঠে নিজের মুক্তি খুঁজছে। নিজের মুক্তিই কি প্রকৃত মুক্তি? নিজের পাওয়ায় কি সব পাওয়া? পৃথিবীর অলিতে-গলিতে আপনি যখন কোন মহৎ কাজের সন্ধান নিবেন, দেখবেন সেখানে কোন পাওয়া নেই, সবটুকুইত্যাগ। আজ যা বড় বেশি প্রয়োজন।
ডুয়েট ভূমি অধিগ্রহণ আন্দোলনকে সাফল্যের সোপানে সজ্জিত করতে ৬৯এর শিশুটি হয়ে ডুয়েট ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সা্থে একাত্মতা প্রকাশ করেছে ১ম বর্ষের শিক্ষার্থীরা ।যারা এখনও ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম পর্যন্ত শুরু করেনি, তারা যদি বুঝতে পারে প্রভাতের সূর্য হওয়ার জন্য আগে রাতের অন্ধকারকে দূর করতে হবে, তাহলে ডুয়েট ক্যাম্পাসের শত শত নিশ্চুপ বিবেক কেন শুধুই নিজের মুক্তি খুঁজবে?
জয়তু প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। আন্তরিক অভিনন্দন। পৃথিবীতে যত পাওয়া, তার বেশির ভাগ যারা গড়ে দিয়েছে তারা ভোগ করতে পারেনি। আর যারা ভোগ করে, তারা গড়েনি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




