ইউনিভার্সিটি অব ইউটাহ স্কুল অব মেডিসিনের একলিস ইনস্টিটিউট অব হিউম্যান জেনেটিকসের গবেষক জিনচুয়ান জিং বলেন, তাদের ২২টি ক্রোমোজোমে ইজিএলএন১ এবং পিপিএআরএ নামে দুটি জিন পাওয়া গেছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, অতিরিক্ত উচ্চতায় শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়ার ক্ষেত্রে এই দুটি জিনের ভূমিকা পুরোপুরি পরিষ্কার নয়। তবে সম্ভবত এদের কারণে রক্তে হিমোগ্লোবিনের ঘনত্ব কমে আসে।
তিব্বতিদের রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ লক্ষণীয় মাত্রায় কম। এর ফলে তারা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অত্যন্ত উঁচুতেও স্বাস্থ্যবান ও বলিষ্ঠ দেহের অধিকারী হয়ে থাকে। তবে বিশেষজ্ঞরা জিনের মধ্যেই এর মূল কারণ খুঁজে পেয়েছেন।
নিচু অর্থাত্ সমতলে বাস করে এমন পর্যটকরা তিব্বতে বেড়াতে গেলে অক্সিজেনের অভাবে তাদের বিভিন্ন ধরনের অসুস্থতা দেখা দেয়, যা পরে হৃিপণ্ড ও মস্তিষ্কে মারাত্মক প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।
জিং বলেন, অনুমান করা যায় এ ধরনের নেতিবাচক উপসর্গগুলো প্রতিরোধ করার জন্য একটি নিয়ন্ত্রণ কৌশল তৈরি করে নিয়েছে তিব্বতিরা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


