somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কি শিখেছি....কি শিখতে পারতাম.....িক শিখছি

১৩ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৪:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কর্জন হলের সবচেয়ে বড় লাল দালানের সমানের ঘাস,রাস্তা,তার দেয়াল ,সিড়ি,ফ্লোর, মিলনের কেন্টিন, জাহাঙ্গির মামার দোকানে আড্ডা পিটায়ে যখন 6 বছর কাটায়ে দিলাম, তখন হাতে পেলাম সেই সোনার হরিন, এক টুকরো কাগজ, যা নাকি ছাগলের চামড়া থেকে বানানো হয়েছে(শুনা কথা)এবং যেখানে ছাগলের মাথার জল ছাপ দেয়া। কত বড় কৌতুক সারা জীবনের শ্রমে পাওয়া ছাগলের মাথা, লজ্জা লজ্জা....এই দেখে কে চাকরী দিবে বলেন,

দেশে ভাত জুটল না, তাই দৌড় দিলাম অনেকের স্বপ্নের দেশে। কপাল ভাল এই এক টুকরো কগজ, সথে আরও দুটো কাগজ এর জোরে গ্রেড স্টুডেন্ট হিসেবে আসতে পেরেছি,
আজ আমি এই সময়ের কথা লিখব, যেহেতু আমি স্টুডেন্ট তাই প্রথমে স্টুডেন্ট লাইফ দিয়ে ই শুরু করব....

এখানে নিয়ম হল এসে ই 30 ক্রেডিট কোর্স ওয়ার্ক করতে হবে, তারপর কোয়ালিফাইয়ার, দেন ডক্টরেট রিসার্স শুরু।আমি এখানে এসে যে কোর্স গুলো পড়েছি, একই কোর্স দেশে ও করেছি, কিন্তু পর্থক্য বিশাল।
- ঢাবি ফিজিক্স এ আমদের টিচাররা থিউরি পড়াতো, নো হোম ওয়ার্ক বছর শেষে একটা পরিক্ষা যার 20% প্রবলেম,80%থিউরি।
এখানে বিষয়টা পুরা উলটা। একই কোর্স আমরা এইখানে 4মাসে শেষ করি, টিচার রা থিউরি পড়ায়, সাথে প্রতি সপ্তাহে হোমওয়ার্কথাকে,যার সব ই প্রবলেম। স্যাররা যেন প্রতিযোগীতায় থাকে কে কত কঠিন প্রবলেম দিতে পারে(যেহেতু তারা আমাদের গেইস মাস্টার বানানোর দায়িত্ব নিয়েছে)। যা আমাদের খুব দরকারী।সব পরিক্ষা প্রবলেম বেইস, যে কারনে থিউরি না বুঝে উপায় নেই।এটা আমাদের সবার কাছে অসম্ভব দারুন একটা সিস্টেম মনে হয়। আমার মনে হয়েছে আমি নতুন করে সব পড়ছি, বুঝছি।
ঢা বি র পড়া গুলো ভেস্তেই গেলো। এখন মনে হয় আড্ডা মেরে ভাল ই করেছি,।যে অনুশোচনা ছিল তা আর নেই। আমি জানি না আমাদের ডিপার্টমেন্ট এর স্যার রা কেন এই ভাবে পড়িয়ে ছেলে মেয়েদের সময় নস্ট করেন।কম করে হলেও 1বছর আমরা সেভ করতে পারি বাইরে এসে,যাদি ঐ ভাবে পড়ে আসতাম। অন্তত এই প্রেসার টা পড়ত না।

- প্রতিটা শিক্ষককে অবশ্যই প্রতি সপ্তাহে ন্যূনতম 1 ঘন্টা স্টুডেন্টদের জন্য রাখতে হবে। এই সময় তারা তাদের কোর্সের স্টুডেন্টদের সাথে প্রবলেম নিয়ে আলোচনা করবে,কোন ছাত্র যদি না ও যায়, তাকে অফিসে বসে থাকতে হবে।যে কোন সময় মেইল করে যোগাযোগ করা যাবে।

আমি এখনও দেশীয় জড়তা কাটিয়ে উঠতে পারিনি, স্যার দেখলে মনে হয় এখন ও সালাম দিয়ে বসি মনে মনে।দেশে তো এমন আড্ডা মারছি যে ভাইবা বোর্ডে গেলে স্যারদের দেখে মনে হতো এইবার পাইছি তোমারে চান্দু, একটা খুচা দিয়ে কথা বলে তার পর প্রশ,্নআর আমার ও আত্মারাম খাচা ছাড়া, জানি একটু টেরি বেরি হইলে ই গেছি....ঐ ভয় এখন ও যায় নাই।যাদিও এইখানে ভয় পাওয়ার কিছু নাই...তারা ঐসব নিয়ে মাথা ঘামায় না...আমার মনে হয় স্যার স্টুডেন্ট রিলেশন আর একটু ফ্রেন্ডলি করা যায় সহজে ই। তবে এমন টিচার ঢাবি র ফিজিক্স এআছে, আমার দেখা দুই জন। এর সংখ্যা আরো কটু বেশি হওয়া উচিৎ।

আর একটা মজার বিষয়, আমরা হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এখানে আসি একটু রিসার্স করার আশায়, বা বলতে গেলে তারা আমাদের নিয়ে আসে সকল সুযোগ সুবিধা দিয়ে, কিন্তু এই দেশী স্টুডেন্টরা এই সুযোগ নেয়ার বেপারে আগ্রহী না। যে কারনে এই খানের যে কোন স্কুলের ওয়েব সাইটে গিয়ে যদি গ্রেড স্টুডেন্ট লিস্ট দেখেন তবে দেখবেন 50 জনে 8-10 জন এই দেশী।

চলবে
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০০৬ ভোর ৪:৪৪
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×