বিভিন্ন সময় দেখি বাসের সিটে বসা নিয়ে অদ্ভুত পরিস্তিতি সৃষ্টি হয়। আমরা জানি যে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন ৯ টা বিভিন্ন বাসে ৪ টা। কিন্তু লজ্জার বিষয় হল মেয়েদের সংরক্ষিত আসনে যদি কোন পুরুষ বসে তাহলে তার আর নিস্তার নেই, যেন তাকে এখনি বিন্দাবনে পাঠিয়ে দেয়। কথায় দিয়ে পারলে চুল ছেঁড়ে তার। দেখে নেয়া যাক তখন তাদের ভাষা কেমন হয়ঃ আপনি কি কানা? আপনি কি মহিলা যে মহিলাদের আসনে বসেছেন? রাগান্বিত স্বরে চক্ষু বড় করে এটা মহিলাদের সিট আপনি জানেন না? আপনার কি কমন সেন্স নেই? এগুলি হল অর্ধাগীনিদের ভাষা। হয়তো আমাদের দেশের প্রাধানমন্ত্রী ও বিরোধিদলীয় নেত্রী হবার কারনে তাদের এই অধিকার!!! যদি কোন মুরুব্বি মানুষও বসে থাকে, হোক সে বাবার বয়সী তাতেও তাকে উঠতে হবে। হ্যাঁ এই কথা ঠিক কিছু হাফ মেন্টাল অন্যত্র স্থান থাকার পরের মহিলাদের স্থানে বসে,যাদের লজ্জার কোন বালাই নেই। তবে এটা অতি নগন্ন। আর যদি পাশে বসা মহিলার গায়ে একটু ছোঁয়া লাগে তাহলে বলে উঠতে পারেঃ আপনার কি মা-বোন বাসায় নেই, মেয়ে দেখলেই কি গাঁয়ে হাত দিতে হবে, আরো কত কি? একথা ঠিক লম্পট কিছু আছে। আমি একবার দেখেছিলাম এক নারী এক হুজুরকে কিভাবে হেস্তন্যাস্ত করেছিল। নারীর ক্ষমতায়ন বলে কথা !!! অথচ কোন নারী পুরুষের সিটে গিয়ে যখন বসে, কবি এখানেই নিরব। কিংবা কোন নারী যদি দাড়িয়ে থাকে তাহলে পুরুষরা নির্দ্বিধায় সিট ছেড়ে দেয়। কিছু চেতনা ধারি নারীরা সমঅধিকার বলে সুর তোলে,তাদের প্রতি আমার জিজ্ঞাসা আপনারা কেন বাসে উঠলে কিংবা কঠিন কাজের সময় সমঅধিকারের কথা মনে রাখেন না!!! আপনরা কিছু কিছু কাজ করতে পারেন না, এজন্য আপনাদের অবলা বলা হয়। ব্যবহার সুন্দর করুন এবং দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করুন। আমি পুরুষদের বলবো আপনারা ভুলেও মহিলাদের সংরক্ষিত আসনে বসবেন না। কারন হটাৎ যদি মহিলা আসে তাহলে মহিলাদের রক্তচক্ষু সহ্য করতে হবে। মহিলাদের বলবো পুরুষরা আপনাদের এই কারনে আসন দেয় যে আপনারা আপারগ, সমঅধিকার স্থাপনের জন্য নয়। তারপরও যদি সমঅধিকার প্রতিস্ঠা করতে হয় তাহলে পাহাড়ি মহিলাদের মত হতে হবে আপনাদের।(((দুঃখিত আমার কথায় কেউ কষ্টো পেলে)))


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


