হুমায়ুন আহমেদের কবর নুহাশ পল্লীতে হলেই দেশের মঙ্গল
২৩ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
হুমায়ুন আহমেদের কবর নুহাশ পল্লীতে হলেই মনে হয় সবচে বেশী ভাল হয়। তিনি নাকি নিজেই নুহাশে সমাধিস্থ হওয়ার ইচ্ছে পোষন করেছেন। তার এই ইচ্ছাকে সরকার আয়ের একটা উৎস হিসেবে বিবেচনা করতে পারেন। নুহাশে যদি হুমায়ুন আহমেদের কবর হয় তাহলে একটা বিরাট সুবিধা পাওয়া যাবে। নুহাশের আয়ের টাকা দিয়ে একটা সেঁতু নির্মানও হয়ে যেতে পারে। গত কয়েকদিনে মিডিয়া যেভাবে হুমায়ুন আহমেদের মৃত্যুকে দিয়ে মানুষের আবেগ বিক্রি করেছে তা যদি অব্যাহত থাকে তো কথাই নেই। ধরে নিই নুহাশে হুমায়ুন আহমেদের কবর হল। আর নুহাশে প্রবেশের জন্য যদি ৫০ টাকা ফি ও দিতে হয় বাংলাদেশে হুমায়ুন আহমেদের যে পরিমান ভক্ত আছে তাতে ১ মাসে কমপক্ষে কয়েক কোটি টাকা ইনকাম হবে। আর যদি মিডিয়া কোনভাবে এটা প্রচার করতে পারে যে নুহাশ পল্লীর ভেষজ পাতা চোতা খেলে মানুষের যে কোন রোগ বালাই ভাল হয়ে যাচ্ছে। তাহলে আর যাই কোথায় সারা বাংলার মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়বে। যত টাকাই লাগুক না কেন। আবার নুহাশে যদি হুমায়ুন আহমেদের একটি মাজার তৈরী করে বছর বছর উরস শুরু করা যায় তাও আয়ের একটা বড় উৎস হবে। সারাদেশের ভক্তরা পশুপাখি, টাকা পইসা নিয়ে হাজির হবে। অন্য কোথাও কবর দিলে এই সুবিধাগুলো পাওয়া যাবে না। তাই সরকার নুহাশ পল্লীকে সরকারের সম্পত্তি হিসেবে বাজয়োপ্ত করে (যেহেতু এই সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক ঝামেলা হতে পারে) এখানে আয়ের একটা উৎস সৃষ্টি করতে পারে। যা হুমায়ুন আহমেদকে অন্য কোথাও কবর দিলে সম্ভব হবে না।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে জুলাই, ২০১২ রাত ১১:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
জুল ভার্ন, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:২৮
মতাদর্শের চেয়ে রাষ্ট্রের স্বার্থ বড়....
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আবেগ দিয়ে নয়, বাস্তবতা দিয়ে চিন্তা করা প্রয়োজন। আমাদের রেমিট্যান্স অর্থনীতির একটি বড় ভিত্তি সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন
হিজিবিজি নদীর ধারে খাদ্যমেলা
.................................................................

শামুক ভাইটি দিল ছুট,পায়ে তাহার নাইকো বুট।
হোঁচট খেয়ে থাবড়া,
মাছের নাকে কামড় বা!
মাছটি বলে, "কী আপদ!ছাড়ো আমার এই পথ।
"ফ্যাঁকফ্যাঁকে সব বুদবুদ,
ছুটলো তারা কুদকুঁদ।
ব্যাঙ ও মাছি,...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
সামিয়া, ০১ লা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১২

ঝড়ের কাছে হেরে যাওয়া গাছ,
শুকনো পাতার মতোই ঝরে পড়ে।
আমি শিকড়ে বেঁধেছি বাসা,
তাই তো দাঁড়িয়েছি ঝড়ের পরে।
একলা রাতের নীরব জানালায়,
কত অশ্রু ভোরের আগে শুকায়।
শান্তি নামে শব্দহীন এক পাখি,
যখন মানুষ নিজেকেই খুঁজে...
...বাকিটুকু পড়ুন
ছবি-১
চলার পথে অনেকেই হয়তো মোবাইল ফোনে ব্লগ পড়তে বা দেখতে গিয়ে বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছেন। সাধারণত মোবাইল ফোনে যারা ব্লগ পড়েন তাদের ব্লগের লেখা পড়তে ও ব্লগের লেখা সহ ছবি...
...বাকিটুকু পড়ুন
৪. কুয়াশার ভেতরে ও বাইরে
পরের দুটো সপ্তাহ কেটে গেল এক অদ্ভুত মনস্তাত্ত্বিক লুকোচুরির মধ্য দিয়ে। শামিত নিজেকে আপ্রাণ বোঝানোর চেষ্টা করল যে সে ক্যাভেনডিশ ব্যাংকের একজন সামান্য চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী মাত্র,...
...বাকিটুকু পড়ুন