দিনের পর দিন...রাতের পর রাত প্রতীক্ষায় বসেছিলো মেয়েটি ...
অবশেষে ছেলেটির উপস্থিতি অনুভব করা ......
কিন্তু তাকে দেখতে না পাওয়া ...
এই যন্ত্রণাটাকে এত্ত এত্ত যন্ত্রণার ভিড়ে......
আবার কোথায় জায়গা করে দিবে তা ভেবে পাচ্ছে না... অপেক্ষারত মেয়েটি !
ছেলেটির জন্য জমিয়ে রাখা সময়... কিন্তু সেই সময়ের মাঝে সে নাই...
এটা কিভাবে কাটাবে... কিছুই ঠিক করে রাখেনি সে... !
ছেলেটির জন্য জমিয়ে রাখা কিছু গিফট/ আবার গিফট কিনতে না পেরে জমিয়ে রাখা টাকাগুলি...ছেলেটিকে দেয়ার উপায় নাই... !
তবে কি ওগুলো পড়ে থাকবে আজীবন মেয়েটির ওয়ারড্রবের ড্রয়ারে... ?
ড্রয়ার খুললেই কি সেসব জিনিস তার চোখ ভিজিয়ে দেবে বারেবারে...?
আর চকলেটের বক্সটা... যেটা ছেলেটার সিগারেট খাওয়ার বদলে
দেয়ার জন্য রেখেছিল ... সেটা কি ওভাবেই পড়ে থাকবে...?
ছেলেটির পকেট থেকে সিগারেটের প্যাকেট কেড়ে নিয়ে ছুড়ে ফেলা কি হবে না?
এইসব ছাইপাশ আর খাবি না এটা বলে কি-
সেই চকলেটের বক্সটা ছেলেটিকে দেয়া হবে না।।?
ছেলেটিকে নিয়ে বেড়াতে যাওয়ার জন্য... রেস্তরায়/ রাস্তায় দাঁড়িয়ে ......
চটপটি/ ফুচকা/ আইসক্রিম কিংবা চাইনিজ খাওয়ার জন্য...
যে চকচকে টাকাগুলি পার্সটাতে রেখেছিল...
ঘোরা এবং খাওয়া শেষে যে পার্সটা থেকে ইচ্ছেমত টাকা বের করে
রিকশাওয়ালা মামা কিংবা দোকানদারকে সেই টাকা দিয়ে ছেলেটির মেয়েটিকে রাগানো ...
এরপর মেয়েটির সবকিছুর সুদ-আসলে শোধ নেয়ার কল্পনাটা কি
কল্পনাই থেকে যাবে... এভাবে ?
পার্সের টাকাগুলি কি মেয়েটিকে আজীবন সেই কল্পনার কথা...
মনে করিয়ে দিয়ে খোঁচাতে থাকবে...?
বলতে থাকবে- শোধ তো নিতে পারলি না...রে ?
আর জন্মদিনের পার্টি ...
ছেলেটার সহ মেয়েটার একসাথে দেয়ার কথা...
সেটাও কি ওরকম-ই থেকে যাবে...
প্রতিটা জন্মদিন কি এভাবেই ভাবাবে-- মেয়েটিকে
ছেলেটি তার জন্মদিনের পার্টি দিতে চেয়েছিলো... ?
আর সেই- ও বউ ও বউ বলে মেয়েটিকে ডাকটা ...
এসেই কবুল বলার কথাটা এগুলো কি ...
ওভাবেই শুধু মিথ্যে হয়ে থাকবে চিরকাল...?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




