somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কাম

২৪ শে জুন, ২০১৫ রাত ৮:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পিরোজপুর টু খুলনা রুটের বাসের বাম পাশের সব সিট মহিলাদের জন্য বরাদ্দ। সিট ফাঁকা থাকলে বসা যাবে, তবে কোনো মহিলা থাকলে ছেড়ে দিতে হবে। নিয়ম যে খুব কড়াকড়ি মানা হয়, তা নয়, তবে এটাই নিয়ম। বাসের বাম পাশে সিটের উপরে ‘মহিলা’ লেখা আছে, ছোট্ট একটি ছবিও আঁকা আছে। কেউ উঠতে না চাইলে কর্তৃপক্ষের (ড্রাইভার-কন্ড্রাকটর-হেলপার) দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। ঘাড়তেড়া কেউ কেউ খানিকক্ষণ মৌখিক ধস্তাধস্তি করে, শেষে উঠে যায়।
সজল জায়গা পেয়ে এরকম একটি সিটে বসেছে। পাশে একটি সিট ফাঁকা রয়েছে। পরের স্টপেজে একজন মহিলা উঠে ফাঁকা সিটটিতে বসেছে। সিটগুলো খুব বড় নয়, দু’জন পাশাপাশি বসলে একটু ছোঁয়া লাগা অস্বাভাবিক নয়, তাছাড়া সব পুরুষরাই সুযোগ নিতে চায়।
বয়সের ছাপ শরীরের সব জায়গাতেই থাকে। যদিও মহিলা অনাবৃত নয়, তবু বোঝা যাচ্ছে- বয়স তার পঁচিশের মধ্যে।
সজল কিছুটা অস্বস্তিবোধ করে। বেশিরভাগ পুরুষেরই উর্বশী কোন নারীর পাশে বসলে এক ধরণের কামুক অস্বস্তি হয়, এটা পুরুষের কমন ডিজিজ। ত্রিশের কোটায় পা দেওয়া সজলেরও সেরকম অস্বস্তি হচ্ছে।
মেয়েটি সজলকে ভ্রক্ষেপ করছে না, বরং স্বাভাবিকভাবেই বসেছে, একজন পুরুষ পাশে বসলে মেয়েরা যেমন একটু কুণ্ঠিত হয়ে বসে মহিলাও ঠিক সেভাবেই বসেছে। সজল চাপতে পারছে না। জানালার পাশে এক ইঞ্চি জায়গাও আর অবশিষ্ট নেই।
মহিলার নিতম্বের পার্শ্বদেশের চাপ বাসের ঝাঁকুনিতে মাঝে মাঝে স্পষ্ট হচ্ছে। সজলের ইচ্ছাকৃত নড়াচড়ায় স্পর্শানুভূতিও চালু হয়েছে।
মহিলা নির্লিপ্ত থাকে, গভীর মনোযোগ মোবাইলের দিকে তাকিয়ে আছে সে।
সজলের অস্বস্তি কামোদ্দিপ্ত অস্থিরতায় পরিণত হয়। যেহেতু অন্তত অর্ধেক পুরুষ মহিলাদের সাথে এরকম সুযোগে ‘দুর্ব্যবহার’ করে, তাই সজল এক্ষেত্রে যথাসম্ভব সংযত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও শেষ পর্যন্ত নিজেকে আটকাতে ব্যর্থ হয়।
ও মেয়েটির দিকে সরে আসতে চায়। সে বাধা দেয় না। সজল ডান হাতটা একটু একটু করে সচল করে, সে বাঁধা দেয় না।
আষাঢ়ের মাঝামাঝি সময়। সারাটা দিন টিপটিপ বৃষ্টি হয়ে কিছুক্ষণের জন্য থেমেছিল একবার। আবার জোরে বৃষ্টি হচ্ছে, সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া। এমন সময় প্রত্যেকটি মানুষ একটু আনমনা হয়। পিছলা রাস্তায় বাস চলছে সাবধানে। গন্তব্যে পৌঁছাতে আরো ঘণ্টাখানেক লাগবে। সজল হাত সরানোর ভান করে মেয়েটির উরুদেশে একটা চাপ দেয়, মেয়েটি পাশ ফিরে তাকায়। সজল কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে সরে বসে। মেয়েটি সজলের গন্তব্য জানতে চায়।
একটু কথা হওয়াতে দু’জনেই কিছুটা স্বস্তি বোধ করে। ছোঁয়াছুঁয়িও বন্ধ হয়। পরিচিতিপর্ব শেষ করে ওরা গল্প জুড়ে দেয়।
মেয়েটি বর্ষকাল দিয়েই গল্পের একটি প্রসঙ্গ তৈরি করে। বর্ষাকাল তার ভাল লাগে না, বাড়িতে যেতে খুব অসুবিধা হয়, শহরেও ভাল লাগে না, একা একা লাগে ইত্যাদি।
