somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডাক্তার বন্ধুরা ক্ষমা করবেন ২

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের ডাক্তার বন্ধুদের কাছে আগেই ক্ষমা চেয়ে বলছিলাম। আমি চিকিৎসা সেবাকে খাট করতে চাইনি। কিছু অসঙ্গতি কে তোলে ধরার চেষ্টা করেছি মাত্র। এই অসংগতি তোলে ধরার ক্ষেত্রে কেউ ক্ষিপ্ত হবে বুঝতে পারি নাই। আমাদের দেশের সব পেশারই গলদ আছে। এই জন্যইতো আমার এই উদ্যোগ। আপনি সেবা নিতে সে সব প্রতিষ্ঠানে যান, সেখানে যে সব অসংগতি দেখেন তা নিয়ে লিখুন। একদিন দেখবেন সমস্যা দূর হয়ে গেছে।
আমাদের প্রত্যাশা চিকিৎসকদের কাছে বেশি। কেননা চিকিৎসকরা আমাদের কে সুস্হ্য রাখেন। সেবা দেন। আমাদের দেশের সব পেশাই অসংগতি আছে। তবে সব পেশা জীবন মরণের সাথে জড়িত নয়। আর সব পেশা মানুষ কে নব জীবন দেন না। আমার মনে হয় আপনি পুরো লেখাটি পড়েন নি। আশা করি আরেকবার পড়বেন। মহাত্মা গান্ধি একবার চিকিৎসা পেশা নিয়ে বলেছিলেন,

“ আমাদের অঙ্গনে একজন রোগী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অভ্যাগত, উনি আমাদের উপর নির্ভরশীল নন, আমরা তাঁর উপর নির্ভরশীল। উনি আমাদের কাজের অন্তরায় নন,বরং আমাদের পেশার অংশ, সেবা করে আমরা তাঁকে অনুগ্রহ করছি না। সেবা করার সুযোগ দিয়ে তিনি আমাদের ধন্য করেছেন”।

আমাদের দেশের চিকিৎসকরা ( বেশির ভাগ) চিকিৎসক মনে করেন তার বিপরীত। অথচ তাদের জীবিকা রোগীর কল্যানে। আমাদের পেশায় কি চাপ আছে বা নেই, তাতো এতদিনে বুঝার কথা। গরিব দেশের গার্মেন্টস মালিক রপ্তানী আয়ের ৮৪% অর্জন করে। আমাদের দেশের প্রথম শ্রেণীর মেধাবী চিকিৎসারা যদি চিকিসৎসার জন্য যে টাকা বিদেশে যায়, উন্নত চিকৎসার ব্যবস্হা করে তা বন্ধ করার উদ্যোগ। আপনিও লাভবান হন। দেশের জন্যও মঙ্গল হবে। আবারও বলছি সময় করে পুরো লেখাটি পড়বেন।


সম্প্রতি আমার এক বন্ধু ভারতে গিয়েছিল চিকিৎসার জন্য্, সেখান থেকে ফেরৎ এসে তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন ফেইসবুকে। আমি সেখান থেকে কিছু অংশ এখানে সংযোজন করছি। পাঠকরা পড়ে নিজেরা বিবেচনা করবেন। আমার বন্ধুর নাম মহিবুল ইসলাম ফারুক, রাজনীতি বিজ্ঞানে স্নাতোত্তর করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিশ্ববিদ্যালয় থেকে। সরকারি চাকুরি করেন। প্রথম বার চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়েছিল। তার অভিজ্ঞতা কেমন তা নিজে তোলে ধরা হল।

“এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায় আসতে হয়েছে জীবনের প্রয়োজনে! ইতিহাস বলে, একদিন দুই বাংলা এক ছিল, পরে ভাগ হলেও একই মায়ের পেটের দুটি ভাই ছিল; একই দেশের দুটি প্রদেশ ছিল! আজ আমাদের পূর্ববাংলা পূর্ণাঙ্গ দেশ, স্বাধীন বাংলাদেশ; আমি যার গর্বিত নাগরিক৷ কিন্তু পশ্চিম বাংলা আজো প্রদেশই রয়ে গেছে; ইন্ডিয়ার প্রদেশ৷ তারপরও পূর্ণাঙ্গ দেশ থেকে ক্ষুদ্র প্রদেশেের পানে আমাদের অনেককেই ছুটতে হয়; আমাদের দেশ যে সেবা আমাদেরকে দিতে যেয়ে পদে পদে হেনস্থা করে- ভারতের একটি প্রদেশ সম্মানের সাথে আমাদেরকে সেই সেবা দিয়ে মন ভরিয়ে দেয়! আমাদের অভিভূত হতেই হয়! কোলকাতার মুকুন্দপুর এলাকায় পূর্ব যাদবপুর থানা কমপ্লেক্সের পাশে দেবীশেঠী প্রতিষ্ঠিত 'রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কার্ডিয়াক সায়েন্স'-এ (গতকাল) সকালে যারা সেবা নিতে এসেছেন তাদের একটা বড় অংশই আমাদের স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের! (অবশ্য আমি কার্ডিয়াক পেশেন্ট নই; চোখের চিকিৎসা নিয়েছি পাশেই অবস্থিত 'শংকর নেত্রালয়' থেকে৷ আমিও অভিভূত! শুধু তা-ই নয় অবাক হয়েছি আমাদের আর ওদের ডাক্তারদের ব্যবহার ও দায়িত্ববোধের আকাশ-পাতাল ফারাক দেখে! হাসপাতালের কর্মজীবীদের শৃংখলার বিষয়টিও চোখে পরার মত; দুই নম্বরীর ধান্ধায় ব্যাকুল নয়৷)” (Reference Face Book dated- Sept 10, 2017)
তার লেখার পর অনেক মত প্রকাশ করেছেন, নিজ নিজ অভিমত দিয়েছেন। প্রত্যেকের অভিজ্ঞতাতে একটা সাধারণ বিষয় আছে, আন্তরিকতা নেই আমাদের এখানকার চিকিৎসকদের। অনেকের মন্তব্য কারীর মাঝে একজন হল অশোক সাহা। যিনি ছাত্র জীবনে ছাত্র ছাত্র ইউনিয়নের সাথে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে তিনি সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশে কমিউনিষ্ট পার্টি চট্টগ্রাম জেলা। তার মন্তব্য হল, “হাজার হাজার কোটি টাকার ঋন খেলাফিরা এখন বাংলাদেশের সমাজ রাজনীতির কর্নধার। জনগনের টাকা মেরে না দিয়ে 'এই মহান দেশপ্রেমিকরাও একটি আধুনিক হাসপাতাল করতে পারেন। সাধারন গরীব মানুষের কথা চিন্তা করে মাননীয় সরকারও তা করতে পারেন। পারেন প্রতিটি জেলায় একটা করে বিশ্ববিদ্যালয় করতে"। তার প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ফারুক আবার লিখেছে। “ অশোক'দা, ঠিকই বলেছেন৷ আমার তেমন দ্বিমত নেই আপনার সাথে৷ তবে যেসব সরকারি হাসপাতাল আছে সেখানেতো অনিয়মের আখড়া৷ ঔষধ বেচে দেওয়া হয়, রোগী ঔষধ কেনে বাইর থেকে৷ মেশিন থেকেও বাইরে পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য৷ ভর্তি, রোগী দেখা, অপারেশন সবকিছুতেই লেনদেন অথবা মুখচেনার প্রায়োরিটি! ক্লিনিকে ভর্তির উৎসাহও দেয়া হয়! প্রতিষ্ঠান করে লাভ নেই যদি এসব রোধ করে আস্তা অর্জন সম্ভব না হয়! সে জন্য প্রয়োজন কঠোর রাষ্ট্রীয় পলিসি, মানসিকতার পরিবর্তন, সর্বোপরি অসুস্থ মানুষের প্রতি সিমপ্যাথির দৃষ্টিভঙ্গি৷ বানিজ্য থাকবে কিন্তু এনিহাউ বানিজ্যের নেশা ত্যাগ করতে হবে সংশ্লিষ্ট সকল পেশাজীবীদেরকে।
