সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের দলিল
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
সাড়ে একানব্বই হাজার বন্দী সৈন্যসহ হানাদার পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। ত্রিশ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত সেই মাহেন্দ্রক্ষণে আত্মসমর্পণের দলিলেই তারা প্রথম বাংলাদেশের অস্তিত্ব মেনে নেয়। কিন্তু সেই প্রায় এক লাখ বন্দী সৈন্যের সাথে আমরা ব্যবহার করেছি বীর জাতির ব্যবহার। তারা যে প্রাণহানি ঘটিয়েছে এ দেশে তার জন্য কোনো আন্তর্জাতিক বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাইনি তাদের। পাকিস্তানে আটকে পড়া কিছু বাঙালি সৈন্যদের মুক্ত করে আনতে এসব হানাদার বাহিনীকে পাকিস্তান যেতে দেয়া হয়েছিলো সসম্মানে। সে পদক্ষেপ কতটা সঠিক ছিল তাও নিশ্চয়ই একদিন বিশ্লেষণ করা হবে। কারণ সেসব পাকিস্তান ফেরত বাঙালি সেনাবাহিনীর পরবর্তী কার্যকলাপ স্বাধীনতা সংহতির দিকে যায়নি। আর পাকিস্তানের কাছে আমাদের পাওনা আদায় করা যায়নি। সে পাওনা আদায়ের জন্য এই একলাখ সৈন্যকে জিম্মি হিসেবেই ব্যবহার করা যেত হয়তো। বরং তারা ফেরত নেয়নি তাদের তাবেদার বিহারিদেরকে। দেশের মধ্যে তারা নানা হঠকারি কাজ করে গেছে ।আমরা হারিয়েছি জহির রায়হানের মত সূর্য সন্তানদের। আর কিছু না হোক, একটি বিচারের আয়োজন করা উচিত ছিল এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগ যাদের বিরুদ্ধে পাওয়া যেত তাদের বিরুদ্ধে আরো কঠিন ও কঠোর পদক্ষেপ নেয়া যেত। শত্রুকে এত সহজে ছেড়ে দেয়া হয়তো উচিত হয়নি। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো নতুন প্রজন্মের কোনো বাঙালি সু-সন্তান এ বিষয়ে গবেষণা করবেন আর আমাদেরকে সচেতন করে দেবেন জাতি হিসেবে আমাদের ভুল পদক্ষেপগুলো সম্পর্কে।
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
ঢাবিতে "মব সায়েন্স" পড়তে হলে কী কী যোগ্যতা লাগে?

- রাজনৈতিক সুবিধার জন্য তৌহিদী জনতার ব্যবহার করা জানতে হবে।
- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী চোখের সামনে থাকা সত্ত্বেও মবকে থামাতে না পারলে সেটাকে রাষ্ট্রের ব্যর্থতা না বলে "জনতার শক্তি" বলতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
গোকুলে বাড়িছে সে

পরিস্থিতি যতই ঘোলাটে হচ্ছে, ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে- ক্ষমতার অন্দরমহলে অস্বস্তি বাড়ছে। একের পর এক বক্তব্য, ভিডিওবার্তা, ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ দেখে মানুষের মনে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন জাগছে- এত অস্থিরতার কারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন
আর্কাইভ থেকে: ফেলে আসা এক সড়কের কথা

ফেলে আসা এক সড়কের কথা মনে পড়ে। হলুদ নিয়ন বাতির ম্লানাভ সন্ধ্যেবেলা। পলেস্তারা খসা বয়োজীর্ণ দেয়াল। দুয়েকটি রিক্সা। সিটের ’পর পা তুলে আঁটোসাটো ঝিমানো চালক। খেলা শেষে ঘরে ফেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন
কোথাও একটা ভুল হচ্ছে!
একটা ছোট নৌকা পাল তুলে পাড়ি দিচ্ছে-
অনন্ত নক্ষত্রবীথি।
পেরিয়ে যাচ্ছে- গ্রহ নক্ষত্র, মহাজাগতিক উল্কা।
দূরে কোথাও সংঘর্ষ হচ্ছে।
ধীর, অতি ধীর তার গতি। নৌকায় কয়েকজন মানুষ!
একটি শিশু,... ...বাকিটুকু পড়ুন
নিদারাবাদ থেকে মাছুয়াপাড়া
আপনার সবচেয়ে অপছন্দের খাবার হচ্ছে শুকর। শুধু অপছন্দের না, এটা আপনি ঘৃণাও করেন। কিন্তু আপনার পাশে বসে সবাই শুকর খায়। যে পাতিলে শুকর রান্না করা হয়, সেই পাতিলেই আপনার জন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।