somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গোলাপী এখন বাসে ....

১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে গেল। বাসের রং বদলেছে, নাম বদলেছে, আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এমন এক উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে যেন আমরা বাস সার্ভিস নয়, জাতীয় উন্নয়নের নতুন অধ্যায় উদ্বোধন করছি।

আসলে বিষয়টি খুব নতুন কিছু নয়। নারীদের জন্য বাস সার্ভিস বাংলাদেশে আগেও হয়েছে। ১৯৯৮ সালে বিটিআরসির উদ্যোগে নারীদের জন্য বাস চালু হয়েছিল। ২০১৮ সালে বেসরকারি উদ্যোগে 'দোলনচাঁপা' নামে আরেকটি উদ্যোগ হয়েছিল। এবার ২০২৬ সালে বিআরটিসির উদ্যোগে পিংক বাস। অর্থাৎ নতুন বোতলে পুরোনো পানীয় ঢালা হচ্ছে কি না, সেটা নিয়ে সন্দেহ করার সুযোগ আছে। তবে এবার একটা নতুনত্ব আছে-বাসের চালক ও সহকারী দুজনই নারী।

আমি নিজেও একবার এমন বাসে উঠে গিয়েছিলাম, যেটা নারীদের জন্য নির্ধারিত ছিল। বিষয়টি তখন জানতাম না, পরে কন্ডাক্টর আমাকে নামিয়ে দিয়েছিলেন। ঘটনাটি ২০১৮ বা ২০১৯ সালের দিকের। সেই বাসও ছিল, নারী যাত্রীও ছিল, নারীকেন্দ্রিক বাস সার্ভিসও ছিল। আজ শুধু বাসের রংটা গোলাপী হয়েছে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ক্যামেরা আরও উন্নত হয়েছে।

'I have a plan'-এর একটা অংশ হিসেবেও এই পিংক বাসকে দেখা হচ্ছে। আশা করি এবার অন্তত আগের উদ্যোগগুলোর ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নেওয়া হয়েছে। কারণ নতুন কিছু শুরু করার চেয়ে পুরোনো ভুল থেকে শিক্ষা নেওয়াটা অনেক বেশি কঠিন কাজ। পিংক বাস সফল হলে অবশ্যই ভালো লাগবে। নারীরা আরও বেশি গণপরিবহন চালাবেন, কর্মসংস্থান বাড়বে, নারী যাত্রীরা নিরাপদ বোধ করবেন, এগুলো নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। কিন্তু সন্দেহটা অন্য জায়গায়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পিংক বাসের যে প্রচারণা শুরু হয়েছে, সেটা দেখে মনে হচ্ছে বাস নয়, আমরা যেন একটা নতুন জাতীয় পরিচয় আবিষ্কার করেছি। মিডিয়া, ইনফ্লুয়েন্সার এবং সরকার সমর্থক অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা মিলে বেশ ভালোই ক্যাম্পেইন করছে। সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মেয়েরা বেশ উচ্ছ্বসিত। নতুন বাসের সামনে ছবি, চালকের সাক্ষাৎকার, নারী যাত্রীর অভিজ্ঞতা, নারী চালক কতটা স্মার্ট, কতটা আত্মবিশ্বাসী, কত সুন্দর করে বাস চালাচ্ছেন এসব নিয়ে পোস্টের পর পোস্ট। দৃশ্যটা আমার খুব পরিচিত মনে হচ্ছে।

শেখ হাসিনার আমলেও এমন দৃশ্য বহুবার দেখেছি। নতুন কিছু বের হলো, সঙ্গে সঙ্গে বিশাল প্রচারণা। নতুন প্রকল্প, নতুন সেবা, নতুন ভবন, নতুন রাস্তা, নতুন অ্যাপ, নতুন ট্রেন, নতুন সেতু। মানুষ ছবি তুলছে, সাংবাদিকরা সাক্ষাৎকার নিচ্ছে, ইনফ্লুয়েন্সাররা ভিডিও বানাচ্ছে, সমালোচকদের জবাব দেওয়া হচ্ছে যেন পৃথিবীর সব সমালোচককে জবাব দিয়ে দিলেই প্রকল্প সফল হয়ে যায়।

