
কোথায় হারিয়ে গেলো - সুনীল,সমরেশ ,শীর্ষন্দু,বুদ্ধদেব
হুমায়ুন, নিতাই এর বই এ ডুবে থাকার সময়গুলো ... !
( আহ-- দূরবীন, গর্ভধারিণী, উত্তরাধিকার,কালবেলা,কালপুরুষ, মেমসাহেব,বাবলি, সাতকাহন, পার্থিব, পূর্ব-পশ্চিম, মানবজমিন , আহাআআ )
এবং ------------------------
যে ছেলেটা প্রতিমাসে তার প্রেমিকাকে অন্তত একটা বই
বিশেষ করে--- ( তিন গোয়েন্দা,ওয়েস্টার্ন, মাসুদ রানা ) গিফট করে না...
সে আর যাই হোক - সাচ্চা প্রেমী হতে পারে না...
সে একটা বইপড়াচোরা... ফেসবুকে ডুবে থাকা মিচকা শয়তান..
বই পড়া নিয়ে কিছু গোপন কথা--------
ক্লাস নাইনে থাকতে ( পাবনা গার্লস স্কুলে) একদিন স্কুলের কোন এক মেয়ের প্রেম কাহিনীর কারনে স্কুল ব্যাগ সার্চ করা হয় সবার কোন প্রেমপত্র আছে কি না! দুর্ভাগ্যক্রমে সেদিন আমার ব্যাগে পাওয়া যায়- তিন গোয়েন্দার বই! বই জব্দ করা হয়, অভিভাবক তলব করা হয়! একটু হলেই স্কুল থেকে বহিষ্কৃত হতে হতে বেঁচে যাই!!
তিন গোয়ান্দা, ওয়েস্টার্ন, মাসুদ রানার এই ভক্ত আমার কালেকশনে এদের কোন বই নেই! সব বই বন্ধুদের এবং পরিচিতজনদের কাছ থেকে নিয়ে পড়া! সে সময়ে ওয়েস্টার্ন, মাসুদ কে বড়দের বই বলা হত! আর যেহেতু স্কুলে বই ধরা পড়ে তাই এসব বই নিষিদ্ধ ছিলো আমার জন্য! কিন্তু চুপি চুপি আমি ঠিক পড়তাম!
সুনীল, সমরেশ,শীর্ষেন্দু কার কোনটা বই আমারে জিগাইলে কইতে পারুম না, এ এক আজিব প্রব আমার! অথচ নেশাখোরের মত আমি তাদের বই পড়তাম! আর হুমায়ুন এর বই পড়তে পড়তে বলতাম- ধ্যাত্তুরি ইনকমপ্লিট রাইটার একটা!!
বড়বেলায় মানে অনার্স/ মাস্টার্স এর সময় পরীক্ষার আগের রাতেও ওয়ারড্রব থেকে কাপড় বের করছি এই ভান করে এক পাতা হলেও তাদের বই পড়েছি... মানে সে সময় প্রতিদিন গল্পের বই পড়াও একটা নেশা ছিলো...
প্রতিটা বই এ আলাদা মলাট লাগিয়ে পড়তাম, নিজের কিংবা অন্য কারো! কাউকে নিজের বই দিলে তাতে মলাট লাগিয়ে দিতাম আর তাই আজ আমার সব বই চাইলে নতুন করে বিক্রি করা যাবে... একদম ঝকঝকে---
প্রচুর রূপকথার বই পড়েছি এন কালেকশনে আছে, বড়বেলাতেও বাপি আমাকে সেসব বই কিনে দিত...! বিভিন্ন রেল/বাস ষ্টেশন থেকে বই কিনেছি অনেক...
এবং পরিবারের লোকজনদের বলেছিলাম- বিয়া করলে সবাই যেন আমারে বই আর গাছ গিফট দেয়-- অন্য কিছু দিলে সব পাক্কা মাইরা ফালাই দিমু বিশেষ করে গোল্ড যদি কেউ দেয়----------
কোথায় হারিয়ে গেলো - সুনীল,সমরেশ ,শীর্ষন্দু,বুদ্ধদেব
হুমায়ুন, নিতাই এর বই এ ডুবে থাকার সময়গুলো ... !
