somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পিপঁড়া , ফেসবুক ও আমর

১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

‘বিশাল সৈন্যবাহিনী দেখে পিপঁড়াদের দলপতি আরেক পিপড়াকে বলল সবাইকে খবর পাঠাও আর সতর্কৃ থাকার নির্দেশ দিলেন যে, ভূলেও যাতে এদের সামনে কেউ না পরে’।এটা আমার কাল্পনিক একটা গল্প।যেখানে পিপঁড়ারা কথা বলছে অপরের সাথে।যেটা হাস্যকর কারন পিপড়া আবার কথা বলে কিভাবে?

পবিত্র কোরআনের সূরা নামল্(বাংলা উচ্চারন)-এ বলা হয়েছে হযরত সোলায়মান (আ:)এর বিশাল সৈন্যবাহিনী দেখে এক পিপড়া বলল “তোমরা তোমাদের গৃহে প্রবেশ কর যেন সোলায়মান ও তার বাহিনী তাহাদের অজ্ঞাতসারে তোমাদিগকে পদতলে পিষিয়া না ফেলে” এটা কোন গল্প না।পবিত্র কোরআনের বাণী।তাহলে কোরআন শরীফে এসব রুপকথার গল্প কেন? পবিত্র কোরআনের কোন বাণীই কল্পকথা নয়।

আমরা সাধানত মানুষজাতীর পরে জ্বীন জাতিকে স্থান দিয়ে থাকি।জ্বীণ হল মানুষের মত আরেকটা জাতি যারা অদৃশ্য অবস্থায় থাকে আর শুধুমাত্র আল্লাহতায়ালার ইবাদত করে।কুরআনশরীফে তা বলা হয়েছে।অথচ কিছু কবিরাজ হুজুরেরা জ্বীনদের দিয়ে পুত্র সন্তান লাভ, লাউ চোর অথবা মোবাইল বা ল্যাপটপ চোর ধরার কাজে ব্যাবহার করে অথচ একটা সুই কেন হারিয়ে যাওয়া বিরাট হাতি বের করারও ক্ষমতা জ্বিনদের নেই।আমরা সেই সব হুজুরদের বিশ্বাস করি যাদের মসজিদ আর নামাজের সাথে ভালো যোগেযোগ নেই। ধার্মিক হুজুরেরা মলমপার্টির সাথে তুলনা করে এদের।জ্বীনদের বশ করানের সে যুগও নেই,সে মানুষও নেই।

আচার আচরনের দিক থেকে মানুষের সাথে যে প্রাণীটি সবচেয়ে কাছাকাছি সেটি হল পিপড়া।তারা মানুষের মত কথা বলে,হাসে,কাঁদে।তারা আমাদের মত নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট কাজ করে থাকে সমাজবদ্ধভাবে।তাদেরও আছে বাজার,নেতা,শ্রমিক,ম্যানেজার বা অন্যান্যগুলো।সবচেয়ে অদ্ভুদ বিষয় হল তাদের যোগাযোগ ব্যাবস্তা মানুষের চেয়েও অনেক উন্নত অথচ তাদের মোবাইল, ফেসবুক,ভাইবার,মেচেন্জার নেই। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় হল তারা মৃত পিপড়াদের আমাদের মত কবর দেয়।বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে বন্ধুরা?বা বিশ্বাসই করেননি।কারন এটা আমি বলেছি।আর যদি কোন ক্লিন সেভ করা হুজুর জ্বিন ডেকে এনে বলত তাহলে সে অদৃশ্য বক্তার কথা চোখবুজে বিশ্বাস করে নিতেন।

টমাস প্রিস বিখ্যাত প্রানীবিজ্ঞানী, ১৮০০ শতকে যিনি পিপড়াদের উপর গবেষণা করতে গিয়ে অবাক করা এসব তথ্য পেয়েছে।যা তাকে পর নোবেল পুরষ্কার এনে দিয়েছে।এবার মনে হয় বিশ্বাস হচ্ছে বন্ধুরা।অথচ এ বিশ্ময়কর তথ্য ১৪০০শত বছর আগে কুরআন শরীফে বলা হয়েছে পিপড়াদের নিয়ে।

যোগাযোগ ব্যাবস্থায় আমরা মানুষেরা চরম ভার্চুয়াল হয়ে গেছি।ফেসবুকব,ভাইবার,মেছেন্জার বা অন্যান্য মাধ্যম ছাড়া আমরা অচল মনে করি।কিন্তু সত্যিই কি তাই? সরকার এগুলো সাময়িক বন্ধ করছেল এতে সরকারের মন্ডুপাত করছি আমরা।অথচ এগুলো ব্যাবহার না করার ফলে আমরা আমাদের মা,বাবা, পরিবার বা পরিচিতজনদের বেশি সময় দিতে পেরেছি ফেসবুকে পরে না থেকে।সবক্ষেত্রেই তাই হয়েছে।এতে ওদের সাথে মনের যোগাযোগটা বৃদ্ধি পেয়েছে দ্বিগুন।আর এটাই হল সবচেয়ে বড় যোগাযোগ।পিপড়ারা নিজেদের মথ্যে যোগাযোগ ব্যাবস্থায় তাই করে।তা্ই মানুষের থেকে এরা হাজারগুন উন্নত।গবেষনায় এও বলা হয়েছে যে মানুষ যে হারে ভার্চৃয়াল যোগাযোগ করছে এতে পিপঁড়াদের থেকেও হাজারগুন পিছিয়ে পরছি।অথচ আমরা শ্রে্ষ্টজাতি।

আমাদের ভার্চৃয়াল যোগাযোগ হবে আল্লাহতায়ালার সাথে ফেসবুক,ভাইবার,মেসেন্জার,টেংগো,ইমো্,স্কাইপ হবে নামাজ।নামাজের মাধ্যমে আমরা আল্লাহর সাথে কথা বলব,যোগাযোগের মূলকেন্দ্রস্থল হবে মসজিদ।আর তা না হলে জ্বিনজাতি আর পিপড়ার কাছে পরাজয়ের মত অন্যান্য সব ক্ষেত্রে আমরা মুসলমানরা পিছিয়ে পড়ব যা আজকের সময়ে প্রমাণিত হচ্ছে আরও হবে।

অতিথি

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১২:৪০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কি আছে কারবার

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩


ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৮



“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।

বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩


মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ শবে বরাত!!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২০



ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:২১


চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×