পৃথিবীর সব কাজেরই সমালোচক আছে, পিংক বাসেরও আছে। যেমন খেলাফত মজলিসের কারও কারও মন খারাপ হয়েছে; তাদের যুক্তি, মেয়েরা এত ভারী বাস চালাতে পারবে না। তারপর যা হওয়ার তাই হয়েছে-শিক্ষিত, সমাজ সচেতন, আধুনিক নারীরা মিনিটে মিনিটে ফেসবুকে পাল্টা পোস্ট দিতে শুরু করেছেন। একজন বলছেন নারী সব পারে, আরেকজন বলছেন নারীকে দুর্বল ভাবা যাবে না, তৃতীয়জন পুরুষতন্ত্রের ইতিহাস লিখছেন, আর চতুর্থজন গাড়ি চালিয়ে প্রমাণ করে দিচ্ছেন নারীও পারে।

সবই ঠিক আছে। নারী অবশ্যই বাস চালাতে পারেন। নারী বাস চালাতে পারবেন না এমন কোনো আইন নেই; বরং একজন দক্ষ নারী চালক দক্ষ পুরুষ চালকের মতোই ভালো চালক হতে পারেন। আমরা এখন পিংক বাসের চালক কতটা স্মার্ট সেটা নিয়ে আলোচনা করছি, কিন্তু বাসের রুট কতটা কার্যকর হবে, বাস কতটি হবে, নিয়মিত চলবে কি না, রক্ষণাবেক্ষণ কীভাবে হবে, কতদিন পর বাসের ইঞ্জিন নষ্ট হবে, যাত্রীদের জন্য সেবা কতটা টেকসই হবে, আগের নারী বাস সার্ভিসগুলো কেন টেকেনি, সেগুলো থেকে এবার কী শিক্ষা নেওয়া হয়েছে-এসব নিয়ে আলোচনা তুলনামূলকভাবে কম।

এমনকি বাসচালক নারীরা কেন হিজাব পরছেন, সেটা নিয়েও বড় বিতর্ক শুরু হয়ে গেছে। কেউ বলছেন এর মাধ্যমে ইসলামাইজেশন হচ্ছে, কেউ আবার বলছেন, না-এটা ইসলামাইজেশন নয়। দুই পক্ষই পিংক বাসের চালকের পোশাক নিয়ে গবেষণা শুরু করে দিয়েছে। ব্যাপারটা আমার কাছে কিছুটা হাস্যকর লাগে। ঢাকা মেট্রোরেলের প্রথম নারী চালক আফরোজা খাতুনও হিজাব পরতেন, তখন তো মেট্রোরেল চালানোর যোগ্যতা আর হিজাবের মধ্যে কোনো সম্পর্ক খুঁজে বের করা হয়নি। বাংলাদেশে এখন পাঁচজন মেয়ের মধ্যে তিনজন হিজাব পরেন; কেন পরেন সেটা নারীরাই ভালো বলতে পারবেন। হিজাব পরতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, সুতরাং একজন নারী হিজাব পরে বাস চালাচ্ছেন দেখে 'ইসলামাইজেশন হচ্ছে'—এই ধরনের যুক্তিই আসলে খুব দুর্বল।

পিংক বাস নিয়ে ফেসবুক যখন রঙিন ছবিতে ভাসছে, ঠিক তখনই আসল প্রশ্নগুলো কেমন যেন হারিয়ে যাচ্ছে। চারপাশের এই কোলাহল আর জাকজমকের আড়ালে যে বড় বড় সংকটগুলো মুখ থুবড়ে পড়ে আছে, সেগুলো নিয়ে কারও তেমন কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই। অথচ চোখ তুলে তাকালেই দেখা যায়—গ্যাস আর বিদ্যুতের তীব্র সংকট কীভাবে বাসাবাড়ি থেকে কারখানা পর্যন্ত স্থবির করে দিচ্ছে, জ্বালানি নিরাপত্তার ভবিষ্যৎ কেমন অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছে, আর কোন অলৌকিক উপায়ে তলানিতে পড়ে থাকা রাজস্ব আদায়কে টেনে উপরে তোলা হবে, তার কোনো দিশা নেই।

মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা আর সামনের পাহাড়সম বৈদেশিক ঋণের কিস্তি কীভাবে শোধ হবে, সেই উত্তরও কারোর জানা নেই। এমনকি আঠারো মাসে এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির যে বিশাল প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, দেখতে দেখতে তার ছয়টি মাস পার হয়ে গেলেও কোনো স্পষ্ট কাঠামোর দেখা মেলেনি। সবচাইতে ভয়ের বিষয় হলো, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গোলাপি বাসের রঙের ঝিলিক নিয়ে যত আবেগ আর মাতামাতি চোখে পড়ে, দেশের অর্থনৈতিক অস্তিত্বের সাথে জড়িয়ে থাকা এই জীবন-মরণ প্রশ্নগুলো নিয়ে তার চারআনার আলোচনাও দেখা যায় না। এই চরম উদাসীনতা আর সস্তা উন্মাদনা দেখলেই বুকটা কেঁপে ওঠে।

