>মনে পড়ে ক্লাস থ্রিতে দিনাজপুর গার্লস স্কুলে পড়াকালীন স্কুল ব্যাংকিং সিস্টেম ছিল। সে সময়ে সম্ভবত জনতা ব্যাঙ্ক থেকে এই সিস্টেম চালু ছিল, দিনটা মনে নেই, সপ্তাহ কিংবা মাস হিসেবে ব্যাংক থেকে অফিসার আসত , যার যেমন খুশি টাকা জমা দিত, সেই ৫ টাকা থেকে শুরু! টাকা জমানোর ইচ্ছেটা মনে হয় তখন থেকেই জাগ্রত হয় এরপর যত বড় হতে থাকি, হাত খরচ বা টিফিনের টাকা বাঁচিয়ে কিংবা সেখান থেকে কিছু খরচ করে বাকিটা জমাতাম! এভাবে যেকোন সময়ে যেকোন ভাবে আসা টাকা, যেমন- দুই ঈদে মোটা অঙ্কের সালামী থেকে খরচ করে কিছু জমানো, জন্মদিনে পাওয়া টাকা থেকে খরচ করে জমানো এভাবে সঞ্চয়ী হতে শিখি, ঠিক সেই ধারাবাহিকতায় স্কুল/ কলেজ / বিশ্ববিদ্যালয় এ এসেও তা অব্যাহত রাখি!
> যার ফলে অনার্স পাশ করার পর থেকে চাকরীর জন্য বিভিন্ন জায়গায় আবেদন করতে গিয়ে বাবা- মা’র কাছে হাত পাততে হয়নি! কারন বেশ ভাল অংকের টাকা জমেছিল, যদিও তারা তবুও হেল্প করতেন, তাদের দায়িত্ব পালন করতে চাইতেন তবে আমি নেহায়েত ঠেকায় না পড়লে অন্তত চাকরীর আবেদনের জন্য টাকা নিতাম না! এভাবে জব এ ঢুকার পর, বেতনের টাকার এক অংশ যেমন খরচ করি, অপর অংশ জমাই এবং জমানোর চেষ্টা করি, একটা বিশেষ উদ্দেশে! আবার ঠেকায় পড়লে সেই জমানো টাকা থেকেও খরচ করি! যাক, সেই ধারাবাহিকতায় নিজের খরচ যেমন নিজে চালাতে পারি তেমনি বাবা-মা’র কাছে সেই ২০০১ থেকে টাকা চাইতে হয়নি, যেটা তারা দেয় সেটা বাদে!
>> একজনের ৯০ হাজার টাকা বেতনের টাকার খরচাপাতি যা শুনলাম তাতে তব্দিত হলাম, এরকম বেহিসেবী পোলার কি হপ্পে রে...
>> সে যাক- আপনিও চেষ্টা করে দেখুন---
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০১৫ দুপুর ২:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




