আমি কখনোই কারো জায়গায় কাউকে বসাই না!! কারন আমি মনে করি-
প্রতিটা মানুষের একটা আলাদা নিজস্বতা বলে কিছু আছে বা থাকা উচিৎ !
প্রতিটা মানুষের আলাদা একটা ফ্লেভার থাকা উচিৎ কিংবা থাকে এবং তাকে শুধু তাকেই সেই ফ্লেভারে দেখা উচিৎ !
অথচ হুমায়ূন আহমেদ মারা যাওয়ার পর দেখলাম- একদল ধাপ্পাবাজ পাঠক -
যার তার লেখাকে হুমায়ূন স্টাইল বলছে, যাকে তাকে হুমায়ূন এর মত করে ভাবছে !
অনেক লেখকের লেখায় দেখেছি- কোন কোন পাঠক বলছে- হুমায়ূন ফ্লেভার পাচ্ছি ভাই,
আপনি তো হুমায়ূন এর জায়গা দখল করবেন-- আর সেই লেখক ও গদ্গদ হয়েছে !
আবার সেইসব পাঠক-ই আজকে হুমায়ূন কে এক অতুলনীয় বইলা স্ট্যাটাস মারছে আবার সেসব লেখক ও তাই!
অথচ আমি কিন্তু হুমায়ুন এর পাগল ভক্ত না কিন্তু গল্প/ নাটক/ সিনেমায় হুমায়ূন এর অবদান কে অস্বীকার করা যায় না!!
অস্বীকার করা যায় না তার তুমুল জনপ্রিয়তাকে!! অস্বীকার করা যায় না- হিমু/ রুপা/ মিসির আলী এই চরিত্রগুলোকে!
মৃত্যুর পর ও যার বই দেদারছে বিক্রি হচ্ছে এবং হবে! মৃত্যুর পর ও যার লেখাকে পাঠক পাগলের মত ভালোবেসেছে , বাসবে... !
কিন্তু কিছু ধাপ্পাবাজ পাঠকের কান্ড সত্যি অবাক করে!! এরা জানে না যে প্রতিটা মানুষের আলাদা একটা ফ্লেভার থাকে!
আর তাকে সেই ফ্লেভারেই দেখা উচিৎ ! হুমায়ূন একজন-ই হয় রে ধাপ্পাবাজ পাঠক!
আর ধাপ্পাবাজ পাঠকের কমেন্টে নিজেকে হুমায়ূন ভেবে গদ্গদ হওয়া লেখকেরাও আশা করি-
নিজের ফ্লেভারেই নিজেকে চেনাতে শিখাবেন পাঠককে!
“ আমি আমার মত-- সে তার মত” ... আমাকে আমার মত করেই আমার ফ্লেভারে চেনো...
এটা হওয়া উচিৎ লেখকের বেলায়!
আর পাঠকের বেলায় ধাপ্পাবাজি না-- প্রকৃত পাঠক হতে শিখুন!!
প্রতিটা লেখককে তার মত করেই দেখতে শিখুন!
হুদাই- যাকে তাকে “ হুমায়ূন” বানাইতে যাইয়েন না.........!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


