

মাথার নীচে স্যান্ডেল দিয়ে ঘুম, পায়ে ঘা, শরীরে খস পাঁচডা, ছেঁড়া ময়লা কাপড়ে যেখানে সেখানে ঘুমিয়ে থাকা, বোঝা বহন করে খাওয়ার টাকা যোগাড় করা, ড্যান্ডি নামক মাদকে শ্বাস নেয়া, সৎ মা ও সৎ বাপের মারের ভয়ে ঘর ছেড়ে আসা এই হল এ সকল শিশুদের কাহিনী। পাশাপাশি আছে সরকারের শিশু বাজেট আমাদের সাংবাদিক ভাই গন এবং সমাজের অনেক সচ্ছল মানুষ। কিছুতেই যেন উন্নতি হচ্ছে না। তবে আমি মনেকরি, এ পরিস্থিতির ভয়াবহতা এবং গুরুত্ব তুলে ধরে যদি সাংবাদিক ভাইগণ মিড়িয়া ও পত্রিকায় বারবার লিখেন বা বলেন তাহলে সরকার ও মানুষের টনক নড়বে! মানবিক এ বিষয়ে তাঁরা কেন এতটা নিরব তা বুঝি না??


আজকের গল্পে যারা ছিল। সকলেই অভিভাবকহীন। মা বাবার কেউ না কেউ বেঁচে নেই। অনেকের উভয়জনই নেই। আজ একজন বলছিল তার মাবাবাকে সে হারিয়ে ফেলেছে ঊনারা কোথায় সে জানে না! ঘুমিয়ে থাকা শিশুটিকে দেখে অন্যরা বলছিল সে নাকি ড্যান্ডি মাদক সেবন করে ঘুমিয়েছে এখন ডাকলেও নাকি উঠবে না। এ মাদক খেলে নাকি ক্ষুধা কম লাগে আর আরামের ঘুম হয়। একধরণের হলুদ রং এর আঁটা যা পলিথিনে নিয়ে শ্বাস নেয়। প্রকাশ্যে এ মাদক এ সকল শিশুরা সেবন করে দেখার যেন কেউ নেই।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৪:০০