somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিশির ও আমাদের চিন্তা কেন এমন হয়?

০৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ২:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



স্বচ্ছল স্বচ্ছলকে খোঁজে স্বচ্ছল স্বচ্ছলের সাথেই উঠাবসা করে তারা তাদের নিজস্ব গন্ড়িতেই বিচরণ করে। এ শ্রেণীর চিন্তা চেতনাও সেরকম ভাবে গড়ে উঠে। আজ আমাদের প্রিয় তারকার বউ চিন্তা করছে কিভাবে সাজ সজ্জার বিদেশী ব্র্যান্ডের মেকআপ সরন্ঞ্জামের সরবরাহ এ স্বচ্ছল শ্রেণীর নারীদের নি্শচিত ভাবে যোগান দেয়া যায়। তার এ চিন্তা চেতনার জন্য তার বিচরন ক্ষেত্রই দায়ী। আমরা একটু স্বচ্ছল হলেই আনুপাতিক হারে বেশী আর এক স্বচ্ছলের সাথে relation করার চিন্তায় মগ্ন থাকি সারাক্ষন। ভুলে যায় পিছনের গোত্রকে। ভুলতে ভুলতে নীজে যেমন হারিয়ে যায় এ গন্ডীতে, তেমনি নীজের প্রজন্মকেও এ গন্ডীতে বিচরন করায়। মানুষের দুঃখ যন্ত্রনা দেখার পরিবেশে বিচরন না করার কারণে আমাদের অনূভুতিও সেরকম হয়। আজ আমাদের শিশির এর চিন্তা চেতনাও সেরকম হয়েছে। ইহাতে তার দোষ নেই, দোষ হল সমাজিক এ আবদ্ধ মনন প্রথার। Religion বলে নীচের দিকে থাকাতে, অস্বচ্ছল প্রতিবেশীর খবর রাখতে, আজ প্রশ্ন রাখি কতটুকু রাখি? স্বচ্ছলতা অরজনের সাথে সাথে উধঅমুখী আরেক স্বচ্ছলকে খুঁজি, পরিবার পরিজন নিয়ে তাদের ঘরেই বেড়াতে যেতে চাই, তার সাথেই সম্পরকঅ করতে ও রাখতে চাই। যে কারনে দুঃখ কষ্ট অনূভুতি তাদের নিকট সেরকম যন্ত্রনার হয়ে দাঁড়ায় না। কারন তার চোখ ঐ পরিবেশ বিমুখ হয়ে যায়। সমাজের চলমান এই অভ্যাসের পরিবত্তন হওয়া জরুরী। আমাদের উচিত সমাজের সুবিধা বঞ্চিতদের সাথে গভীর সম্পরকঅ রাখা তাদের বাড়ীঘর visit করা নিজেদের ছেলেমেয়েদেরকেও এ ধরনের visit এ অভ্যস্হ করা। তাঁদের সুখ দুঃখের কাহিনী হৃদয়ঙ্গম করা । আজ এ সমাজের বড় সমস্যা হল স্বচ্ছলতা অরজনের সাথে সাথে আর এক স্বচ্ছলকে যেমন খুঁজি তেমনি সেই ধরনের environment এর মধ্যে পরিবার পরিজন কে নিয়ে হারিয়ে যায়। কখনো পরিবার পরিজন নিয়ে বস্তি visit করিনা, গ্রামের অসচ্ছলের পরিবারে যায় না, আরেক স্বচ্ছল বা আরো উচুঁজনের সাথে সম্পরকঅ করার জন্য প্রতিনিয়ত লিপ্ত থাকি। অপেক্ষাকৃত গরীব আত্মীয়ের বাড়ীতে যেতে চাই না সুযোগ খুঁজি অপেক্ষাকৃত ধনী আত্মীয়ের বাড়ীতে যেতে। এটা হল এ সমাজের বড় সমস্যা যে কারনে আমাদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ হারিয়ে যেতে বসেছে। সম্পদ জমিয়ে তথাকথিত ধনী হওয়ার প্রতিযোগীতায় লিপ্ত হয়ে গেছি। আমার স্বক্ষমতাকে অসহায়ের জন্য বাড়িয়ে দিচ্ছি না, এটি কখনো সুস্হ সমাজের লক্ষন হতে পারে না। এর একটি মাত্র কারন হল আমারা মানবিকভাবে motivate হব যে সেই ধরনের field এ নীজে যেমন যায় না বা relation রাখিনা তেমনি ভবিষ্যত বংশধরকেও সেভাবে তৈয়ার করছি। এর জন্য আমাদেরকে এ পৃথিবীতে যেমন চরম মূল্য দিতে হচ্ছে তেমনি পরকালেও অবধারিত। আমাদের মানবিক মূল্যবোধ যদি সমুন্নত থাকত তাহলে এ সমাজ বা এ পৃথিবীর এত সমস্যা হত না। তাই আসুন অসহায়ের সাথে সম্পরকঅ করি পরিবার পরিজন নিয়ে তাদের আবাসস্হল visit করি তাহলেই দেখবেন আপনার এবং ছেলেমেয়েদের মধ্যে মানবিক প্রান স্পন্দন শুরু হবে এবং সকলের চোখ ও জ্ঞান প্রখর হবে। সুষ্ট সুন্দর সমাজ গঠনের জন্য অসচ্ছলকে জানুন তার অন্তর জ্বালায় প্রবেশ করুন। তাদের উদ্ধারে জাপিয়ে পড়ুন। তাহলে দেখবেন সমাজ যেমন সুন্দর রুপ পাবে তেমনি মহান আল্লাহর গজবও আমাদেরকে আর সেরকম সহ্য করতে হবে না। সমাজের এ একমুখি যোগসূত্র ভাঙ্গতে হবে নতুবা আমাদের শাস্তি যেমন অবধারিত তেমনি এ পৃথিবীও কখনো সুখের হবে না। শিশিরকে বলব তথাকথিত অভিজাত এ শ্রেণীর গন্ডী থেকে বেরিয়ে আপামর দরিদ্র জনগোষ্টীকে জানুন তাদের জীবনযাপন দেখুন নীজের অবশিষ্ট স্বক্ষমতাকে তাদের জীবন মান উন্নয়নের চেষ্টা করুন তাহলেই মহামূল্যবান আসল শান্তি ও আসল পুরস্কার অবধারিতভাবে পাবেন। মনে রাখবেন, অপব্যয়কারী শয়তান ছাড়া আর কেউ নয়। যারা মানুষের কষ্টকে আমলে না নিয়ে অপব্যয়ে লিপ্ত হয়েছে তাদের যোগানদাতা কি আপনি হতে পারেন? হউক ব্যবসা? পৃথিবীর নামী দামী অনেক তারকা মানবিক অনেক কাজে লিপ্ত তাদেরকে অনুসরন করুন, বিদেশ থেকে তথাকথিত ব্র্যান্ড মেকআপ সরন্ঞ্জামের আমদানীতে নয়। এ ব্যবসার মাধ্যমে আপনার সাথে relation হবে অপব্যয়কারীদের। তারকার উচিত দেশের আপমর জনগনের সাথে relation হয় সেরকম কাজ করার।

