জ্যাম যেন নিয়মিত একটি কর্মসুচি হয়ে দাঁড়িয়েছে ঢাকার মানুষের জন্য। মানুষ বিরক্ত হয়ে যখন ফুটপাতে নামে একটু সস্তি সহকারে ফুটপাতে হাঁটবে বলে, তারও কোন অবস্থা নেই। পিছন থেকে প্যাঁ পু অস্থির অবস্থা, পিছনে থেকে মটরকেল এই বুঝি ধাক্কা দিল। কারন ফুটপাতে মটরসাইকেল উঠে গিয়েছে । ফ্রি ভাবে হাঁটবো তার ও যেন কোন সুযোগ নাই। রাস্তা যেখানে গাড়ির জন্য বরাদ্দ তারপরের ফুটপাতে ওঠা, এটা কি বাড়াবাড়ি নয়। মটরসাইকেল চালদের কি কমন সেন্স এতই কমে গিয়েছে, যে বোঝে না কোনটা গাড়ির রাস্তা আর কোনটা মানুষের জন্য বরাদ্দ। আজ আমি অতিস্ট, ফুটপাতে ব্যবসায়িদের কথা আপনারাই ভাল জানেন। একটু হাঁটার অধিকার ও কি পাব না আমি !!!
ইদানিং একটা বিষয় খুব অবাক লাগে আমাদের দেশের মানুষ নিজস্ব পেশাকে এমনভাবে অপমানিত করছে যা সে নিজেও জানে না। মটরসাইকেলে নেমপ্লেট হিসাবে নাম লেখা সাংবাদিক, আইনজীবী, সিটিকরপোরেশন, ডাক্তার, ছাত্রলীগ আর পুলিশ তো আছেই আর কত কি যার শেষ নেই। মনে হয় যেন সবার ব্যক্তিগত পেশাই হল গাড়ির নেমপ্লেট!!! পেশা আপনার চেম্বারে বা আপনার ব্যবসা প্রাতিস্ঠানে কিন্তু বাহিরে নয়। এটা যেমন আমাদের দেশের নিয়ম কানুনের প্রতি বুড়ো আঙ্গুল দেখানো আবার নিজের পেশাকে সমাজের কাছে হেয় প্রতিপন্ন করা ছাড়া কিছু নয়। খুব হাঁসি পায় যখন এই রকম নেমপ্লেট ব্যাবহার করে মানুষ তাদের যানচলাচল করে। আবার ইদানিং দেখতেছি যে “জরুরি রপ্তানি কাজে নিয়োজিত” নামে বিভিন্ন গাড়ি। “জরুরি রপ্তানি কাজে নিয়োজিত লেখা থাকতে পারে মেডিসিন অথবা অক্সিজেনের গাড়িতে। এম্বুলেন্স দিয়ে কি করে সেটা আর নাইবা বললাম। আমাদের দেশের মানুষ এখন যেন কোন না কোন নাম বিক্রি করে খেতে পছন্দ করে !


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


