
গুপ্ত ও সুপ্ত আওয়ামী লীগকে লুপ্ত করতে না পারলে তারাই আবার ফিরতে পারলে গুপ্ত ও সুপ্তকে লুপ্ত করার কার্যক্রম গ্রহণ করবে। কারণ অতীতে গুপ্ত ও সুপ্তকে লুপ্ত না করায় আওয়ামী লীগকে পলায়ন করতে হয়েছে।গুপ্ত ও সুপ্তর কারণে আবার যেন পলায়ন করতে না হয় সেজন্য আওয়ামী লীগ গুপ্ত ও সুপ্তকে লুপ্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করবে। আর এনচিপিকে তাদের চিপায় চ্যাপ্টা হতে হবে। কারণ এরা আওয়ামী বিরোধীতায় অধীক তৎপর।
গুপ্ত ও সুপ্ত এবং এনচিপি তাদের চিপায় আওয়ামী লীগকে লুপ্ত করতে তুমুল আগ্রহী। আওয়ামী লীগ উল্টা তাদেরকে লুপ্ত করার পথ খুঁজছে। ভবিষ্যতে কি হবে সেটা ভবিষ্যতেই বলা যাবে। এর মধ্যে আমরা এদেশে অনেক উত্থান-পতন দেখেছি। তার সাথে আমরা জনপ্রত্যাশা পূরণ না হতে দেখিছি। এখন তাদের বিভিন্ন পক্ষের বিভিন্ন কথায় কান ঝালা-পালা হওয়ার উপক্রম। তাদের সবার কথায় লজিক আছে। লজিক নাই জনগণের ভালো থাকার ইচ্ছায়। এ দেশে একেক সময় তাদের একেক পক্ষ হলো জনগণ। আর সকল পক্ষের কথায় সব জনগণ হলো তাদের পক্ষ। তাদের যারাই সুযোগ পায় তারাই তাদের মত করে নির্বাচন করে এবং জয়ী হয়।
এদেশে সব পক্ষের নেতা হলো সুপার হিরো আর জনগণ হলো জিরো। জনগণের জিরোর সংখ্যা বাড়ছে। অতীতে যে সব চেতনা ছিল তার সাথে জুলাই চেতনা যোগ হয়েছে। আওয়ামী লীগ ফিরতে পারলে জুলাই হয়ে যাবে ঝুলাই। আওয়ামী লীগ ফিরলে তসলিমা ও চাঁদ গাজীর কপাল ফিরবে কি? তসলিমাকে নিজ দেশ ও চাঁদ গাজীকে সামু ব্লগ থেকে দূরে রাখা হয়েছে। এগুলাও প্রতিপক্ষের চেষ্টার ফল। এক পক্ষের চেষ্টাকে অন্য পক্ষ বলে অপচেষ্টা।মাঝে মাঝে আমাকেও কটু কথা শুনতে হয়।
করল্লা যখন পছন্দ করি তবে কটু কথা আর কি? আমি ভাবি আওয়ামী লীগ ফিরলে জামাই বাবাজীর আবার কোন সমস্যা হয় কিনা। সেজন্য চাই সবার ভালো হয় এমন কিছু হোক। নেতারা জনগণকে সুখে রাখার চিন্তা করুক। এদিকে আমেরিকা ও ভারত কি চিন্তা করছে সেটাও এক চিন্তা। আওয়ামী লীগ বলছে যা হচ্ছে তাদের পক্ষে হচ্ছে। কেউ বলছে তেমন হলে আপর সমস্যা কি? আসলে তেমন হলে যাদের সমস্যা হবে তাদের অনেকেই আমাদের কাছের মানুষ। আর আওয়ামী লীগও দূরের মানুষ নয়। তাই বলি যা হয় হোক তবে সবার ভালো হোক।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



