চর্যাকে সুন্দরী বললে কেও আপত্তি করতে পারবে না।সে বিয়ের আগে পাশের বাসার সৌরভের সাথে প্রেম করতো।কিন্তু ছেলে কালো এবং শর্ট হওয়ায় চর্যার পরিবার তাকে ঐ ছেলের সাথে বিয়ে দেয়নি।পরে তার বিয়ে হয় বড় বোনের দেবর “সন্ধি”র সাথে।
সন্ধি বিদেশে চাকরি করে।সন্ধি এবং চর্যার সংসার ৯ বছরের।তাদের ঘরে শূন্য নামের ১টা ছেলে সন্তান আছে, বয়স ৭।সন্ধি বছরে ১ বার দেশে আসে ৩ মাসের জন্য।সন্ধি যখন বিদেশ থাকে তখন চর্যা ছেলেকে নিয়ে বাবার বাসায় থাকে।অন্য দিকে সৌরভ এখনো বিয়ে করেনি, বড় চাকরি করে সে।চর্যার সাথে তার এখনও যোগাযোগ হয়।
হঠাৎ একদিন চর্যা সন্ধির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলল যে, “সন্ধি বিদেশে অন্য মেয়েদের সাথে অবৈধ সম্পর্কে জড়িত তাই সে আর সন্ধির সাথে থাকবে না”।এই অভিযোগের কারনে তাদের ডিভোরস হয়ে যায়।চর্যা ছেলেকে সাথে নিয়ে বাবার বাসায় চলে আসে।
কিছুদিন পর চর্যা সৌরভ কে বিয়ে করে।এই বিয়ে সৌরভ এর পরিবার মেনে নেয়নি।চর্যা এবং সৌরভ এখন একসাথে থাকে আর চর্যার ছেলেকে ভর্তি করে দেওয়া হল একটা মাদ্রাসায় যেখানে হস্টেলে থেকে পরতে হয়।অন্যদিকে সন্ধি ও বিয়ে করে।
বাবা-মার বিয়ের কারনে শূন্য একা হয়ে পড়লো।এই অল্প বয়সে সে বাবা-মা থেকে দূরে।সে না পারছে বাবার কাছে থাকতে না পারছে মায়ের কাছে থাকতে।ঈদ আসলে শূন্য মায়ের বাসায় যায় কিন্তু অন্য ছুটিতে সে থাকে তার খালার বাসায় খালাতো ভাইদের সাথে।খালার বাসা যেন তার নতুন ঘর।
চর্যার পরিবার যদি তাকে সন্ধির সাথে বিয়ে না দিয়ে সউরভের সাথে বিয়ে দিত তাহলে এত ঝামেলা হতো না। এতগুলা জীবন জটিল জালের জটলায় হারিয়ে যেত না। শূন্য আজ বাবা-মায়ের আদর থেকে বঞ্ছিত হতো না। সন্ধিকে মিথ্যা অপবাদের বোঝা বইতে হতো না।সউরভকে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে হতো না।
হয়তো চর্যা আর সৌরভ আজ তাদের ভালবাসাকে কাছে পেয়ে সুখি , হয়ত সন্ধি আজ তার নতুন বউ এর সাথে সুখে জীবন পার করছে ।কিন্তু শূন্যকে ছাড়া তারা কি সুখি হতে পারবে ??? শূন্যর জীবনকে নষ্ট করে তারা কি সুখের সন্ধান পাবে ???

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।