আজকে প্রথম আলোর পত্রিকায় প্রখম আলোর বিজ্ঞাপন দেখলাম। "উটপাখির নয়, মানুষের জীবন চাই"।
মজার ব্যাপার হলো প্রথম আলো এর আগে যা বলেছে (বদলে যাো বদলে দাো) তা করে নাই । সামনেো করবে না("উটপাখির নয়, মানুষের জীবন চাই")। এখন প্রশ্ন হচ্ছে প্রথম আলো এ কথা গুলো কেন বলে? কী লাভ ?
লক্ষ্য একটাই প্রথম আলোর বিক্রি বাড়তে হরে এবং পাঠকদের (বতর্মান ডিজিটাল তরুন)মনে স্থায়ী জায়গা করে নিতে হবে ।
ডিজিটাল তরুন সমাজের খুব ছোট একটা অংশ রাজনীতি বা স্বদেশপ্রেম নিয়ে চিন্তিত। ধরেন ১০-১৫%। বাকী ৮০-৮৫% হলো মামার টার্গেট। প্রথম আলোর হাসিনার চমচাগিরি এবং দুএকটা টাকার কাছে নত হবার মত ব্যাপার নিয়ে তারা চিন্তিত না। তারা বিনোদন, চাকরির খবর, খেলাধুলা নিয়ে বেশী আগ্রহী। এক কথায় তারা দেশকে আসলেই চিন্তিত না।
এমন সময় মামা কইল "বদলে যাও, বদলে দাও, আসুন আমরা দেশকে মায়ের মত ভালবাসি" সহ নানান ইমুশুনাল কথাবার্তা। কিন্তু কথা হইল এগুলা বইলা লাভ কী? বিক্রি কী বাড়ছে?
এখন লক্ষ্য করেন। দেশকে ভালবাসবেন কেমনে যদি দেশে কী হচ্ছে তার খবর ই না রাখেন ? আর দেশের খবর রাখবেন কীভাবে যদি পত্রিকা-ই না পরেন ? আর পত্রিকা পরলে কোনটা পরবেন সমকাল নাকী যুগান্তর নাকী ইনকিলাব নাকী জনকন্ঠ নাকী প্রথম আলো ?
প্রথম আলো কী নিজে বদলাইছে?
বোঝা গেছে জিনিষটা?
এবার আসেন "উটপাখির নয়, মানুষের জীবন চাই" নিয়ে কথা বলি। প্রথম আলো বলে সমস্যা নিয়ে অনেক টক শো হইছে, ওইখানে মুরুব্বিরা কথা বলে, ডিজিটাল তরুনদের শব্দ ওই জায়গায় গিয়ে পেৌছে না। তাই তোমাদের মনের কষ্ট আমাদের কাছে লিখ। হয়তো প্রথম আলো নিজে সব স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-এ যাবে বড় একটা বাক্স নিয়া। বলবে লিখে জমা দাও!!
আমরা সবাই জানি বর্তমান ডিজিটাল তরুনেরা মনে এক রাশ কস্ট নিয়ে ঘুরতেছে। এখন সমস্যা এবং সমাধান নিয়ে নিয়ে ভাবভেন অথচ পত্রিকা পরবেন না, তা তো হয় না !!!
আর পত্রিকা পরলে কোনটা পরবেন সমকাল নাকী যুগান্তর নাকী ইনকিলাব নাকী জনকন্ঠ নাকী প্রথম আলো ?
আপনাদের কী মনে হয় ? প্রথম আলো কী নিজে উট পাখীর জীবন ছাড়তে পারবে?
টেকা কামানের ধান্দা ভাই সব !!! টেকা টেকা !!!
আর এই টেকা কামানোর জন্য নিলজ্জ হওয়া বান্ছনীয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই নভেম্বর, ২০১১ দুপুর ১:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