বাসের মধ্যে সাবধানে গল্প করতে হয়, যেহেতু সকল যাত্রী অলস সময় কাটায়, তাই অনাকাঙিক্ষষত শ্রোতাদের কথা মাথায় রেখেই গল্প ফাঁদতে হয়। কথা দিয়ে বিশেষ কিছু বুঝানোর সুযোগ থাকে না। আকার ইঙ্গিতে যতটুক বুঝানো যায়।
বোঝাপোড়া কিছুটা তো এতক্ষণে হয়েই গিয়েছে। দু’জনেই সুযোগ পেলে দেহবাদী, সেটি দু’জনের কাছে অজানা নেই আর। এখন একজন এগিয়ে আসলেই হয়।
বাস থেকে নেমে ওরা পাশাপাশি হাঁটতে থাকে। রূপসা ফেরি পার হতে হবে। ওখানে ফেরি নেই এখন, লোক পারাপারের জন্য ট্রলার চলে। ট্রলারে ওরা চুপ থাকে। অপরিচিতের মতই যার যার ভাড়া মিটায়।
খেয়া পার হয়ে যে যার মত রিকশা নিয়ে চলে গেলে অস্থিরতা হাওয়ায় মিলিয়ে যেতে পারত। সজল তা হতে দিল না। হঠাৎ মেয়েটির হাত ধরল ও। কোমল স্পর্শে নরম হাত ধরে হাঁটতে থাকল কিছু পথ। মেয়েটির শিহরণ দেখে মনে হচ্ছে এ অভিজ্ঞতা হররোজ তার হয় না। সজল হিসেব না মিলিয়ে উপভোগে মন দেয়। একটা রিকশা ডেকে দু’জনে উঠে বসে। গন্তব্য বলেছে- হাদিস পার্ক। খুলনার হাদিস পার্ক এমন কোনো পার্ক নয়, তবে কিছু সময় কাটানোর জন্য জায়গাটা খারাপও না। পুকুর ঘেষা একটি বেঞ্চে বসে দীর্ঘদিনের প্রেমিক-প্রেমিকার মত বাদাম খেতে খেতে নানান গল্প করতে থাকে ওরা।
ওদের গল্পের বিষয়গুলো মামুলি। ঘণ্টাখানেক শান্ত সময় কাটায়। এর মধ্যে মেয়েটির হাতের উপর বিলি কাটা ছাড়া আর কোনো দুষ্টুমি সজল করেনি। এবার ওঠার পালা। কে সভা সাঙ করবে? মেয়েটি বিদায় নিতে চাইল। সজল একটি চুমু খেতে চাইলে বাধল বিপত্তি। কোন জায়গা খুঁজে না পেয়ে মেয়েটির হাতের পিঠে চুমু দিয়ে রাখল অনেকক্ষণ। মেয়েটি চোখ বুঝে ছিল তখন।
সজল ওকে বাসায় নিতে চাইল। রাজি হয় না। দু’জনে চুপচাপ আবার কিছুক্ষণ বসে থাকার পর মেয়েটি সজলকে ওর বাসায় পৌঁছে দিতে বলল।
রিকশায় উঠতেই আবার বৃষ্টি পড়ে। চালক ত্রিপল দিলে ভাগাভাগি করে খুল নেয় ওরা। ত্রিপল দিয়ে গলা পর্যন্ত ঢেকে নেয় সজল। কিছু পথ না যেতেই দু’জন উত্তেজিত নারী পুরুষ অবশ্যম্ভাবীভাবে জড়িয়ে পড়ে প্রাকৃতিক সুখে।
রিকশা থেকে নেমে সজল ভাড়া মিটিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। মেয়েটি ওকে ইশারায় ডাকে। সজলকে একটু দুরত্বে পিছনে হেঁটে ফলো করতে বলে। বলে রাখে, বাড়ি ঢোকার মুহূর্তে কেউ দেখে ফেললে বা বিশেষ কোন প্রশ্ন করলে সজল যেন অবশ্যই ফিরে যায় এবং কোন খোঁজ করার চেষ্টা আর না করে।
একটি একতলা বাসা দেখিয়ে নিজে আগে গেট দিয়ে ঢুকে যায়। সজল অনুসরণ করে। বাসার পিছনে একটি টিনের ঘরে সবাইকে আড়াল করে ঢুকে পড়ে ওরা। সন্ধ্যার সময় টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছে, কেউ-ই বিনা কারণে বাসার বাইরে নেই। কেউ দেখেনি বলে দু’জনেই স্বস্তি পায়।
মেয়েটি ওকে মাথা মুছতে বলে, গামছা হাতে দেয়। সজল মাথা মুছে নেয়। চা খাবে কিনা জিজ্ঞেস করে। সজল বলদের মত নির্বাক দাঁড়িয়ে থাকে।
- রাস্তায় এত জ্বালালেন, আর এখন একেবারে চুপসে গেছেন যে?
- আচ্ছা, আপনি আমাকে কতদিন ধরে চেনেন?
- তিন ঘণ্টা ধরে।
- এমনভাবে আমাকে গামছা পৌঁছে দিলেন যেন আমরা কতকাল একসাথে আছি!
