মলংচর থেকে ডাবুরিয়া
অনেকটা পথ।
কালীর হাটের কালি গাছের তলা মাড়িয়ে
হাশরের ঘর-বাড়ীগুলো পেঁচিয়ে ঠেলাঠেলি রাস্তা,
সাঁকো পেরুলেই মহেন্দ্র খালের তীর আর
তীরে তরী বাঁধা জংলী সরুতা।
তারপর বাজারের হৈ রৈ থামতেই
22 গাঁয়ের 22 কদম হেঁটে দীঘল মাঠ,
ডাকাতীয়া সঙ্গ দেয় বেশ কিছু দূর
দাদঘরের ক্লাব আর দ'টো কোমর ভাঙ্গা সাঁকো ভেঙ্গে
চোখে এসে নাড়া দেয় মান্দার গাঁও-এর বটবৃক্ষের ছায়া।
ওখানে স্কুল আছে, আছে হাটুরেদের আনাগোনা
কালভার্টগুলোতে পা দিতে পারলেই
দেখবে পেঁৗছে গেছ ছোট খালার শ্বশুড়বাড়ী;
বর্ণনার যাত্রায় উন্মুখ আমি যাত্রী একক।
এক চাকার খেলনাকে কাঠি দিয়ে চালানোর মত
দু'পায়ে শক্তি-গতি সঞ্চারী গন্তব্য পিয়াসী,
রোদের তপ্ত-বাড়ন্ত সুঁচালু শুঁড়
ছুঁয়ে দেয় চর্মভেদী স্পর্শ
অনুভবে ক্ষেপে উঠে কষ্টেরা।
আক্রান্ত একদার সেকেলে পথের পথিক।
জীবনের ধারাপাতের এমন ধারাগুলোতে এসে
আমি হুট করে ঢুকে পড়ি ভাবনার চৌকাঠে;
কখনো সদোরে
কখনো শিক গলে
কখনো সিঁদ কেটে অন্দরে;
কল্পনা যখন যেমনের সাথে বাঁধে সখ্যতা।
নিস্পৃহ সচল মানুষ, অথচ হই শূন্যানুভূতি
পৃথিবীর কোন কষ্ট পারে না ছুঁতে আমার
কল্পলোকের ধ্যান; ইন্দ্রিয়ের দেয়াল ভেঙ্গে,
মাঝে-সাঝে নিজেই উঁকি দেই গন্তব্য সঠিকতায়।
যাতনাকে মাড়িয়ে যেতাম একদিন এভাবেই
ভাবনার মানব জীবন যদি পায় গন্তব্যের দিশা,
কষ্ট, দুঃখ, ব্যাথা, হতাশা -শব্দগুলো পারে না রচিতে অমানিশা।
মননে মননে বলি আপনায়-
ভুবনের প্রান্তরে সত্য-মিথ্যার বিচরণ
ভাবনার দূরবীনে দেখে লক্ষ্য কর নির্ধারণ
এবং
চলো সাবলীল দিগন্ত থেকে অনন্তে প্রশান্তে।
10.09.2006
রাবওয়া, রিয়াদ, সৌদি আরব।
ছবির জন্য [link|http://cherylkirknoll.com/jpegsbooks/bofbmist.jpg|K
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


