>আচ্ছামত ফায়দা লুটতেছে! আর গত কয়েক বছরে তা যেন ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে!
>টঙ্গীতে “আল্লাহ্ আকবর” ধ্বনি দিয়ে হিন্দু যুবকের মন্দিরে হামলা!! আজকের ইত্তেফাক!
>>আশ্চর্য হলেও সত্যি যে এই দিনাজপুরের কিছু মন্দিরে হামলা করেছিলো হিন্দুরাই !! বিশ্বাস করতাম না যদি না খোদ সেই এলাকার হিন্দু অভিভাবক স্কুলে এসে ঘটনার সত্যতা না বলতো!! রংপুরের এক উচ্চ লেভেলের ঘনিষ্ট এবং পরিচিত মানুষের মাধ্যমে জানতে পারি সেখানকার এক সময়ের মন্দিরে হামলার ঘটনা! যা ঘটানো হয়েছিলো ফায়দা লুটতে!!
>> দিন দিন এই হিন্দু/ মুসলিমে দ্বন্দ্ব লাগাচ্ছে কতিপয় ফায়দাবাজ’রা!! আর হিন্দু/ মুসলিমের মাঝে রেষারেষি বাড়ছে!!
>>>অথচ আমাদের পাড়াতে আমার দাদী/ নানীবাড়ির পাশের দুই হিন্দু প্রতিবেশীর সাথে এই পাড়ার সকল মুসলিমের রয়েছে সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক ! একে অপরের উৎসবে এবং যেকোন প্রয়োজনে এরা এগিয়ে আসে! কখনো এই হিন্দুদের সাথে আমাদের পাড়ার কোন মুসলিম পরিবারের দ্বন্দ্ব হয়নি ধর্ম নিয়ে!!
>>>আমার বাপির ক্লোজ বন্ধু ৬ জন হিন্দু! সেই বন্ধুদের কখনো দেখিনি আমাদের ধর্ম নিয়ে যাতা বলতে কিংবা আমার বাপি বা আমরা কখনো তাদের ধর্মকে খাটো করে দেখিনি! বিভিন্ন উৎসবে তাদের আমাদের যাতায়াত আছে একে অপরের বাড়িতে! তারা যেমন আমাদের রীতি /নীতি কে সম্মান দিয়ে আমাদের জন্য আলাদা খাবারের ব্যবস্থা করে আমরাও তাদের জন্য সেই ভাবে ব্যবস্থা নেই! আমার বাপির সেই বন্ধুদের মধ্যে একজন বাপি যখন হজ্বে যায় তখন তাকে বলেছিলো- “ বাবুল তুমি আমার জন্য সেখানকার মাটি নিয়ে আসিও, না হয় তোমার পায়ের ধুলা দিও” মক্কা/ মদিনাকে সে পবিত্র জায়গা মনে করে! এই হিন্দুদের একজন বাপিকে বলেছিলো- সেখানকার খেজুর আনতে সেই খেজুরের বিচি দিয়ে সে গাছ লাগানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেছিলো! এবং সত্যি সত্যি তিনি খেজুরের বিচি ফেলেছিলেন এবং গাছ ও হয়েছে তার!! এগুলো অদ্ভুত ব্যাপার! তাদের কাছে গরু মাতা আমাদের কাছে গরু কোরবানীর একটা অন্যতম অংশ! এই নিয়েও কখনো দ্বন্দ্ব হয়নি! তবে দেশ জুড়ে কেন চলে এসব নোংরামী?
>> একজন আর একজনের ধর্মকে সম্মান করতে না পারুক খাটো করবে কেন? কেনই বা এইসব দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করে দেশে এত অশান্তি হবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