( আহ-- দূরবীন, গর্ভধারিণী, উত্তরাধিকার,কালবেলা,কালপুরুষ, মেমসাহেব,বাবলি, সাতকাহন, পার্থিব, পূর্ব-পশ্চিম, মানবজমিন , আহাআআ )
এবং ------------------------
যে ছেলেটা প্রতিমাসে তার প্রেমিকাকে অন্তত একটা বই
বিশেষ করে--- ( তিন গোয়েন্দা,ওয়েস্টার্ন, মাসুদ রানা ) গিফট করে না...
সে আর যাই হোক - সাচ্চা প্রেমী হতে পারে না...
সে একটা বইপড়াচোরা... ফেসবুকে ডুবে থাকা মিচকা শয়তান..
বই পড়া নিয়ে কিছু গোপন কথা--------
ক্লাস নাইনে থাকতে ( পাবনা গার্লস স্কুলে) একদিন স্কুলের কোন এক মেয়ের প্রেম কাহিনীর কারনে স্কুল ব্যাগ সার্চ করা হয় সবার কোন প্রেমপত্র আছে কি না! দুর্ভাগ্যক্রমে সেদিন আমার ব্যাগে পাওয়া যায়- তিন গোয়েন্দার বই! বই জব্দ করা হয়, অভিভাবক তলব করা হয়! একটু হলেই স্কুল থেকে বহিষ্কৃত হতে হতে বেঁচে যাই!!
তিন গোয়ান্দা, ওয়েস্টার্ন, মাসুদ রানার এই ভক্ত আমার কালেকশনে এদের কোন বই নেই! সব বই বন্ধুদের এবং পরিচিতজনদের কাছ থেকে নিয়ে পড়া! সে সময়ে ওয়েস্টার্ন, মাসুদ কে বড়দের বই বলা হত! আর যেহেতু স্কুলে বই ধরা পড়ে তাই এসব বই নিষিদ্ধ ছিলো আমার জন্য! কিন্তু চুপি চুপি আমি ঠিক পড়তাম!
সুনীল, সমরেশ,শীর্ষেন্দু কার কোনটা বই আমারে জিগাইলে কইতে পারুম না, এ এক আজিব প্রব আমার! অথচ নেশাখোরের মত আমি তাদের বই পড়তাম! আর হুমায়ুন এর বই পড়তে পড়তে বলতাম- ধ্যাত্তুরি ইনকমপ্লিট রাইটার একটা!!
বড়বেলায় মানে অনার্স/ মাস্টার্স এর সময় পরীক্ষার আগের রাতেও ওয়ারড্রব থেকে কাপড় বের করছি এই ভান করে এক পাতা হলেও তাদের বই পড়েছি... মানে সে সময় প্রতিদিন গল্পের বই পড়াও একটা নেশা ছিলো...
প্রতিটা বই এ আলাদা মলাট লাগিয়ে পড়তাম, নিজের কিংবা অন্য কারো! কাউকে নিজের বই দিলে তাতে মলাট লাগিয়ে দিতাম আর তাই আজ আমার সব বই চাইলে নতুন করে বিক্রি করা যাবে... একদম ঝকঝকে---
প্রচুর রূপকথার বই পড়েছি এন কালেকশনে আছে, বড়বেলাতেও বাপি আমাকে সেসব বই কিনে দিত...! বিভিন্ন রেল/বাস ষ্টেশন থেকে বই কিনেছি অনেক...
এবং পরিবারের লোকজনদের বলেছিলাম- বিয়া করলে সবাই যেন আমারে বই আর গাছ গিফট দেয়-- অন্য কিছু দিলে সব পাক্কা মাইরা ফালাই দিমু বিশেষ করে গোল্ড যদি কেউ দেয়----------
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ২:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




