একাত্তর সালে পাকিস্তান যেমন ক্ষতি করেছিল ভারত তার চেয়ে কম করেনি এবং অনবরত বিদ্যমান। প্রতিনিয়ত দাদারা আমাদের দেশের জনগণকে সিমান্ত হত্যা করে প্রমান করছে, আমরা পারি আর আমরাই পারবো। কিন্তু হাস্যকর এবং দুশ্চিন্তার বিষয় হল পাকিস্তানকে নিয়ে আমাদের যেমন মাথা ব্যথা ভারতকে নিয়ে আমাদের তার কিঞ্চিত পরিমাণ মাথাব্যথা নেই! আমাদের জানতে হবে ভারত আমাদের কাছে কি চায়? অথচ আমাদের দেশে নিরাপত্তা জনিত কোন সমস্যা হলে আমরা যেভাবে জঙ্গী ইস্যু অথবা মৌলবাদিদের নিয়ে যেভাবে উচ্যবাচ্চ্য করি, তার একটুও যদি আমরা ভারতের স্বার্থ ও আমাদের স্বার্থ নিয়ে চিন্তা করতাম তাহলে আমাদের দেশ বহু আগেই প্রকৃত ডিজিটাল হয়ে যেত। রাজাকারদের অবস্থান এদেশে নেই এদের পাকিস্তান পাঠিয়ে দাও, আরো কত কি! ভারত যতই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাক, আমরা মুখে কূলুপ এবং চোখে টিনের চশমা লাগিয়ে রাখবো বলে পণ করেছি। ভারতীয় বিএসএফ বাহিনী প্রায় প্রতিদিনই দুএকজন জনকে হত্যা করছে। তবু এটা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য হবে না, কোন প্রতিবাদ হবে না, ভারতীয় দূতাবাস ঘেরাও করতে যাবে না কেউ? এই আগ্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিচ্ছবি প্রতিয়মান হয়না কোন বুদ্ধিজীবীর নিকট। সবাইক যেন কানা বনে গেছে।
.প্রশ্ন উঠতে বাধ্য, বাংলাদেশ কি আসলেই স্বাধীন-সার্বভৌম একটি রাষ্ট্র? নাকি ভারতের অঙ্গরাজ্য? নাকি মেজর জলিলের কথার বাস্তাবায়ন হচ্ছে, সাথে সাথে স্বাধীনতার সময় ধর্মভিত্তিক দলগুলির আশঙ্কাই সত্য হতে চলেছে। স্বাধীনতার সময় বিশেষ করে সিমান্তবর্তি এলাকার জনগণ এবং সেক্টর কমান্ডারা খুব ভাল করেই জানতেন যুদ্বে ভারতের অবদান কতটুকু ছিল? সামনে থেকে রক্ত দিয়েছে আমাদের দামাল ছেলেরা আর পিছন থেকে অবস্থা অবলকন করে সামনে এগিয়েছে ভারতীয় বাহিনি। অথচ গনিমতের মাল মনে করে সারাদেশ থেকে হাজার হাজার ট্রাক মূল্যবান সম্পদ দিবালকে তৎকালীন সরকাররে প্রহরায় নিয়ে গেছে দিল্লি।এই হচ্ছে ভারতের সাহায্যর নমুনা! বাংলাদেশ যদি ভারতের অঙ্গরাজ্য না হতো তাহলে কি করে একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের অভ্যন্তরে ঢুকে ভারতীয় বাহিনী নির্বিঘ্নে গুলিবর্ষন করে পাখির মত মানুষ হত্যা করে নিরাপদে চলে যায়? কিন্তু পাকিস্তান সীমান্তে বন্দুকের নাল উঁচু করতে ভয় পায় বিএসএফ।বিজিবির কাজ কি কেবল বিরোধী দল দমন করা? সিমান্তই যদি রক্ষিত না হয় তাহলে বিজিবি নামক আলদা বাহিনীর প্রয়জোনিয়তা কতটুকু? কথায় আছে "মেরে মাপের নাম ভুলিয়ে দেব" বি.জি.বির ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। দূরসাহসিক বি.ডি.আর কে আজ বি.জি.বি নয় জঙ্গলের বেজীতে পরিণত করা হয়েছে। আলাদা নাম দিয়ে আলাদা ইউনিফর্ম পরিয়ে যদি তার কোন কার্যক্ষমতা না থাকে তাহলে সরকারি টাকা খরচের দরকার কতটুকু, আমাদের এই জায়গাটা অনুধাবন করতে হবে। দেশের পরতে পরতে এখন “র” এর সদস্য রয়েছে। অরক্ষিত স্বাধীনতাই আমাদের জন্য পরাধিনতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশের মুক্তি পাগল জনতা আজ অথবা কাল হয়তো অনুধাবন করতে সক্ষম হবে, রাওয়ালপিণ্ডির কাছ থেকে রেহাই পেলেও দিল্লীর কাছ থেকে রেহাই পাইনি।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


