somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

-সাধু সাবধান-

২৭ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



গত ২৪ই এপ্রিল আমার একটি পোষ্ট এফবি তে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পূর্বেই আমি আমার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে খুব কাছের একজন জুনিয়র বন্ধুকে বিদায় করে দিয়েছি। যদিও সে অনেকের কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং চেনাজানা মানুষ। শুধু সে নয়, সে যেই প্রতিষ্ঠানের সদস্য সেই প্রতিষ্ঠানের প্রধানকেও আমি আমার ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে তার আগেই বিদায় করে দিয়েছি। একটা সময় ছিলো, আমরা এক বালিশে ঘুমিয়েছি। দুই প্লেটে খেয়েছি। এক ফোনে কথাও বলেছি অনেক। সারাদিন একসাথে থেকেছি/খেলেছি, কখনো অনেক রাত বাহিরে আড্ডাও দিয়েছি। আজ হয়তো তারা এখন অনেক খানি এগিয়ে গেছে, সময়ের তুলনায়। হয়তো এখন অনেকে তাদের ভক্তও।

বিশেষ করে আমার যে কয়টা বন্ধু কর্মকে বিশ্বাস করে ঠিক তাদের কথায় বলছি। এরা শুধু কর্মে বিশ্বাসী, কপালে নয় ভেবে তৃপ্তিতে ঢেঁকুর তোলেন! যদিও আমি পরিপূর্ণভাবে কপাল অর্থাৎ ভাগ্যকে বিশ্বাস করি। আমার মতে ভাগ্য হচ্ছে প্রধান এবং কর্ম হচ্ছে ভাগ্যর সহায়ক। আমার ঐসব বন্ধুগুলোর কাছে কর্মই হচ্ছে বড় হওয়ার প্রধান নেয়ামক। সে যাই হোক-

হয়তো ওরা ঠিক আমি ভুল! তবে আমার অবাক লাগে এই ভেবে যে, ওদের মধ্যে প্রায় সবাই একই রকম চিন্তায় বিশ্বাসী!!! এরা সব সময় অন্যকে সিড়ি হিসেবে ব্যবহার করতেই বেশি পছন্দ করেন এবং তৎপরবর্তীতে সফলতা পেয়ে গেলেই ব্যবহৃত ব্যক্তিকেই ছুঁড়ে ফেলে দেয়! মনেও রাখে না!!! আর এটাকেই তারা কর্মে বড় মানে! আগে যাদেরকে ফ্রেন্ডলিস্ট থেকে কাট করে দিয়েছি তাদের মধ্যে আমার ঐসব বন্ধুদের কয়েকজন ছিলো! আজকে তাদের মধ্যে শেষ জনকে বিদায় করে দিয়েছি।

যদিও এটি একটি অন্য কারণ ছিলো। আর তা হচ্ছে, ও আমার এফবি পেজে ভুল করেও কখনো উঁকি-ঝুঁকি মারতো না। কখনো সে আমার পেজের লাইক/ডিজলাইক/হাসি/খুশি/শেয়ার/কমেন্টস কোনো লাইনেই প্রবেশ করতো না! তবে আমার পেজে কোনো নতুন লেখা ভূমিষ্ঠ হওয়ার ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে তা অপহরণ করে নিয়ে যেতো তার পেজে!!! হা হা হা। অর্থাৎ আমার কোনো লেখা তার কাছে ভালো লাগলে সে কপি করে তার পেজে মেরে দিতো! এরকম অনেক বার আমি তাকে স্বরণ করে দিয়েছি, যদিও আমি দুবার সফল হয়েছিলাম তার পেজ থেকে আমার লেখা সরাতে। তার আগের লেখা পোষ্টটি ছিলো ‘স্বামী’ নিয়ে। সেই লিখাটিও আমার পেজে ভূমিষ্ঠ হওয়ার সাথে সাথেই নিঃশব্দে অপহরণের শীকার হলো! অর্থাৎ সে তার পেজে কপি করে পেস্ট করে দিয়েছে! তাই ভাবছি-যারা কারো পরিশ্রম কিংবা সমর্থনকে পুঁজি করে নিজের বড় হওয়াকে কিংবা বাহ বাহ পাওয়াকে জাহির করে বেড়ায়; তারা অন্ততপক্ষে আমার বন্ধু লিস্টে না থাকলেই ভালো। কারণ এরা অন্যকে কলা (সিঁড়ি) বানিয়ে নিজে হয় গাছস্বরুপ। আর প্রচার করে বেড়ায় কর্মই বড় প্রাপ্তীর মূল মন্ত্র!!!

তাই দেরি না করে পরিশেষে ঐ জাতীয় বন্ধুটিকেও লিস্ট থেকে কাট করে দিয়েছি। তারপরই আমার এফবি পেজে আমার নতুন লেখার ভূমিষ্ঠ হওয়ার পথ সুগম করেছি। এবার অপহরণকারীরা সাবধান হয়ে যাবে আশা রাখছি। হা হা হা।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে এপ্রিল, ২০১৭ বিকাল ৫:৩১
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"নিজেদের কেলেঙ্কারিই যখন নিরাপদ নয়, প্রধানমন্ত্রী কতটা নিরাপদ"

লিখেছেন রিয়াজ হান্নান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৭


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রিয় তারেক রহমান রাহিমাহুল্লাহ,আপনাকে সবার আগে বাংলাদেশের জন্য ভালোবাসি। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি আপনার আশেপাশের লোকেরা কেলেংকারির সাথে জড়িত,এরা আবার ইলিয়াসের আগেই নিজেকে নিজে এক্সপোজ করে দেয়।

এরা নিজেরাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের আধিপত্যবাদী নীতি

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:৫২

নেপাল সেনাবাহিনীর সম্মানসূচক জেনারেল পদমর্যাদা সম্প্রতি ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ শেঠকে দেওয়াকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশের কিছু সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করেছে ।
গত ১৭ আগস্ট নেপালের রাজধানী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোলাপী এখন বাসে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বহু দিন পর বন্ধু"

লিখেছেন সনজিত, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


বহু বছর পর হঠাৎ তোর সঙ্গে দেখা।
প্রথমে চিনতেই পারিনি।
তারপর একচিলতে হাসি-
মনে হলো,
সময় আমাদের চেহারা বদলেছে,
কিন্তু শৈশবের মুখটা এখনো একই রয়ে গেছে।

চোখের কোণে ক্লান্তির রেখা,
চুল অর্ধেকটা সাদা রং,
কাঁধে সংসার,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৩



দ্বিচারিতার এক অদ্ভুত মহাকাব্য

যতদিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছ -এই দেশের তরুণ প্রজন্মের একটা বড় অংশকে নিয়ে আশাবাদী হওয়াটা রীতিমতো বিলাসিতা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
সেদিন দেখলাম, এক ছাত্রশিবির নেতা মঞ্চে দাঁড়িয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×