ইন্ডিয়া যাবার কিঞ্চিত অভিজ্ঞতার আলোকে আমার মনে হয়েছে— আসলে আমাদের ডাক্তারগণও মেধাবী এবং ওদের চেয়েও কম দক্ষ নয়! কিন্তু সমস্যা মনস্তত্ত্ব ও কমিটমেন্টে। আমাদের বেশির ভাগ ডাক্তারদের কাছে ডাক্তার হবার পরে সেবার চেয়ে ভাব নেয়াটাই বড় হয়ে ওঠে যা এ পেশার পেশাদারীত্বের মূল্যবোধের পরিপন্থী৷ তাদের অনেকেই ভাবে যে, সেতো অন্যদের চেয়ে ভাল ছাত্র ছিল, অন্যদের চেয়ে বেশি খরচে, বেশি পড়ালেখা করেই তবে ডাক্তার হয়েছে৷ কাজেই সে অন্যদের চেয়ে সুপিরিয়র৷ তাকে সমাজের অপরাপর লোকের চেয়ে যে কোন মূল্যে বেশি সমৃদ্ধি ও বেশি প্রতিষ্ঠা পেতেই হবে৷ বাড়ি গাড়ি ছাড়া মান বাচবে না ইত্যাদি৷ ফলে সনদটাকে কেবল উপরে ওঠার সিড়ি ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারে না! আর একারণেই অসাধু ক্লিনিক ব্যবসায়িদের সাথে তাদের অনেকেই এক হয়ে নিজের আখের গোছাতে মাঠে নেমে যায়; বিনা ভাড়ায় ক্লিনিক মালিকদের তৈরী করে দেয়া সুদৃশ্য চেম্বারে বসে রোগি দেখেন নি:সংকোচে! [তবে সবাই নয়; ব্যতিক্রমও যথেষ্ট আছে৷] একারণেই ব্যবহার ও কমিটমন্টের ঘাটতি৷ সেবার ব্রত কারোরই নেই৷ উল্টো মনস্তত্ব নিয়েই তারা বেড়ে ওঠে৷। শুনেছি, কয়েক বছর পর পর ভারতে বা অন্য আরো অনেক দেশেই ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ারসহ অন্যসব পেশাজীবীদেরও লাইসেন্স নবায়ন করতে হয়, কোন অভিযোগ, দূর্নাম ও অস্বাভাবিক সমৃদ্ধি থাকলে সেটি খতিয়ে দেখেই লাইসেন্স নবায়ন করা অথবা বাতিল হয়৷ এটাও তাদের বেপরোয়া হওয়ার পথে একটি বাধা৷ আমাদেরতো এসবের বালাই নাই! (অবশ্য নাবয়নের সিস্টেম থাকলেও কাজ হবে না; কেননা, টাকা হলে এদেশে লাইসেন্সিং অথরিটিকেও কেনা যাবে না এমন গ্যারান্টিতো নেই!) … মোটকথা কোথায়ও জবাবদিহিতা নেই; সবাই রাজা! এনিহাউ বড়লোক হওয়ার নেশায় সদা বিভোর৷ আর এ নেশাই ক্রমশ মানুষকে অমানুষ বানায় সকল পেশাতেই৷ কাজেই সর্বাগ্রে পরিবর্তন আনতে হবে আমাদের মানসিকতায়৷ জানি না কখন কিভাবে আসবে এ পরিবর্তন৷ আপাতত আলো দেখছি না!’’( Reference; Faruk – Facebook )
সদ্য পাশ করা কয়েক ডাক্তারের ইন্টারভিউ নিচ্ছিলাম। যাদের সবাই মহিলা। এদের একজন ঢাকা মেডিকেল কলেজ, একজন সোহরয়ার্দি মেডিকেল কলেজ, দুইজন চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল মেডিকেল কলেজ, তিন জন বিজিসি ট্রাষ্ট মেডিকেল কলেজ। আমার তাদের কাছে জানার ছিল চট্টগ্রামে ডাক্তার একসাথে অনেক রোগিকে চেম্বারে বসিয়ে কেন রোগী দেখেন, তাদের তিনজন যারা চট্টগ্রামের তাদের উত্তর হল এই রকম, আমাদের দেশের রোগীরা অনেক অস্তির সেজন্য ডাক্তারের চেম্বারের সামনে অপেক্ষা করতে নারাজ। তাড়াতাড়ি করেন।একজন রোগি দেখতে দেরি করল মারমুখী হয়ে ওঠেন। ভাংচুর পর্যন্ত করেন। সেজন্য তাদের কে ডাক্তারের সামনে বসিয়ে রাখলে তারা চুপ থাকেন। এই হল তাদের যুক্তি। মজার ব্যাপার যারা সরকারি মেডিকেল কলেজে পড়েছেন তাদের মত, এই ধরনের পদ্ধতিতে রোগী দেখা একজন ডাক্তারের ব্যাক্তিগত ইচ্ছার উপর নির্ভর করেন। একজন বলেছেন ব্যাপারটা বেমানান। তার পছন্দ নয়। একজন বলেছেন আমাদের দেশের রোগীরা সবাই বড় ডাক্তারের কাছে যান বলেই এই সমস্যা হয়।
---------------------
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ সকাল ১১:৫১
৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঠেলায় নাম বাবাজি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:১৯


