somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Confessions (2010): মাথা আউলানো একটা মুভির রিভি্উ

০৯ ই মে, ২০১১ রাত ১০:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


মেলা দিন পর একখান মুভি দেখলাম।মুভি দেখার আইডিয়াটা ঠিক ছিলো মাগার যেই মুভিটা দেখলাম ঐটা দেখাটা ঠিক হয় নাই।কারন, এই গরমে ঐ মুভিটা দেইখা আমার মাথা পুরাই আউলাইয়া গেছে।এখন আর মাথা ঠান্ডা করবার পারতাছি না।টোটাল মায়েরে বাপ সিনেমা।মুভিটা কেউ দেখছেন কিনা কইবার পারি না। মাগার যারা আমার মতো মাথা আউলাইতে চান তাগো লাইগা হাইলি রেকমেন্ড করলাম।না দেখলে লাইফ বৃথা।
সেই মুভিটার নাম Confessions (2010)।ইহা একটি জাপানিজ মুভি যার অরিজিনাল টাইটেল হলো Kokuhaku (original title)। মুভিটা মূলত একটি psychological thriller মুভি।জাপানিজ ভাষার এই মুভিটার মেকিং বেশ ভাবের।১০৬ মিনিটের মুভিটার ভাবসাবই আলাদা।শুরুতে একটু বোরিং লাগবে, মাগার ঠিক ২৯ মিনিটে যদি চেয়ার থেইকা না পড়েন আমারে কইয়েন, আপনারে চায়ের দাওয়াত দিমু।
মুভিটার বেশ কয়েকটা পার্ট আছে।প্রত্যেকটাই ইন্টারলিংকড।প্রতিটা পার্টেই চমক আছে, আর যতদূর কাহিনী আগাবে ঘটনার জটও আরও পরিষ্কার হবে।কাহিনীটা একটু বইলা দিই, শুরুতে দে্খা যাবে, একজন ক্লাস টিচার তার ছোট্ট মেয়ের মারা যাওয়ার কাহিনী তার স্টুডেন্টদের কাছে বর্ননা করছে।ঐ মার্ডারের পিছনে ঐ সেকশনেরই দুই ছাত্রের হাত ছিলো।কাহিনীর প্রতিটি ধাপেই দেখা যাবে, সেই ঘটনার প্রতিশোধের অন্যরকম গল্প।সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে্ কার কি ভূমিকা ছিলো এবং সেই ঘটনার পরবর্তি ইফেক্ট নিয়েই এই মুভিটার কাহিনী অগ্রসর হবে।
আগেই বলছি,মুভিটার মেকিং একটু ভাবসাবের।দেখে মনে হতে পারে এত ভাবের দরকার কি।মুভিটা আমি পুরাই দম বন্ধ করে দেখছি।কারন,দম ফালানোর টাইম নাই।ভাবের কাহিনী,ভাবের মেকিংতো লাগবেই।আর সাইকোলজিকাল থ্রিলার যেহেতু মনের ভেতর একটা চাপ পড়ে।মুভিটার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক অসাধারন, কাস্টিংটাও দারুন।তবে এই মুভির ইংলিশ ভার্সনটা দেখলে হয়তো আরো জোস লাগতো।কারন সাবটাইটেলের দিকে সারাক্ষণ তাকায়ে থাকতে হইছে।পাছে, কিছু মিস করে ফেলি।এন্ডিং দেইখা আমি সিম্পলি হাঁ হইয়া তাকায়ে ছিলাম।শালা ডিরেক্টরের বাচ্চা বানাইছে কি!! এককথায় অসাধারন।অনেক দিন পর একটা মুভি দেইখা মুগ্ধ হইলাম।

আপনারা যারা আমার লাহান টাস্কিত হইতে চান তারা প্লিজ এই মুভিটা দেখেন।পরাণটা জুড়ায়ে যাইবো, তয় মাথার তার ছিইড়া যাইবার পারে।

ডাউনলোড লিংক: Click This Link
২০টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ডায়োজেনিস সিন্ড্রম

লিখেছেন করুণাধারা, ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১২:০১



ডায়োজেনিস সিন্ড্রমে আক্রান্ত মানুষের ঘর

আমার একজন ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের কিছু অদ্ভুত আচরণ দেখে বুঝতে চাচ্ছিলাম যে তার এমন আচরণ কোনো মানসিক সমস্যা কিনা। তার আচরণের বর্ণনা দেই ইন্টারনেটে, আর তখন জানতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-৩০)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১:০৩



সূরাঃ ৩০ রূম, ৩২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। যারা নিজেদের দীনে মতভেদ সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন দলে বিভক্ত হয়েছে।প্রত্যেক দল নিজ নিজ মতবাদ নিয়ে উৎফুল্ল।

সূরাঃ ৩০ রূম, ২৯ নং... ...বাকিটুকু পড়ুন

হামে শিশুদের মৃত্যুর দায় ডঃ ইউনুস গভার্নমেন্টের

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ রাত ১:০৪

ইউনিসেফ হামের টিকা কেনার জন্যে গত তত্তবধায়ক সরকার প্রধান ড' ইউনুসকে বারবার অনুরোধ করেছিলো। আমরা এখনো ইউনুস স্যারের উত্তর পাই নাই। কিন্তু, প্রশ্ন হচ্ছে, ইউনিসেফকে প্রধান উপদেষ্টা পর্যন্ত যেতে হলো... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাশূন্যের অন্তহীন দিগন্তে: আগামীর মহাকাশ গবেষণা, মানবসভ্যতা এবং আল কুরআনের বিস্ময়কর দিকনির্দেশনা

লিখেছেন নতুন নকিব, ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৫৫

মহাশূন্যের অন্তহীন দিগন্তে: আগামীর মহাকাশ গবেষণা, মানবসভ্যতা এবং আল কুরআনের বিস্ময়কর দিকনির্দেশনা

ছবি অন্তর্জাল থেকে সংগৃহিত।

ভূমিকা:

মানুষ যখন প্রথম আকাশের দিকে চোখ তুলে তাকিয়েছিল তখন সেই বিশাল নীলিমা তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

যুগে যুগে সারদা দেবী

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৯



নদীর নাম রুপসা।
জীবনানন্দ দাশ তার কবিতায়ও রূপসা নদীর কথা বলেছেন। এই নদীতে স্নান করেছেন- রবীন্দ্রনাথের মা এবং স্ত্রী। বর্ষাকালে রুপসা নদী যেন যৌবনে ফিরে যায়। কি তেজ! কি জলের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×