somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভুড়ি ভাজি দিয়ে ভুড়ি বিলাস

১২ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৪৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অভাবে পরলে মানুষ কি না খায়।কচু ঘেচু,লতা পাতা।পরিবেশবাদীরা চিৎকার চেচামেচী করলেও কুনো লাভ নাইককা।পেট শান্তি তো দুইন্না শান্তি।কোন কোন দ্্রব্য খাওয়ন হইয়া উঠে কত উবকার করে। মাঝে মইধ্যে ঐ হগল খাওন কোন কারন বসতঃ একটু নামী দামী খাইয়া সোয়াদ পায় তো ঐ খাওন তো জাতে উইঠা যায়, লগে লগে গরীবের ও ঐটা খাওয়ার কিসমত শেষ হইয়া যায়।

তো আমার দাদীজান যহন পরথম গরুর ভুরি নিজে দায়িত্বে পরিস্কার কইরা রান্দনের পেলান করছিল,ত হন বাড়ি শুদ্ধা লোকজন গালি দিছিল, কোরবানীর পর গরীবরা ঐটা নিয়া যায়, পরিস্কার কইরা রান্দে, খায়,তুমি এহন এইঠা লইবা।হেই গরীব মানুষ গুলান যদি জানত তারা নিজেগো এই খেতি করবার যাইটাছে, তাইলে কি আর ঐ রান্দা ভুড়ি দাদীরে খাইতে দিত।এহন আলাদা গোসত দিয়া হইলে ও ভুরি দেয় না।আমরা খাইয়া ও পুরা টাল......এহন তো বাজার থন ভুড়ি কিনণা আইনা খায়।

এই দেশে এসে ও খুব মিস করতাম সেই ভুড়ি ভাজা।এক বন্ধুর বাসায় খেতে গিয়া দেখি স্যুপের মধ্যে সাদা কি যেন,তাকে জিগ্যেস করতে ইংরেজী নাম বলল। আমি তো আবার ইংরেজীতে খুব ভালো,তাই কিছুই বুঝলাম না।জিনিস টা কি হতে পারে। আমার সেেন্দহ হলো গরূর ভুড়ি বলে ই। আল্লার নাম নিয়ে দিলাম মুখে,এখন ই বুঝা যাবে এটা কি,বাঙাল কে খাবার চিনায়!!!! মুখে পড়লে সব বলে দিতে পারে বাঙাল।

হমম অনুমান সঠিক,শালার এইটা তো আমাগো দেশের গরুর ভুড়ি ই।আয় হায় এতো দিন কই আছিল, আমার চোউখ্যে কেন পড়ল না। পোয়া আফছোস। ইংলিশ নাম টা আবার জিগাইলাম, কইলো beef tripe।ঐদিন গিয়া ছোট এক পেকেট কিনা আনলাম, গোসতের মসলা দিয়া রানলাম, তার পর কসা হইয়া যওনের পর বেশী কইরা পানি দিয়া সিদ্ধ করলাম,এইবার পানি শুকাইয়া যাওনের পর ভাজা ভাজা কইরা ফালাইলাম।

আহারে কি সুবাস, কতো দিন পর। গরম ভাত দিয়া মজা কইরা খাইলাম।

আইজকা আবার বড় একপেকেট আইনা ভিজাইলাম,আইজ রাইতে ও হবে ভুড়ি ভাজি দিয়া ভুড়ি বিলাস।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জানুয়ারি, ২০০৭ সন্ধ্যা ৬:৫২
১৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাংবাদিক নারীরা কি টিপিক্যাল, চিন্তার গভীরতা কি ওদের কম??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ২৪ শে এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০



সাংবাদিক নারী বা সাংবাদিকতার সাথে সম্পর্কিত পেশায় জড়িত মেয়েরা কি একটু টিপিক্যাল টাইপের হয়??
আমার তো তা-ই মনে হয়! এছাড়া, চিন্তার গভীরতা ওদের একটু কমও মনে হয়েছে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

চোখ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:১৬

এতদিন উপমা হিসাবে জেনেছি কারোর চোখ থাকে পটল চেরা, কারোর থাকে বাবুই পাখির বাসার মতন।
এই প্রথম দেখলাম গ্রে'স এলিয়ানের চোখ - এত মায়ায় ভরা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সব দুনিয়ার আহার যোগাই, আমরা না পাই খাইতে

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:৩৪



সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বাওন হাওরের বর্গাচাষি আলী আকবর। কেমন আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ কৃষিকাজ করি খালি বাঁইচ্যা থাকার লাগি। কোনো লাভ নাই।’ হিসাব কষে বলেন, এখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

লজেঞ্জুষ খাওয়াবে

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫


বাতাসের নিঃশ্বাস, পিঠ ঠেকে যাচেছ
শহরের ধূলি বালির নর্দমার কাছে;
কখন চিৎকার করে বলে ওঠবে-
দূষিত নিঃশ্বাস তোমরা সরে যাও
তোমরাই স্বার্থপুরের রাক্ষস রাক্ষসী;
সাবধান বাতাসের কোটি নিঃশ্বাসগুলো
লজেঞ্জুষ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে-
খুব আদর করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×