সরকার তার ছয় মাস পার করেছে। দেশের অর্থনীতি যে সংকটের মধ্যে আছে, সরকার নিজেই বলছে। খেলাপি ঋণ বাড়ছে, মূল্যস্ফীতি নিয়ে চাপ আছে, বৈশ্বিক অস্থিরতা আছে, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের চাপ বাড়ছে। অথচ একই সময়ে বলা হচ্ছে নতুন পে স্কেল দেওয়া হবে। পে স্কেল অবশ্যই ভালো জিনিস। সরকারি কর্মচারীরা বেতন বাড়লে খুশি হবেন, তাদের পরিবার খুশি হবে। কিন্তু বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীরা এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ শক্তিশালী একটি শ্রেণি। ট্যুর গ্রুপ চালানো, এডুকেশন কনসালটিং কিংবা চাকরির প্রস্তুতিমূলক কনটেন্ট তৈরির মাধ্যমে তাদের একটি বিশাল নেটওয়ার্ক তৈরি হয়েছে।

পে স্কেল ঘোষণা হলে এই নেটওয়ার্কের মধ্যে একটা স্বাভাবিক উচ্ছ্বাস তৈরি হবে, সরকারের পক্ষে এক ধরণের 'জাতীয় সুখের বুদবুদ' তৈরি হবে। আমরা বাঙালিরা কোনো সরকারি সুবিধা পেলে তার প্রশংসা করতে করতে এমন জায়গায় নিয়ে যাই, যেখানে সুবিধাটা কেন দেওয়া হলো, টাকা কোথা থেকে এলো, ভবিষ্যতে এর খরচ কে বহন করবে -এসব প্রশ্ন করার প্রয়োজনই মনে করি না। সরকার আমাকে সুবিধা দিয়েছে, অতএব সরকার ভালো-এই মানসিকতাটা আমাদের রাজনীতির সবচেয়ে পুরোনো এবং কার্যকর অস্ত্রগুলোর একটি।

কিন্তু হিসাবটা সহজ নয়। যদি দুই বছরের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল দেওয়া হয়, তাহলে অতিরিক্ত ব্যয় প্রায় ১ লাখ ৬ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে বলে যে হিসাব ঘুরছে, তার সঙ্গে আগের প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা যোগ করলে সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ মোট ব্যয় ২ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। সরকার ২০২৬–২০২৭ অর্থবছরে ছয় লাখ কোটি টাকার বিশাল রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। ৪৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির এই অলৌকিক হিসাব নিয়ে প্রশ্ন ওঠাটাই স্বাভাবিক, যেখানে এনবিআরের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স এমন কল্পনাতীত প্রবৃদ্ধির বার্তা দেয় না।

বাস্তবতায় যদি সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে ৪ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব অর্জিত হয়, আর তার মধ্যে কেবল সরকারি কর্মচারীদের বেতন-ভাতাতেই ২ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা বেরিয়ে যায় তবে অর্জিত রাজস্বের অর্ধেকেরও বেশি চলে যাবে নিছক পরিচালন ব্যয়ে। এমন অসম পরিস্থিতিতে এডিপির উন্নয়ন পরিকল্পনা, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট মোকাবিলা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সংস্কার, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি কিংবা সামাজিক সুরক্ষার মতো জরুরি জনকল্যাণমূলক খাতের বরাদ্দ আসবে ঠিক কোথা থেকে, সেই প্রশ্নের কোনো উত্তর না দিয়ে শুধু পিংক বাস দেখালে আমার একটু সন্দেহ হয়। হয়তো আমি অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণ হয়ে গেছি।

শেখ হাসিনার আমলে অনেক সুন্দর গল্প শুনেছি-অর্থনীতি খুব ভালো, রিজার্ভ শক্তিশালী, প্রবৃদ্ধি দারুণ, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে। তারপর বাস্তব জীবনে বাজারে গিয়ে দেখেছি মানুষের কষ্ট। ডেটা নিয়ে কারসাজির অভিযোগও ছিল। সেই সময় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল ২০২০ সালে দ্য ব্যাংকারের দেওয়া ফাইন্যান্স মিনিস্টার অব দ্য ইয়ার পুরস্কারও পেয়েছিলেন। আমাদের বর্তমান অর্থমন্ত্রীও হয়তো একদিন এমন কোনো পুরস্কার পেয়ে যেতে পারেন; কারণ পৃথিবীতে অর্থনীতি বোঝার চেয়ে অর্থনীতিকে ভালো দেখানোর কৌশল কখনো কখনো বেশি পুরস্কৃত হয়।