ঈদের এই মহা আনন্দে আসুন তাঁদেরকে জানি তাঁদের সাথে মিশি তাঁদের পানে আমার আপনার অবশিষ্ট স্বক্ষমতা এমনভাবে শেয়ার করি যেন ঈদ আনন্দে সেও আমি আপনার মত হাসিখুশীতে থাকে। সকলকে জানাই ঈদমোবারক!
খোদা হাফেজ।।

সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৪ দুপুর ২:৫৪
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্লগের ওসমান হাদী সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্যান

লিখেছেন এল গ্যাস্ত্রিকো ডি প্রবলেমো, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৫০

এ আমি কী দেখলাম! ব্লগের প্রতিবাদী মুখ, ভারতের যম, ওসমান হাদীর মুখপাত্র, একাত্তরকা গণ্ডগোলের ব্যাপারে সচেতন মুখ সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে। দেশে যখন সামান্য চুমু... ...বাকিটুকু পড়ুন

জেফরি আর্চারের A Prisoner of Birth....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০০




জেফরি আর্চারের A Prisoner of Birth....

জেফরি আর্চারের A Prisoner of Birth মূলত এমন এক উপন্যাস, যেখানে বন্ধুত্ব, বিশ্বাসঘাতকতা, শ্রেণিবৈষম্য, বিচারব্যবস্থা, প্রতিশোধ এবং বুদ্ধিমত্তার লড়াই একসূত্রে গাঁথা হয়েছে। উপন্যাসটির... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাদ্রাসার মোল্লা হুজুর থেকে আপনার সন্তানকে নিরাপদ রাখুন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭

গতকাল রাতে একটা বাচ্চার পা**র ছবি দেখেছিলাম ফেইসবুকে, অনেকেই শেয়ার করেছেন। পা কেটে হাসপাতালে আসার পর ডাক্তার সাপোজিটরি দিতে গিয়ে দেখে গর্তের মতো হয়ে গেছে। মাদ্রাসার হুজুরে বিকৃত কাজ করতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি’কে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল বলার কোনো কারণ নাই!!

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:২৩



জাতীয় সন্মাননা কি কোনো গোপন বিষয় । একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা’কে গার্ড অফ অনার দিতে এত অনীহা কেনো বর্তমান সরকারের ‼️

আজ বারবার আমার গোআ’র কুপুত্রের একটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাড়ে হাজার বিজ্ঞানী এবং একটি স্ক্যামের গল্প

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২৮


জুলাইয়ের কোটা আন্দোলনের পর বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সম্পর্কের উন্নতি হয়েছে। সেই সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের অংশ হিসেবে পাকিস্তান বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘নলেজ করিডোর’-এর আওতায় আল্লামা ইকবাল বৃত্তি চালু করে। ২০২৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

×