সেদিন জামায়াতে ইসলামীর পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ ভণ্ডুল করার জন্য লগি-বৈঠা বাহিনী প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা চালিয়েছিলো, সাপের মতো পিটিয়ে মানুষ হত্যা করে, তা শুধু দেশবাসীই নয়, স্যাটেলাইট টিভির বদৌলতে দেখছে গোটা বিশ্বাবাসী। এতে জামায়াত ও শিবিরের ৬ জন শহীদ ও ৬ শতাধিক আহত হয়। মূল ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্যই দায়ের করা মামলা কীভাবে তদন্ত হলো যে ভিকটিমদের বিরুদ্ধেই চার্জশীট দেয়া হলো।
গত বছরের ২৮ অক্টোবর সকালে শিবির নেতা সাইফুল্লাহ মুহাম্মদ মাসুম ও গোলাম কিবরিয়া শিপন সকালে এক সাথে বাসা থেকে বের হন। তারা সরাসরি জামায়াতে ইসলামীর পূর্বনির্ধারিত সমাবেশ স্খল বায়তুল মোকাররম উত্তর সড়কে চলে আসে। লগি বৈঠাধারীদের হামলায় একপর্যায়ে শিপন মারাত্মকভাবে আহত হয় এবং ঘটনাস্খলেই শাহাদাত বরণ করেন। এর কিছুক্ষণ পরই আহত হয় মাসুম। মাথায় ও শরীরে প্রচণ্ড আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে সে। পাশেই ছিলো তার বড় ভাই শামসুল আলম মাহবুব। সেখান থেকে হাসপাতালে নেয়া হলে টানা ৫ দিন সংজ্ঞাহীন থাকা অবস্খায় ২ নবেম্বর ভোরে এ দুনিয়া ছেড়ে চলে যায় মাসুম।
এটা কেমন তদন্ত। শহীদ মাসুমের মা শামসুন্নাহর এখনো স্বাভাবিক হতে পারেননি। তার প্রিয় সন্তানের জন্য এখনো তিনি কেঁদে কাটান। তিনি বলেন, জামায়াত নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে চার্জশীট দেয়া হয়েছে মূল ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্যই। তিনি এর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৮:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


