somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আকাঙ্খার শহর!!!!

২১ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ১০:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গেট 18 এ নেমে যেই না সামনে এগুচ্ছি ,চোখের সামনে বসে আছে সারি বাধা স্ললট মেিিশন।একটু ধাককা খেলাম মনে হয়।কোনো এয়ার পোর্টের লবিতে স্ললট মেশিন এই প্রথম দেখলাম। একটু সামলে উঠার পরে মনে হলো,না ঠিক ই আছে।এটাই এই শহরের পরিচয়।রাজস্ব আয়ের 43 ভাগ আসে জুয়া থেকে।আর এই আয়ের অধিকাংশ ই ব্যায় হয় শিক্ষাখাতে।সেই লবি ধরে হেটে হেটে বের হয়ে যাই এয়ারপোর্ট।এবার ক্যাব খুজার পালা।শ 'য়ে শ'য়ে ক্যাব একটা পিছনে আরেকটা,পুরো রাস্তা ক্যাবে ক্যাবাকার।একটা খালি ক্যাব জিগ্যাস করলাম যাবে কি না।না সে এখান থেকে কোন যাত্রি তুলতে পারবে না।এখানে শুধু যাত্রি নামানোর জন্য।উঠতে হলে যেতে হবে নীচ তলায়। কিন্তু আমার মনে হলো আমি নীচ তলায় ই আছি।তাও চেসটা করে খুজে খুজে গেলাম নীচ তলায়।কিন্তু কি মনে করে ফিরে এলাম আবার।আমার হাতে সারা দিন সময় আছে।আমি এক দিন আগে ই পৌছে গিয়েছি।তাই মনে হলো একটু ঘটনা দেখি।বিভিন্ন বয়েসী লোক, দলে দলে।আমি ই দল ছাড়া।ঘুরে ঘুরে মনে হলো খুধা পেয়েছে,এবার যাওয়া উচিৎযেখানে এসে দাড়ালাম সে খান থেকে সাটল বাস চলে।5 ডলার এক ট্রিপ।টিকেট কাটতে ই ওরা হাতে ধরিয়ে দিল কয়ন এর মতো চাকতি।এগুলো দিয়ে জুয়া খেলে।

সাটল বাস চলছে।যত দূর চোখযায় সব পাহাড়।সেই উচু পাহাড়ের সামনে বাড়ী ঘর গুলো কে মনে হলো পিপিলিকা।এই এলাকায় সর্বোচ্চ শৃঙ 11 হাজার ফুট।তার পর 8 হাজার 9 শত ফুট।খুব অল্প সময়ের মাঝে ই পৌছে গেলাম আরেক ন গরীতে।আমার কাছে এমটা ই মনে হলো।রাস্তার দুই পাশে সে কি উচু উচু সব দালান দাড়িয়ে আছে।সব আবাসিক হোটেল।খুব কম সময়ে ই পৌছে গেলাম হোটেল এ যেখানে আমি থাকবো।চেক ইন এর সব কাজ সেরে 23 তালায় উঠে নিজের রুমে।এবার জানলা খুলে যা দেখলাম, চার দিকে পাহাড় ঘেরা এক ন গরী। খুব অবাক হলাম ,কিভাবে গড়ে উঠলো এই ন গর। সব পাথুরে পাহাড়।কোথাও কোন সবুজ নেই।রুক্ষ শুস্ক সব।শহরের ভিতর যে গাছ গুলো চোখে পড়ে তার সব ই পাম আর খেজুর সাথে কেকটাস।কেমন একটা আগ্রহ অনুভব করলাম সেই পাহাড় ছুয়ে দেখার।না এতো ভাবার সময় নেই।খুধায় পেট চো চো করছে, খেতে হবে।

ফ্রেস হয়ে ছোট বেগ নিয়ে বের হয়ে গেলাম।নীচে নেমে হোটেল লবি ঘুরে দেখতে লাগলাম।চার পাশে স্ললট মেশিন,মাঝে টেবিল পাতা ডাই রোল খেলার জন্য,তার ফাকে ফাকে কিছু টেবিল বসানো, ওখানে ও তাসের জুয়া হয়।প্রতিটা টেবিলে টেবিল এটেনডেনট আছে।খুব মার্জিত পোশাকেই।জামায় লাগানো ব্যাজ এ নাম আর তার দেশ বা শহরের নাম লিখা।এটা এক আজব জিনিস। আমি জানি না কেন হোটেল কতৃপক্ষ তা করে।

যেমন ,কাতিউসা,জাপান
বা
জেসমিন, বাংলাদেশ

এখান কার লোকাল হলে তাদের স্টেট এর নাম থাকে সাথে।পোকার এর জন্য আলাদা করে জায়গা আছে।ওখানে শুধু পোকার খেলা হয়। বিয়ার ফ্রি ওখানে।দাড়িয়ে দাড়িয়ে লোক জন দেখছে। আমি ও দেখলাম বেশ কিছু ক্ষন, বুঝার চেসটা করলাম খেলাটা আসলে কি। কিন্তু মানুষ একটু কেমন করে তাকায়, একা একটা মেয়ে দাড়িয়ে আছে।এখানে সবাই মোটা মোটি দল বেধে আসে।

পরে দেখেছি সব হোটেল গুলোতে ই একই দৃশ্য।ঢুকতেই কেসিনো,সব এটেন্ডেন্ট এর নেম প্লেট একই ফরমেটে লিখা।সব গুলো ক্যাসিনোর দৃশ্য ও একই রকম।

যাই হোক খুধায় আর টিকতে পারছিলাম না।খুজতে খুজতে পেয়ে গেলাম সাইনবোর্ড" হোটেল সাহারা বাফেট"।ভাবলাম বেশ দাম পড়বে মনে হয়।কিন্তু খুধা বলে কথা।দামের কথা চিন্তা না করে তীর চিহ্ন ধরে ধরে রেস্টুরেন্ট এ চলে গেলাম।গিয়ে দেখি 11 ডলার এ বাফে এবং সব মিলিয়ে কম করে হলেও 100 আইটেম।রান্না অসাধারন।ডিসিশন নিয়ে নিলাম পরবর্তি 5 দিন এখানে ই খাব।

পেট শান্তি তো দুনিয়া শান্তি।শান্ত পেট নিয়ে বেড়িয়ে পড়লাম,হাতে অনেক সময়।উদ্দেশ্য শহর ঘুরে দেখা।আমার আর ও অবাক হওয়া বাকী ছিল।রাস্তার ফুটপাথ ধরে হেটে হেটে আমি অবাক হলাম।এটা কি করে সম্ভব!!!!
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১০:৫৪
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×