> অই শোন না রে, তোকে একটা কথা বলবো ?
>হু বল? কি বলবি রে চাদনী বানু?
>মানে তুই শপিং এর কথা শুনে চুপ হয়ে গেলি কেন?
>না মানে এখনো বেতন পাই নাই তো? তাই ! রোজা তো দেখতে দেখতে শেষ হয়ে যাবে, তোর শপিং এ কত টাকা লাগবে শুনি?
> তুই আমাকে ভালোবাসিস?
>এটা কি নতুন করে বলার আছে রে পাগলী?
>ওকে তাহলে আমি যা চাইবো তাই দিবি?
>দেবো তো রে পাগলী! শুধু বেতনটা পেয়ে নেই, কেমন ? আর কত যেন লাগবে তোর? ১০/১২ হাজার টাকা? কত টাকা দিয়ে শপিং করিস তুই? অনেক টাকার তাই না? ১৫/২০ হাজার?
>হুর! কি বলিস এসব? তুই কি ভেবেছিস আমি তোর কাছে এত্ত এত্ত টাকা চাইবো? ৮/১০ হাজার টাকার জামদানী শাড়ী/ এরপর এই সেই হাব্রি- জাব্রি ড্রেস কিনবো এইটা সেইটা চাইবো হু ? না রে পাগলা না, আমার এসবের দরকার নেই বুঝলি? আমাকে ৪০টাকা দিয়ে এক ডজন রেশমি চুড়ি কিনে দিলেই হবে, এক জোড়া নূপুর আর আমি চাই শত ব্যস্ততার মাঝে হলেও তুই যেন আমাকে ভালোবাসি ভালোবাসি এই কথাটা বারবার বলিস, আমার কপালের কালো টিপ্টা এলো চুল সরিয়ে দেয়ার অজুহাতে খুলে নিস, চুলে থাকা ক্লিপ গুলি খুলে নিয়ে চুল এলোমেলো করে দিয়ে পাগলী পাগলী বলে খ্যাপাস, রাতে বাচ্চাদের মত করে ঘুম পাড়িয়ে দিস, সকালে অফিসে যাওয়ার আগে কপালে ভালোবাসার চিহ্ন এঁকে দিয়ে যাস, আদুরে বকায় মুগ্ধ করিস, গালি দিতে দিতে আমার হাসি শুনে গালি দেয়া ভুলে যাস, গভীর রাতে বুকের সাথে লেপ্টে থাকিস, অফিস থেকে আসার সময় একটা কুলফি মালাই আনিস, ঝুম বৃষ্টিতে এ দু’চোখে বারবার ডুব দিস, চাঁদনী রাতে তোর চাদনী বানুর কোলে মাথা রেখে বেসুরা গলায় দরাজ কন্ঠে পঁচা গানগুলি শুনিয়ে দিস, মায়া আর টানের জালে আবদ্ধ করে রেখে দিস, আলতো করে গভীর মমতায় কপালে হাত বুলিয়ে দিস রে হাব্লা, বাচ্চাদের মত করে আগলে রাখিস সব সময়!
বল দিবি এই গিফট আমায়? বল পারবি এসব করতে- হু?
>হহাহা তুই আসলেই একটা পাগলী! এত্ত ভালোবাসিস কেন আমায় ?
>তুই যে বাসিস তাই! বল ভালোবাসি ?
>ভালোবাসি রে পাগলী, ভালোবাসি যা তোর সব গিফট ঠিক-ঠাক দেবো, হু!
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুন, ২০১৫ বিকাল ৩:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



