somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুক্তিযোদ্ধারা মর্মপীড়া নিয়ে বারবার স্মরণ করবেন ইতিহাসের সে দিনের ঘটনাপ্রবাহ

২৭ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৭:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারত আমাদের প্রতিবেশী। অভিন্ন সুরে লড়াই করে আমরা ব্রিটিশ তাড়িয়েছি। নিজস্ব পাড়া ও গ্রামে, স্কুলে, হাটেঘাটে কখনো সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ লক্ষ করিনি।ভারত আমাদের দেশের অস্তিত্ব মানতে চায় না.কারণ ভারতীয় আচরণ, রণকৌশল, রাজনীতিবিদদের ভূমিকা, সীমান্তনীতি, পানি নিয়ে বাহানা, সার্কে শীতল ভূমিকা পালনসহ বিগত ৩৫ বছরে আমরা দেখে এবং ঠেকে শিখেছি.আমাদের ভূখণ্ডের এক-দশমাংশ বৃহত্তম পার্বত্য জেলা নিয়ে ষড়যন্ত্র যখন পোক্ত হলো তখন সন্তু লারমা ভারতে গেল। প্রশিক্ষিত হলো। স্বাধীনতা দাবি করল। সেটি কোন মোহন বাঁশির টানে হয়েছিল সেটা আমরা জানি। এ লেখা যখন মুসাবিদা করছি তখন বেনাপোল সীমান্তে বিএসএফ গুলি ছুড়েছে। সাতক্ষীরার ৩ গরু ব্যবসায়ীকে জখম করার খবর পাচ্ছি। জীবননগর সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে বাংলাদেশী কৃষক নিহত হয়েছে। এসব আলামত কিসের সেটা বোঝার মতো অবস্খা বাংলাদেশের হয়েছে.
ভারতীয় মুসলমানরা তারা বাঙালি মুসলমানদের উথান কামনা করছিল কিন্তু ভারতের নীলনকশা অনুযায়ী ‘পাকিস্তান ভাঙার’ পক্ষে আমরা ব্যবহৃত হই তা কামনা করছিল না। আসুন, পৃথিবীকে অবাক করা সত্যের দ্বার উন্মোচন করে বলে দিই, আমরাই আমাদের ইতিহাস গড়েছি। করুণা, দয়া ও অনুকম্পা আমাদের কোনোকালে প্রয়োজন ছিল না, আজো নেই। সব সময় বìধুত্বকে আমরা সমীহ করি, কিন্তু কোনো প্রভুত্ব মানি না। সর্বত্র আমাদের বìধু আছে কিন্তু আল্লাহ ছাড়া কোথাও কোন প্রভু নেই। আমরা ‘চির উন্নত মমশির।’ আমাদের বর্তমান নীতিনির্ধারকদের সব কথায় সায় দিতে মন চায় না। কারণ ওপরের উদ্ধৃতি। এখন দুর্নীতি আবার এক নাম্বার এজেন্ডা। স্খপতি বিতর্ক।

শৌখিন দেশপ্রেমিকরা যারা যুদ্ধ করার জন্য নয়; বরং প্রাণ বাঁচানোর জন্যই ভারতে গিয়েছিল তারা আজ সমাজের উচ্চ স্খানে অধিষ্ঠিত। মানুষকে প্রতারণা করার ক্ষমতা ওদের অনেক। অভিনয় নিখুঁত। ব্যক্তি স্বার্থসিদ্ধির জন্য জাতির বৃহত্তর স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিতে ওরা কুণ্ঠাবোধ করে না। বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, মহারথীরা আজো কোনো এক অজ্ঞাত কারণে অদৃশ্য প্রভুদের অঙ্গুলি নির্দেশে চলতে বাধ্য। এই ঘটনাগুলোর গুরুত্ব অপরিসীম। জাতির জীবনে বিপর্যয়ের মূলে অনেকাংশে আছে এই লোভী মানুষগুলোর অপরিণামদর্শী কার্যকলাপ। সে পাপের প্রায়শ্চিত্ত আমরা করছি। জানি না আর কত দিন করতে হবে।
স্বাধীনতার পর কী হলো? এক সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টা চলল বাংলার অর্থনীতিকে ধ্বংস করার। উৎপাদন কমে গেল, বেড়ে গেল শ্রমিক অসন্তোষ। অন্তর্ঘাতমূলক কার্যকলাপ বেড়ে গেল। বেড়ে গেল গুপ্তহত্যা। কলকারখানা ধ্বংস হলো। কোনো অদৃশ্য অশুভ শক্তি যেন বাংলার মানুষকে নিয়ে রক্তের হোলিখেলায় নেচে উঠল। ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধে লিপ্ত হলো অনেকে। সেসব শৌখিন দেশপ্রেমিক সবাই মিলে ছারখার করেছিল বাংলার মানুষের স্বপ্নসাধ। চোরাকারবারের লাইন ওরা আগেই করে রেখেছিল। পুরো দেশ ছেয়ে গেল অবৈধ ব্যবসায়। প্রত্যক্ষভাবে জড়িত হলো জাঁদরেল সরকারি কর্মচারী, ব্যবসায়ী আর কিছু রাজনৈতিক কর্মী। শক্তিশালী মহলের সমর্থনপুষ্ট না হলে এত বিরাট আকারে অবৈধ ব্যবসা সম্ভব নয়। তাহলে কি এ কথা বলা যায় না, কোনো প্রভাবশালী মহলের প্রচেষ্টায় ধ্বংস হয়েছে এ দেশের অর্থনীতি?
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×