
বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভালো লেখক এক কথায় - হুমায়ূন আহমেদ। হুমায়ূন আহমেদের লেখা উপন্যাস মধ্যাহ্ন বা দেয়াল - এর পাশাপাশি রাখার মতো বাংলাদেশে আর কোনো উপন্যাস আছে কিনা আমার জানা নেই।
ভালো লেখক বা সেরা লেখক বলতে আমাদের একজন অমর লেখক আছেন, বাংলার ইতিহাসে এমন লেখক আর জন্ম নেয়নি, এমন লেখক আর জন্ম নিবেও না। বাংলা সাহিত্যকে যিনি শত সহস্র বছর অগ্রগামী করেছেন। কবি, গল্পকার, প্রবন্ধকার তাঁর হয়তো আরও অনেক অনেক অনেক উপাধি আছে। তিনি সেরা লেখক। তিনি সেরাদেরও সেরা লেখক। তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে হোক আর রোগশোকের কারণেই হোক সময়ের সাথে ইহধাম ত্যাগ করলেন। তার পাঠককুল চিন্তায় চিন্তিত - এমন মানুষ আর দ্বিতীয়বার পাবো না। তাই একটি স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে যাই! এই “স্মৃতি” বলতে অবশ্যই কবির কোনো কবিতা গল্প উপন্যাসের বই না, কোনো ছবি না, কোনো স্বাক্ষর করা পাণ্ডুলিপিও না। কারও নজর গেলো চুলের দিকে। কারও নজর দাড়ির দিকে। কারও নজর জামা কাপড় জুতোর দিকে।
ভক্তরা কবিকে শেষবারের মতো দেখতে এসেছেন। একজন বলছেন - আমি কবির চুল নিবো। পাশ থেকে হয়তো আরেকজন বলছেন - আপনি চুল নিলে আমি দাড়ি নিবো। তৃতীয়জন হয়তো ভাবছেন - শেষে যদি কিছু অবশিষ্ট থাকে! আরেকজন সম্ভবত আরও দূরদর্শী। সে হয়তো ভাবছে - চুল-দাড়ি তো সবাই নিচ্ছে। আমি ভিন্ন কিছু নিবো। - (সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা)
জীবন ও জীবিকার প্রয়োজনে আমি নানান দেশে গিয়েছি। কেউ না কেউ জানিয়েছেন, স্থানীয় জাদুঘরে অমুক মহান বিখ্যাত ব্যক্তির শাল আছে, চাদর আছে, গায়ের জামা আছে। অথবা অমুক মহান বিখ্যাত ব্যক্তির চুল আছে, দাড়ি আছে। জাদুঘরে গায়ে দেওয়ার শাল চাদর জামা থাকলে থাকতেও পারে। চুল দাড়ি কিভাবে সংগ্রহ হয়েছে জানা নেই, তবে ভয়ংকর ভাবে সংগ্রহ হওয়ার সম্ভবনাই সবচেয়ে বেশি। আমি বিশ্বাস করি, জগতে মানুষ দ্বারা সবই সম্ভব।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



