somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ফেসবুকে অর্থ উপার্জন।

২৬ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৭:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সামাজিক যোগাযোগের একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হলো ফেসবুক।বাসার কাজের মেয়ে থেকে শুরু করে দেশের রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত প্রায় সবারই এক বা একাধিক ফেসবুক এ্যাকাউন্ট আছে।ফেসবুক এ্যাকাউন্ট খুলতেও যেমন টাকা লাগে না,তেমনি ফেসবুক চালাতেও কোন টাকা লাগে না।বিনামূল্যেই আমরা এই জনপ্রিয় মাধ্যমটি ব্যবহার করতে পারছি।সেজন্য গ্রামীণফোন,রবি সিমকোম্পানি গুলোকে ধন্যবাদ দেয়া যেতেই পারে।
বর্তমান সময়ে অনেকেই ফেসবুকে আসক্ত।এমন অনেক ছেলেমেয়ে আছে যারা দিনের এবং রাতের অধিকাংশ সময় ফেসবুকেই অতিবাহিত করে।
আচ্ছা যদি এই ফেসবুকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করা যায় তাহলে কেমন হয়?আমার কাছে নিঃসন্দেহে ভাল মনে হচ্ছে।এক্ষেত্রে আপনি ফেসবুকিং করতে পারছেন আবার কিছু অর্থ উপার্জনও করতে পারছেন।শুধুমাত্র সময়কে পুঁজি করে আপনি এই কাজটি করতে পারেন।
-
ফেসবুকে ফেমাস আইডি এবং পেইজের (স্ট্যাটাসে অধিক লাইক,কমেন্টস পাওয়া আইডি এবং পেইজ) চাহিদা অনেক বেশি।
আপনি এক্ষেত্রে ফেসবুক আইডি এবং পেইজ বিক্রির কাজ করতে পারেন। এজন্য আপনাকে প্রথমে ফেসবুক আইডিটাকে বড় করতে হবে।অর্থ্যাৎ আইডিতে এ্যাকটিভ ফ্রেন্ড সংখ্যা বাড়াতে হবে।চ্যাট লিস্টে যেন ৮০০/১০০০ এ্যাকটিভ ফ্রেন্ড থাকে। আপনার আইডির প্রতিটা স্ট্যাটাসে যেন ২০০০/২২০০লাইক পড়ে।যত বেশি লাইক কমেন্টস পড়বে ততবেশি আইডির মূল্য বাড়বে।তবে অটো লাইক ব্যবহার করলে কিন্তু ধরা খেয়ে যাবেন।কারণ যিনি আপনার কাছ থেকে আইডিটা কিনবেন তিনি দেখেশুনেই কিনবেন।
-
এবার আসি পেইজের কথায়।ফেসবুকে বিভিন্ন ধরনের পেইজ আছে।গল্পের পেইজ,ভালবাসার পেইজ,ট্রল পেইজ,খবরের পেইজ,ফটোগ্রাফির পেইজ ইত্যাদি।ভেরিফাইড পেইজের মূল্য অনেক বেশি।যেসব পেইজের লাইক পন্ঞ্চাশ হাজারের উপরে সেসব সেসব পেইজ থেকে আপনি বেশ ভাল আয় করতে পারবেন।তবে পেইজে লাইক বাড়াতে বেশ শ্রম দিতে হবে আপনাকে।
এছাড়াও আপনি ফেসবুকে গ্রুপিং করতে পারেন।এজন্য আপনাকে একটি আকর্ষণীয় এবং সময় উপযোগী নাম দিয়ে গ্রুপ খুলতে হবে।গ্রুপের সদস্য সংখ্যা পন্ঞ্চাশ বা ষাট হাজারের বেশি করতে হবে।যত বেশি সদস্য হবে ততই ভাল। বড় বড় গ্রুপ,পেইজের চাহিদা অনেক বেশি।
আপনি হয়তো ভাবছেন আইডি,পেইজ,গ্রুপ এগুলো কিনবে কে? এগুলো আপনার মতই কেউ একজন কিনবে।সৌখিন ছেলেমেয়েরা কিনবে,যারা অনলাইনে বিভিন্ন ব্যবসার সাথে জড়িত তারা কিনবে।আপনি আইডি,পেইজ,গ্রুপ এগুলো ক্রিয়েট করুন, যথাসম্ভব বড় করুন। তারপর বিক্রির জন্য বিজ্ঞাপন দিন। দেখবেন গ্রাহক চলে আসবে।
-
ফেসবুকে অর্থ উপার্জনের আরেকটি উপায় হচ্ছে সার্ভিসিং সেন্টার।আপনি যদি ডিজেবল হওয়া আইডি, ভেরিফাইয়ে পড়া আইডি,হ্যাক হওয়া আইডি গুলো ঠিক করতে অভিজ্ঞ হন তাহলে আপনি ঐ ক্ষেত্রগুলো থেকে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। কাছের মানুষজন,পরিচিত মানুষজনের কাছ থেকে একাজগুলোর জন্য আপনি টাকা চাইতে লজ্জাবোধ করতে পারেন।কিন্তু আপনি যেহেতু উপরিউক্ত কাজগুলোকে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন সেহেতু আপনাকে কাজের বিনিময়ে চার্জ নিতেই হবে।আবার অনেকেই আপনার কাছ থেকে ফ্রী কাজ করে নিতে চাইবে।সেক্ষেত্রে আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে।আপনি চাইলে আপনার এলাকায় মোবাইল সার্ভিসিং সেন্টারের মত ফেসবুক সার্ভিসিং সেন্টার খুলে কাজ করতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে সততার প্রয়োজন খুব বেশি।কারণ ফেসবুক এ্যাকাউন্টে অনেকের ব্যক্তিগত অনেক বিষয় থাকে,যা কেউই প্রকাশ করতে চান না।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৭:২৫
৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আম্রকাননের আগুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:২১


