যখন পিঁপড়া পর্যন্ত ধর্মের শ্রেণীবিভাগে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিল এই বাংলার দেশে ( যা আজও বিলুপ্ত হয় নি), তখনের প্রজন্ম বুঝতে পারে নি, এর তিক্ততায় তাদের পরের প্রজন্মগুলো কতটা বাধার সম্মুখীন হবে? আজও কেউ কেউ হাসির ছলে, তাদের ছেলেবেলার এসব স্মৃতির কথা বলে, কেউ বা তা-ও পরম্পরাতে এই বিষ-ই ঢালছে, তাদের আগামী প্রজন্মের কোমল মনে।
"লাল পিঁপড়া হিন্দু, ওরা কামড় দেয়। কালো পিঁপড়া মুসলমান, কামড় দেয় না"
একটি সমাজ নষ্ট হওয়ার জন্য এই আয়োজনটি হয়েছিল সুপরিকল্পিতভাবে। শিশুমনে ঘৃণা ও বিভাজন তৈরী করার কি আয়োজন!! শিশুদের-কে জগত থেকে আলাদা করার কি পৈশাচিক চেষ্টা। ছিঃ ছিঃ ভাবতেও ঘেন্না লাগে। বহুবার যে কথাটি বলেছি, আবার-ও বলার প্রয়োজন বোধ করছি যে, ধর্ম যত না মানুষ তৈরী করেছে, তার চেয়ে মানুষ-পশু বেশী তৈরী করেছে।(sganik-10-2-16)
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ১০:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



