এই আয়াতে তিনটি উপাদান আছে, যা আমরা মতানৈক্য ও তর্কের সময় প্রয়োগ করতে পারি : হিকমত বা প্রজ্ঞা, সুবচন/ সুভাষণ ও সর্বোত্তম পন্থায় মতভেদ প্রকাশ করা।
কারো সাথে মতভেদের সময় প্রজ্ঞা বা হিকমত অবলম্বন করা মানে কী?
পারস্পরিক মতপার্থক্যের সময় যেভাবে হিকমত অবলম্বন করা উচিত তার মধ্যে একটি হলো- ইখলাস বা নিষ্ঠা । যদি আমরা মতভেদ করি, আমাদের নিয়ত হবে ইখলাস বা নিষ্ঠার সাথে সত্যের কাছাকাছি যাওয়ার বাসনা। দ্বিতীয়ত, মতভেদের সময় সদয়তা ও নম্রতা থেকে আমরা যেন সহজে সরে না যাই; এবং ক্রুদ্ধ হয়ে চেঁচামেচি জুড়ে না দিই, এমন হিকমত। তৃতীয়ত, অন্য পক্ষের ব্যাপারে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে ধৈর্যসহকারে বিষয়টি খোলাসা করে বুঝে নেয়া।
আমরা যখন কারো সাথে বিতর্কে জড়াই, প্রত্যেক পক্ষই একটি অদৃশ্য ব্যানার বহন করে, যাতে লেখা থাকে : ‘আমাকে জিততে হবে এবং তোমাকে হারতেই হবে।’ গভীরভকেউ কেউ ভাবেন যে, মুসলমানদের মধ্যে কোনোভাবেই মতানৈক্য হওয়া উচিত নয় এবং সব রকম মতবিভেদ এড়িয়ে চলা উচিত। বরং এটা ভুল ধারণা। কুরআন ও সুন্নাহয় স্পষ্টভাবে দেখানো হয়েছে, যখনি কোনো ভুল হবে, সেটা শুধরে দিতে হবে। মূলত সঠিক দিকনির্দেশনার মাধ্যমে অন্যকে সাহায্য করা হলো দীনের জরুরি শর্ত, যার নাম একনিষ্ঠ নাসিহাহ বা পরামর্শদান।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০০৭ সন্ধ্যা ৭:৪০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


