
ছবির মেয়েটিকে ধর্ষন করে হত্যা করা হয়েছে।
ইদানিং ধষর্ন এবং নারীদের উপর কালো হাত বেশি পড়তে দেখা যাচ্ছে এর কারনটা হলো এই দেশের সরকারের নোংরা আইনি ব্যবস্থা।
কিছুদিন আগে ধর্ষনের একমাত্র শাস্তি মৃত্যুদন্ড বাতিল করছে এদেশের আদালত। থুতু দি এই দেশের আইনের উপর। যারা ইচ্ছা মত আইন পরিবর্তন করে তাদের মেয়ে অথবা বউ অথবা মা অথবা বোনকে ধরে এনে গনধর্ষন করা উচিৎ। তাহলে তারা বুঝবে ধর্ষন কি এবং একটা মেয়ে ধর্ষিত হলে তার পরিবারের কি পরিনতি হয়।
প্রতি সপ্তাহে এরকম খবর কয়েকটা করে ঘটতেই থাকছে আমাদের দেশে। ধষর্নের কারনে এই দেশটার কিছুটা ইন্ডিয়া ইন্ডিয়া ভাব হইছে। মনে হচ্ছে আমরা ইন্ডিয়াই বসবাস করি।
এই দেশের নোংরা আইনের কারনে এখন ক্লাস টু এর ছোট মেয়েরাও ধর্ষন এবং লালসার শিকার হচ্ছে। আইন যদি কঠোর না হয়, তবে কেউ তা দেখে ভয় পাই না এবং এর পরিনতি হয় এই ছবির মেয়েটি মতন।
আইনের বাইরেও একটি বড় রকমের কথা থাকে আর তা হলো একটি মেয়ের প্রতি তার পরিবারের দ্বয়িত্ত্ব। একটি পরিবার যদি একটি মেয়ের ঠিকমত দ্বায়িত্ব নিতে পারে, তার চলাচলের উপর নজর রাখতে পারে তবে সেই মেয়েটির উপর কালো হাত পড়ার আশংকা অনেক কম থাকে। একটি মেয়ে সন্তানের বিয়ের আগ পর্যন্ত তার দ্বায়িত্ত্ব কিন্তু তার পরিবারেরই বেশি থাকে। অনেক হ্মেত্রে মেয়েদের স্বাধীনতা নামে আমরা তাদেরকে জঙ্গলে নামিয়ে দেই।
এই ধরুন যেমন শিয়ালের কাছে মুরগী রাখার মতন। কতহ্মন শিয়াল মুরগী না খেয়ে থাকতে পারে, আর সব শিয়াল তো আর এক রকম হয় না।
ছবির মেয়েটি তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে দেখা করতে গেলে সবাই মিলে মিশে তাকে ভোগ করে এবং তার পর মেরে ফেলে। আচ্ছা একটা কথা বলি এই যে বয়ফ্রেন্ড, গার্লফ্রেন্ড তারপর বিয়ের আগে প্রেম, ভালবাসা এই সব কিছুই তো এক প্রকার মানসিক বিশ্বাস তাই না? আজকাল প্রেম ভালবাসায় মানসিক বিশ্বাসের বাইরেও কিন্তু আর একটি বড় বিশ্বাস থাকে এর নাম হলো শারিরিক বিশ্বাস।
শারিরীক বিশ্বাস বলতে আমি বোঝাতে চেয়েছি যে ছেলে মেয়ে অবৈধভাবে শারিরীকি সম্পর্ক করলেও তারা বিয়ে করবে এই রকম একটি বিশ্বাসে ছেলে মেয়ে এককহ্মে যাই।
প্রেম করা প্রতিটা ছেলেরই চাহিদা থাকে একটি মেয়ের শরীরের উপর আর সেই চাহিদা পূরনে সাহায্য করে একটি মেয়েই।
এমন কোন ভাল ছেলে নেই যে তার গার্লফ্রন্ডের শরীরের দিকে খারাপ নজর দেই না আবার এমন কোন ভালো মেয়ে নেই যে তার বয়ফ্রেন্ডের নিকট থেকে এমনটা আশা করে না।
ছবির মেয়েটির হয়ত তার বয়ফ্রেন্ডের প্রতি মানসিক এবং শারিরীক বিশ্বাস ছিল আর ঠিক সেই কারনেই মেয়েটি ছেলেটির সাথে দেখা করতে গিয়েছিল। কিন্তু আগেই আমি বলেছি সব শিয়াল কিন্তু এক রকম হয় না। কোনো কোনো শেয়াল একা শিকার করে আবার কেউ দলগতভাবে শিকার করে।
শিয়ালের কাজ শিকার করা আর মুরগীর কাজ শিয়াল থেকে নিজেকে হেফাজতে রাখা। তার পরোও যদি শিয়াল আক্রমন করে তবে সেটা আনাকাঙ্খিত এবং একটি দূর্ঘটনা।
জোর করে ধরে নিয়ে যেয়ে কাউকে ধর্ষন করা কিংবা সেচ্ছাই ধরা দিয়ে ধর্ষিত হোওয়ার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য কিন্তু থেকেই যাই। তাই একটি ছেলের নিকট নিজেকে ধরা দেওয়ার আগে প্রতিটা মেয়েরই ভাবা উচিৎ যে সে আপনাকে শারিরীক বা মানসিকভাবে কতটা নিরাপত্তা দিতে পারবে।
ভূল করবেন তো সবাই মিলেই মিশেই আপনাকে খাবে । কোন আইনই আপনাকে রহ্মা করতে পারবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