সময়টা সরকারের জন্য মোটেও ভালো যাচ্ছে না। একদিকে গ্যাস আর বিদ্যুতের সংকটে মানুষ প্রতিদিন কষ্টে দিন কাটাচ্ছে, অন্যদিকে সরকারের একের পর এক সিদ্ধান্ত নেটিজেনদের বাধার মুখে পড়ছে। ফলে সরকার নতুন... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনার মত তারেক জিয়াও কি ভারতে ইলিশ পাচার করছে?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১০ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৬



চলছে ইলিশের ভরা মৌসুম কিন্তু বাজারে কোন ইলিশ নেই.... ইলিশ নেই বললে ভুল হবে ইলিশ আছে কিন্তু উহা সাধারণ মানুষের ধরা ছোঁয়ার বাইরে। আওয়ামীলীগ আমলের ১৭ টি বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

~~~সংশয়~~~

লিখেছেন জটিল ভাই, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:০৩

♦أَعُوْذُ بِاللهِ مِنَ الشِّيْطَانِ الرَّجِيْمِ (বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহ্'র নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করছি)
♦بِسْمِ ٱللَّٰهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ (পরম করুণাময় অসীম দয়ালু আল্লাহ্'র নামে)
♦ٱلسَّلَامُ عَلَيْكُمْ (আপনার উপর শান্তি বর্ষিত হোক)


(ছবি নেট হতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গুপ্ত ও সুপ্ত কি আওয়ামী লীগকে লুপ্ত করতে পারবে?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:৫২



গুপ্ত ও সুপ্ত আওয়ামী লীগকে লুপ্ত করতে না পারলে তারাই আবার ফিরতে পারলে গুপ্ত ও সুপ্তকে লুপ্ত করার কার্যক্রম গ্রহণ করবে। কারণ অতীতে গুপ্ত ও সুপ্তকে লুপ্ত না... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে “উপজাতি” নাকি “আদিবাসী”? আন্তর্জাতিক আইন ও ইতিহাসের নির্ভেজাল সত্য!​

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৭


সূচনা ও প্রেক্ষাপট:
লেখক পার্বত্য চট্টগ্রামে ২০০১ সালে তিনি যখন সেখানে দায়িত্ব পালন করেন, তখন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীকে 'উপজাতীয়' (Tribal) হিসেবে ডাকা হতো। কিন্তু ২০১৫-১৬ সালের দিকে সেখানে পুনরায় পোস্টিং পাওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×