- এই হল পুরুষের সমস্যা। স্বাভাবিক ব্যাপারটাকে তারা স্বাভাবিক ভাবতে পারে না। অথচ অস্বাভাবিক আচরণ করছেন শুরু থেকেই। আপনার মাথা ভিজে আছে, মোছার জন্য গামছা দিছি। খুব স্বাভাবিক ব্যাপার নয় কি এটা?
- ঠিক আছে।
- বসেন, চা বানাচ্ছি। বসা এবং শোয়ার জায়গা একই। দুটো খাটে আমরা দুই বান্ধবী থাকি। ক’দিন হল ও বাড়ি গিয়েছে। আমিও কালকে বাড়ি যাব। যে কোনো একটা খাটে বসে পড়েন।
- সজল হতভম্ভ হয়ে যায়। ঘরে এসে মেয়েটা আচরণ বদলে ফেলেছে।
- আপনি একঘণ্টা আমার এখানে থাকতে পারবেন। আলতু ফালতু যা বলতে চান এর মধ্যেই বলতে হবে। মেয়েটি চায়ের পানি উনোনে দিয়ে কাপ ধুতে ধুতে কথা বলতে থাকে।
- আমি কি আপনার চা বানানোর কাজে সাহায্য করতে পারি?
- চা একাও বানানো যায়। তবে যা করতে চাচ্ছেন তা একা করা যায় না।
সজল উঠে এসে মেয়েটিকে কোমর ধরে দাঁড় করায়। পোশাকে হাত পিছলে যায়। ভিতরটা ধরা যায় না সহজে। মেয়েটি নিজেরে ছাড়িয়ে নিয়ে চা বানানোর ফুসরত চায়। অদৃশ্য আহ্বানে চায়ের পাঠ অতি দ্রুত শেষ হয়।
সজল মেয়েটির মুখ দেখতে চায়। মেয়েটি আচমকা সজল মুখে সজোরে থাপ্পড় মারে। হুংকার দেয়-
- তুই জানিস না যে, পর পুরুষরে মুখ দেখাতে নেই? তুই কি আমারে বিয়ে করেছিস? তুই কি আমার স্বামী? তোরে আমি মুখ দেখাব কেন? বটি হাতে নিয়ে উদ্ধত হয়। গলার উপরে হাত দিলে কোপ খাবি।
সজল দু’পা পিছিয়ে এসে ধপাস করে খাটের উপর বসে পড়ে। অপমানে মাথা নিচু করে নিজের পায়ের দিকে তাকিয়ে থাকে।
মেয়েটি উন্মাদিনীর মত এগিয়ে এসে সজলের চুলের মুঠি ধরে মাথাটা বুকের সাথে চেপে রাখে। চিৎকার করে বলে, ভালবাসতে পারবি? সজল অন্ধ হয়ে বুকের সাথে চেপ্টে থাকে। ও আবার চুল ধরে সজলকে জাগিয়ে তুলে চোখে চোখ রাখে। মোলায়েম হয়ে সজলের মুখে হাত বুলাতে থাকে। ভালবাসার ভঙ্গিতে দু’হাতে মাথা জড়িয়ে বুকে নেয়।
- একটা কথা বল তো, দেহের সুখ পেতে ভালবাসার কি কোনো দরকার আছে? তোদের দরকার নেই জানি, কিন্তু আবাল নারীরা পারে না। সত্যি পারে না, নাকি তোরা পারতে দিস না? আচ্ছা, একবার সেক্স করে সুখ পেতে মুখ দেখারই বা কী দরকার? দেহ পছন্দ হয়েছে দেহের সাথেই থাক। মুখ দেখলে অপছন্দ হতে পারে। তাছাড়া মুখ দেখালে তো তুই আমারে চিনে রাখবি, কখনো দেখলে নষ্ট মেয়ে বলবি। বলবি না? মুখে চুমো খাওয়ার কী দরকার? থাপ্পড় দিয়েছি বলে রাগ করিসনে। কারো সামনে তো দিইনি। তোরা তো বেশ্যার লাথি খেতেও রাজি, যদি কেউ না দেখে, ভুল বলেছি কিছু? নে, মুখাবয়ব বাদে দেহের সব জায়গা তোর কাছে সঁপে দিলাম। চেটেপুটে খা। হবে না এতে তোর? ঘড়ি ধরে কাজ করবি। ঠিক আধা ঘণ্টা পরে বেরিয়ে যাবি। নিজ দায়িত্বে বেরিয়ে যাবি। ধরা পড়লে আমাকে পাশে পাবিনে। আমি অস্বীকার করব। আমি সতী-ই থাকব, তোরা যেমন সৎ থাকিস। তোরে চিনি না বলব।
সজলকে এক ছটকায় ঠেলে দিয়ে গলা পর্যন্ত কাপড় খুলে ফেলে মেয়েটি। টগবগে যৌবনের উন্মত্ত তরুণী। ছাই চাপা আগুন যেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জুন, ২০১৫ রাত ৮:০৪
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার মহাজাগতিক ভাবনাকে এআই আমার সেরা পোষ্ট হিসাবে সাব্যস্ত করেছে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১২



