> আহা পুরুষ বোঝে না সেই শরীরে কত যন্ত্রনা হয়!
> একটা মেয়ে আর একটা মেয়ের যন্ত্রনার মধ্য দিয়ে জন্ম নেয় (ছেলেও তাই) ! এরপর জন্মের পর একটু বড় হলেই সেই মেয়ের কান/ নাক ফুটানোর যন্ত্রনা সহ্য করতে হয়! এরপর একটু বড় হলেই শুরু হয় প্রতি মাসের জন্য পিরিয়ড নামক এক যন্ত্রণা ! আর একটু বড় হয়... তখন বিয়ের রাতের সতিচ্ছেদের যন্ত্রনা! এরপর শুরু হয় ৯ মাসের বাচ্চা পেটে ধরে রাখার যন্ত্রনা, তখন থেকেই যন্ত্রনা বেশি শুরু! যদি
মিসক্যারিজ হয়, যদি ডিএমসি করতে হয়, যদি বাচ্চা নরমালে হয়, সিজারে হয়... সব কিছুতেই চলে কাটা- ছেড়ার যন্ত্রনা! বুঝতে কি পারে একটা পুরুষ সে সময়ের একটা মেয়ের যন্ত্রনাগুলো? পারে না! যদি মেয়ে বাচ্চা হয় চলে ছেলের জন্য বারবার বাচ্চা নেয়ার যন্ত্রনা! সেই মেয়েটার শরীর চলুক বা না চলুক, কে শোনে কার কথা? ছেলে আমার চাই! যদি সন্তান না হয় তারও যন্ত্রনা, যদি স্বামী বাচ্চা না চায় আর এসে যায় ভুল করে তখন সে বাচ্চা ফেলে দেয়ার জন্য যন্ত্রনা সইতে হয় একটা মেয়েকে! বোঝে একটা পুরুষ কি যন্ত্রনা হয় অই শরীরে? এরপর গর্ভ নিরোধক ব্যাবস্থায় পিল খেলে, কিংবা অন্য কোন পদ্ধতি গ্রহন করলেও চলে অই শরীরটাতে যন্ত্রনা! এরপর আসে বয়সকালে মেনাপোজকালীন যন্ত্রনা!
>> আহ্! নারী! কত যন্ত্রনা সয়ে চলে... তবু অত্যাচারিত হয়... ! তবু যতটুকু সহানুভূতি / সহযোগিতা দরকার তা না পায় পুরুষের কাছে না মেয়েদের কাছে! (কারন কিছু ক্ষেত্রে শাশুড়ী নামক মহিলাও নিজে মেয়ে হয়েও অন্যের মেয়ের ঐসময়ের যন্ত্রনা বুঝতে চায় না)
*** আপাতত আমাদের পূর্ণ সহযোগিতা সত্ত্বেও সেজ আম্মুর (চাচী) কষ্ট সহ্য করতে পারছি না! উনি অনেক অসুস্থ!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

