ইচ্ছে ছিল , শিশুদের নিয়ে লিখাটা শেষ করে অন্য লিখায় হাত দিব। ওটার জন্য এ কটু সময় লাগবে তাই একটু সময় পেয়ে যাওয়ায় ছোট একটা লিখা পোস্ট করছি।
এটাকে ঠিক লিখা বলা যায় না। বলা যায় কিছু প্রশ্ন। কিছু ব্লগার এখন দ্্বিধাবিভক্ত। কারন দৃষ্টভঙ্গির তফাত। কেউ বলছেন সাইনস , সাইনস ই। এর সাথে কোরান রিলেটেড না। কোরান দিয়ে সাইনস কে ব্যাখা করা যায় না, আর এক পক্ষ বলছেন না, সাইনস যত দুর ই যাক, কোরানে এই সব অনেক আগে ই বলা আছে। কোরানে যা বলা আছে তার সব সাইন্টিফিক। এটা সুধু জীবন যাপনের জন্য না, সাইনসের ব্যখা ও কোরান করে রেখেছে অনেক আগে ই।
আমি কোরান খুব বুঝি না, বা মানে বুঝে পড়া হয়নি তেমন।আর সাইনস, কিছু পড়েছি এবং পড়ছি। তার ও বেশীটাই জানি না।তাই দুই পক্ষের কাছে ই আমার কিছু প্রশ্ন। আপনাদের বিতর্ক পড়ে কিছু কথা মাথায় ঘুর পাক খাচ্ছে......
1। সাইনস এই করেছে ঐ করেছে...মহাকাশ ব্যখ্যা করেছে....এটা কিন্তু প্রমান করে না যে খোদা নেই। সাইনটিসট রা যা করছে এই ক্ষেত্রে তা হল পৃকিতির উৎস ও প্রকিতির নেচার ব্যখ্যা করছে যা আমরা যানতাম না। প্রকৃতি আছে, কি করে আছে? কিভাবে আগে ছিল সে সব বলছে। মানুষ কিন্তু নতুন কোন প্রকৃতি সৃস্টি করতে পারছে না।
এই ক্ষেত্রে যারা আরটিফিসিয়াল ইনটিলিজেন্স সৃস্টি করছে, বা যারা ক্লোনিং করল, বুদ্ধিমান রোবট বানাল, তারা অনেক টা প্রকৃতিকে ই নিয়ন্ত্রন করছে। এটা কোরআনে কি ভাবে বলা আেেছ আমি জানি না।
2।এবার আসি অন্য দলের প্রসঙ্গে, যারা বলছেন কোরানে সব বলে দেয়া আছে আগে থেকে ই।
আমি আপনাদের কথা অস্বিকার করাছি না কারন আমি ভাল জানি না। তাই আপনাদের কাছে আমার কিছু প্রশ্ন, যা আমার কাছে লজিকেল লাগছে না।
কোরানে যদি সব বলে দেয়া ই থাকে তবে তা আগে কেন আপনারা প্রকাশ করেন নাই। মুসলমান সাইন্টিস্ট তো কম ছিল না।
এখন যারা বলছেন তাদের পড়াশুনা কিসের উপর? কারন আমি পদার্থের ছাত্র হিসাবে এই টুকু বুঝি, যদি কেউ তত্তি্বয় ভৌতবিদ্যার ছাত্র না হয় তা হলে তার জন্য ঐ তত্ত্ব ব্যখ্যা , করা প্রায় অসম্ভব। কিছু ব্যতিক্রম নেই তা হয়ত না।কিন্তু যারা ব্যাখ্যা করছেন তারা কি এর উপর কাজ করছেন? না শুধু ধর্মের দৃিস্টতে সাইনস ব্যখ্যা করছেন?
সব কিছু যদি দেয়া ই আছে বলে আপনাদের মনে হয় তবে কেন আপনারা এটা নিয়ে কাজ করছেন না? কেন পৃথিবী ব্যপী বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খারচ করছে শুধু এর পিছনে। এই টাকা মানব কল্যানে লাগানো যায়। কোরান ব্যাখ্যার জন্য এর চেয়ে কম খরচ ও কম সাময় লাগবে আমার ধারনা।
সাইনস এখন অনেক জায়গায় আটকে আছে, এর পরে কি হবে কি রকম হবে তা জানার জন্য পৃথিবী ব্যাপী সাইনটিস্ট রা রাত দিন কাজ করে যাচ্ছে। আপনারা যারা কোরান ভাল বুঝেন এবং যারা এখন বিভিন্ন ভাবে ব্যাখ্যা করছেন তারা কেন ঐ জায়গার জট গুলো খুলে দিেেচ্ছন না ?
আর একটা কথা কোরান ব্যাখ্যা করে আমাদের কি জানানো যায়, কবে কেয়ামত হবে, কবে নাগাদ হতে পারে?সেই জন্ম থেকে শুনছি কলি যুগ। এর আর শেষ হয় না।যারা কোরান এত সুন্দর ব্যাখ্যা করতে পারেন
যদি এটা করতে পারেন তাহলে মুসলমানদের আর কোন দিন পিছন ফিরে তাকাতে হবে না।
কেউ মুসলিম দের সাথে যুদ্ধ করার জন্য মিসাইল ছুড়তে ও হাজার বার চিন্তা করবে।
ইসলামের সেবা করার এমন সুন্দর ও সুসথ রাস্তা থাকতে মুসলমানরা কেন হানাহানীর পথে যাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে জনমত সৃস্টি করুন নয় নিজে ই কাজে নেমে পরুন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