মহাজাগতিক ভাবনা

মহাজগতের প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্য। কারণ প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্যই হয়ে থাকে।শূন্য অবস্থানে সীমাদাতা না থাকায় তাতে যা হবে তা’ অসীম হবে।সকল অসীম একত্রে মিলে এক হবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে এ্যাকশান নিয়ে সরকার কি বার্তা দিচ্ছে?

লিখেছেন আফনান আব্দুল্লাহ্, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০৫

সালমান মুক্তাদির দেখি জঘন্য মানুষ। ওয়াইন, ওম্যান আর ওয়েল্থ – পুরুষ নষ্টের এই তিন ডব্লিউ-ই তার অস্থিমজ্জা ও লিভারে ঢুকেছে



এদিক-ওদিক ব্যাপক আম-লিচু করে বেড়িয়েছে। নিজের স্টুডিওতে আজেবাজে শুটিং করেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা

মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার বাহ্যিক চেহারা, ধন-সম্পদ বা সামাজিক মর্যাদায় নিহিত নয়। বরং তাঁর চরিত্র,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৪ বর্ষণ মুখর সকাল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯


আজ মেঘলা আকাশ। আজ ভীষণ বর্ষণ মুখর এক সকাল। অনেকের কাছে এরকম প্রকৃতি এক অপূর্ব দৃশ্য নিয়ে আসে। আবার অনেকের কাছে মেঘলা আকাশের বর্ষণ মুখর সকাল মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে || সহেলিয়া ও সোনারুর কণ্ঠে নতুন ভার্সন

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩০

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে
যারে হারাইয়াছি মায়ের কোলে
আর কি ফিরা পাবো তারে

মন যে আমার কান্দে সদাই
ফিরা যাইতে সোনার শৈশবে
হায়রে কোথায় আমার ঘুড্ডি নাটাই
খেলার সাথি কই সবে

কে যে আমায় নিত্যি ডাকে
ঘুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×