সরকার নিজেই বলছে পে স্কেল দিলে মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে, আইএমএফের শর্ত আছে, বাজেট সংশোধন করতে হবে, বৈদেশিক ঋণের চাপ সামলাতে হবে। আগামী বছর বিদেশি ঋণ পরিশোধের পরিমাণ ৫ বিলিয়ন ডলারের ওপরে যেতে পারে। তখন আমদানি, জ্বালানি, শিল্প ও খাদ্যের জন্য বিপুল পরিমাণ ডলার লাগবে। সরকার হয়তো ভাবছে সরকারি কর্মচারীরা অসন্তুষ্ট হলে রাজনীতি সামলানো কঠিন হবে। তাই শক্ত সিদ্ধান্তের জায়গায় যদি সস্তা জনপ্রিয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তবে সরকার হয়তো কিছুদিন বাহবা পাবে, কিন্তু অর্থনীতি পরে সেই বাহবার বিপুল বিলটা ধরিয়ে দেবে জনগণের হাতে।

এই জায়গাতেই পিংক বাসটা আমার কাছে একটা প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। অর্থনীতি যখন হিসাব চায়, আমরা তখন দৃশ্যমান আয়োজন আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বাহবায় মেতে থাকি। সরকারের গন্তব্য যদি পরিষ্কার থাকে, তবে পিংক বাস, পে স্কেল বা নতুন প্রকল্প সবই স্বাগতম। কিন্তু গন্তব্য যদি পরিষ্কার না থাকে, তবে একের পর এক সুন্দর গোলাপি বাস রাস্তায় নামবে, মানুষ ছবি তুলবে, সাময়িক আনন্দের বুদবুদ তৈরি হবে; তারপর একদিন হঠাৎ দেখা যাবে মূল সংকটগুলো সমাধান না হওয়ায় বাসটা গ্যারেজে পড়ে আছে ।

ফটোকার্ড ক্রেডিট : সময় টিভি
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২২
৫টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৩



জুলাই মিউজিয়ামঃ স্মৃতির বিরুদ্ধে বিস্মৃতির লড়াই....

১৫ আগস্ট আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে গিয়েছিলাম জুলাই মিউজিয়ামে। সেখানে গিয়ে মনে হলো- এটি শুধু একটি জাদুঘর নয়; এটি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের এক ভয়াবহ অধ্যায়ের বিরুদ্ধে... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০২





হিজিবিজি নদী চলে মন উদাসের দেশে !

...................................................................
মানচিত্রের আঁকাবাঁকা রেখায় তারে পাবেনা,
সে নদী তো চেনা কোনো ঠিকানায় যাবে না।
তার কোনো কূল নেই, নেই কোনো ঘাট,
সে বয়ে চলে একা, বুক জুড়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

থাক অহমিকায়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


তোমার রঙিন আকাশে নেই
যে অমাবস্যার- অন্ধকার
ঝলমল করছে শুধু চাঁদ-
ডুবছ ডুবছ সুখমারী রাত!
উড়ছ শঙ্খচিলের ডানায়;
তোমার আকাশে অমাবস্যা নাই।

আমি মাটি বন্দি হয়েছি
মরার আগেই- মরার আগেই-
স্বপ্ন দেখি শুধু হুতুম পেঁচা হব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৫০



বঙ্গবন্ধু: একটি নাম- যাকে ঘৃণা করার আগে একবার থামুন[

শেখ মুজিব ইতিহাসের খলনায়ক।
জাতীয় বেইমান।
পাকিস্তান ভাঙার অপরাধী।
- এই কথাগুলো আপনি বিশ্বাস করেন?
তাহলে আজ আপনাকে একটা অনুরোধ করব- একবার শুধু থামুন।

রাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

গোলাপী এখন বাসে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২০


দেশে আজ থেকে পিংক বাস সার্ভিস চালু হয়েছে। ঢাকা সহ আরও তিনটি বড় শহরে এই বাস চলবে। খবরটা শুনে মনে হলো, দেশ যেন হঠাৎ করেই এক ধাপ আধুনিক হয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×