রফিক সাহেব।একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী।জীবনের কর্মময় সময়ে অনেক অর্থ উপার্জন করেছেন।খরছ করেছেন সন্তানদের জন্য।জীবনের প্রথম দিকে থাকতেন ১ ঘরের ১ টা বাসায়।সেই ঘরে খুব কষ্টে দিন কাটাতেন রফিক সাহেব তার ৪ সন্তান নিয়ে।সন্তানদের রাখতেন খাটে,নরম বিছানায়,আর তারা থাকতেন মেঝেতে শক্ত বিছানায়। তার স্ত্রী মারাগেছেন বছর ৮ হল।সন্তানদের সুখের কথা চিন্তা করে তিনি বিয়ে করেননি।
৩ ছেলে ও ১ মেয়েকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করেছেন।সন্তানরা এখন প্রতিষ্ঠিত। মেয়ে তার শ্বশুর বাড়িতে।৩ ছেলে তাদের বউ , বাচ্চা এবং চাকরি নিয়ে মহা বেস্ত।তাছাড়া ঢাকাতে বাসা গুলা ছোট,১টা বসার ঘর , ১টা বউ নিয়ে থাকার জন্য বেড রোম,২ সন্তানের জন্য ২টা ঘর। কোন ঘর খালি নাই রফিক সাহেবের জন্য। "বাবাকে তো আর কাজের বুয়ার মত রান্নাঘরে রাখা যায়না।" তাই বাবাকে পাঠিয়ে দিলেন বৃদ্ধাশ্রমে।
আজ ঈদ,রফিক সাহেব তার বৃদ্ধাশ্রমের বন্ধুদের সাথে সকালের সময়টা কাটালেন।তারপর ........ সারাদিন সন্তানদের চিন্তায় লুকিয়ে চোখের জল ফেলা আর স্বপ্ন দেখা , " এই বুঝি সন্তান এসে সালাম করবে, বলবে "বাবা তোমাকে আর এখানে থাকতে হবেনা।আমরা তোমাকে নিতে এসেছি।অনেক অন্যায় করেছি , ক্ষমা করে দাও.....।"
তার স্বপ্ন আজও সত্যি হয়নি।ঈদ এর ৩ দিন পরও কোন সন্তান বাবার খোজ নিতে আসেনি।শুধু ফোন করেছে তাও ৫ মিনিটের জন্য।
কলঙ্কিত সেই সন্তানের জীবন,যার মা বাবা থাকে বৃদ্ধাশ্রমে .........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।