আম্রকাননের আগুন

এপ্রিলের এক দুপুর।
বাতাসে বারুদের গন্ধ, আকাশে অনিশ্চয়তার মেঘ।
মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় আমগাছের ছায়ায় এসে দাঁড়ালেন কয়েকজন মানুষ।
দূরে চুয়াডাঙ্গা জ্বলছে, তবু এখানে শপথ।
একটি আমবাগান সেদিন হয়ে উঠল একটি দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৮ ভগ্ন শাখা- ভগ্ন জীবন

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

জীবনের ভগ্নদশা অনেকটা এমন এক বৃক্ষের মতো, যার ডালপালা একে একে বিলুপ্ত হয়েছে।

একসময় যে শাখাগুলোতে স্বপ্ন, সম্পর্ক ও সম্ভাবনার পাতা দুলত, আজ সেখানে শূন্যতা ও নীরবতা। তবু কাণ্ডটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:১২

/স্বাধীনতা বিরোধীদের safe home আগে ছিলো লিবিয়া আর এখন হলো তুরস্ক।

/শুধু তাই না, তারা খোলাখুলি ভাবেই আমাদের স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াতের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেছে। ৭১ এর মানবতাবিরোধী অপরাধের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসা ও জঙ্গী আতঙ্কের অর্থনীতিতে এক নির্বোধজীবি আত্মভোলা জাতির আয়না

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩

এক

বুদ্ধিজীবিরা নাকি জাতির বিবেক! তা সে তো ভালো কথা। কিন্তু সাধারণত যা ভালো তা যখন খারাপ তখন সাধারণত তা খুবই খারাপ। একটা জাতির সবচেয়ে মজার কিন্তু করুণতম দৃশ্য হলো তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাষ্ট্র ব্যর্থদের দায়িত্ব নেয় নাকি ব্যর্থতার সংজ্ঞাই রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত হয়???

লিখেছেন সুব্রত দত্ত, ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪

আমাকে যারা চেনেন অথবা আমার অন্যান্য লেখা যাদের পড়া আছে তারা জানেন আমি একজন নিহিলিস্ট। একজন নিহিলিস্ট ‘রাষ্ট্রধারণা’য় বিশ্বাসী নয়। রাষ্ট্র সম্পর্কে সে উদাসীন। আমি নিজেও রাষ্ট্র সম্পর্কে উদাসীন। কিন্তু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×