somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইথিওপিয়ার মানুষ-জাতি –ভাষা

১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আফ্রিকা সম্পর্কে আমার জ্ঞান ছিল বইপত্র, পত্র- প্রত্রিকা, টিভি দেখে যতটুকু জানা যায় তাতে সীমাবদ্ধ। গত বছর কয়েকদিনের জন্য আফ্রিকা গিয়েছিলাম। প্রত্যক্ষ কিছু অভিজ্ঞতা হল। অনেকের সাথে কথা বলেছি। এই মহাদেশ কে জানতে হলে অনেক অনেক দিন এখানে বসবাস করা আবশ্যক। ব্যাপক ভ্রমন হয়ত পরিস্কার ধারনা দিতে পারে। তবে আফ্রিকা মহাদেশ জনসংখ্যা ও আয়াতনে দিকে দ্বিতীয় বৃহত্তম। নানা জাতির মানুষ এখানে বাস করে। নানা ভাষার মানুষ এই মহাদেশে বাস করে আসছে। মানুষের সভ্যতার ইতিহাসে আফ্রিকার ইতিহাস অনেক প্রাচীন। জ্ঞাত ইতিহাসের অনেক আগে থেকেই এখানে মানুষ বাস করে। বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে এই মানুষেরা এক সময় স্বাধীন ছিল। নিজেদের কে নিজেরা শাসন করত। ইউরোপীয়রা স্বাধীন মানুষেদের কে পরাধীন করেছে।আফ্রিকার সম্পদ, মানুষ সবকিছুইকেই তাদের পণ্যে পরিণত করেছে। মানুষ কে মুক্ত মানুষ হিসাবে না দেখে দাস হিসাবে বিক্রি করেছে। নিজেদের কাজে লাগিয়েছে। বিগত শতাব্দীর মাঝামাঝি আফ্রিকার দেশ সমূহ স্বাধীন হতে আরম্ভ করে। বর্তমানে আফ্রিকায় ৬১টা স্বাধীন দেশ আছে। অন্য মহাদেশের চেয়ে আফ্রিকা বৈশিষ্ট্য আলাদা। এখানকার প্রাকৃতিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, বৈশিষ্ট্যের সাথে অন্য মহাদেশে মিল নেই। অনেক বৈচিত্রময় মহাদেশ এই আফ্রিকা। এর আয়াতন প্রায় ৩০.৩ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা প্রায় ১.২১ বিলিয়ন। ২০১৬ সালের হিসাব মতে বিশ্ব জনসংখ্যার ১৬ শতাংশ বাস করে এই আফ্রিকা মহাদেশে। এই মহাদেশের সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া আর জনসংখ্যার দিক দিয়ে নাইজেরিয়া বৃহত্তম। এখানকার মানুষের অধিকাংশ মানুষ কম বয়সি। গড় বয়স মাত্র ১৯ থেকে ২০ বছরের কাছাকাছি। অন্যদিকে বিশ্বের অন্যান্য মহাদেশে এই গড় বয়স ৩০ এর চেয়ে বেশি। আমরা যাদের কে আধুনিক মানুষ হিসাবে মনে করি তাদের আদি পুরুষ ও তাদের বংশধরদের বসবাস ছিল আফ্রিকা মহাদেশের ইথিওপিয়ায়। অতি সম্প্রতি প্রাচিন বন মানুষের কংকালের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। ১৯৭৪ সালে এই বন মানুষের কংকালের সন্ধান মিলে। যাকে সবচেয়ে পাচীন মানব কংকাল মনে করা হচ্ছে তার সন্ধান মিলে ইথিওপিয়ার উচ্চভূমিতে। আওয়াস নদীর উপত্যাকায় পাওয়া যায় এই কংকাল। যার আনুমানিক বয়স হল ৪.৪ মিলিয়ন। কাজেই অনুমান করা যায় আফ্রিকায় মানুষের বসতি কত প্রাচীন ছিল।
আফ্রিকা অন্য দেশ থেকে ইথিওপিয়া আলাদা। ইতিহাস অনেক প্রাচীন। বৈরি সংকটময় ইতিহাস অন্যদেশ থেকে আলাদা করেছে। ইতিওপিয়া সমাজ কাঠামোর গোত্র ভিত্তিক।নানা জাতিগোষ্ঠী ইথিওপিয়ার বসবাস করে। তাদের প্রতিটি আলাদা জাতিস্বত্ত্বার অধিকারি। তাদের আলাদা আলাদা ভাষা, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য আছে।তাদের জীবন জীবিকার ধরন কমবেশি একই ধরনের। প্রাচিন কাল থেকে প্রায় একই ধরনের আবহাওয়া,প্রকৃতি ও পরিবেশের মধ্যবাস করে তাদের জীবন –জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। তবে তাদের মধ্য ক্ষমতা প্রয়োগের সমতা ছিল না বা এখনও নেই। রাজতান্ত্রিক নিয়মানুসারে একদল আরেক দল কে শাসন করেছে। রাজবংশের নৃ-গোষ্ঠীর মানুষেরা সাধারণভাবে বেশি ক্ষমতা ভোগ করেছে। অনেক জাতি –গোষ্ঠীর মানুষ ইথিওপিয়ায় বসবাস করে। নানা জাতি গোষ্ঠীর মানুষ এখানে বসবাস করতে গিয়ে নিজেদের মধ্য একধরনের সখ্যতা গড়ে ওঠে, তবে এই সখ্যতা সবচেয়ে সব সময় শান্তিপূর্ণ ছিল না।
গ্রোত্রীয় সংঘাত ছাড়াও আসপাশের দেশের সাথে তাদের বিরোধ, যুদ্ধ এর ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে অনেক বৈচিত্রময় অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করেছে। বর্তমান ইথিওপিয়ায় কোন সমুদ্রবন্দর নেই। চারদিকে অন্যরাষ্ট্রের সীমানা দ্বারা আবদ্ধ। যাকে ভূপরিবেষ্টিত রাষ্ট্র বলা হয়। কাছের সমুদ্র বন্দরের দূরত্ব অনেক। রাজধানী আদ্দিস থেকে জিবুতির দুরত্ব প্রায় ১২০০ কিলোমিটার। ইথিওপিয়া সমদ্রপৃষ্ট থেকে অনেক উপরে। ১৮০০ থেকে ৩৫০০ মিটার উচ্চতায় ইথিওপিয়ার অবস্হান। নানা বিরোধপূর্ণ দেশ বিশেষত, সোমালীয়া, সুদান, ইরিত্রিয়া এই দেশের প্রায় চারদিক ঘিরে রেখেছ। অল্প সীমায় আছে জিবুতি।
ইথিওপিয়ায় বসবাসরত মানুষের জনমিতি বলতে বুঝায় তাদের জাতিতাত্ত্বিক, ভাষাতাত্ত্বিক, স্বাস্হ্য, বয়স, শিক্ষা, পেশা, ধর্ম, আয় রোজগার সবকিছু। ইথিপিয়ার মানুষের মধ্যে ৮০টির বেশি নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী আছে। তারা অত্যন্ত বৈচিত্রপূর্ণ জাতিগোষ্ঠীর সমষ্টি। প্রধানত তারা এফ্রো-এশিয়াটিক ভাষাগোষ্ঠীভূক্ত। এই দলের মধ্যে আছে কুশাইটিক অথবা সেমেটিক ভাষা। কুশাইটিক দলে আছে ওমরু ও সোমালি। আর কুশাইটিক দলে আছে আমহারা, তিগরে। এই চার ভাষা মিলে ইথিওপিয়ার জনসংখ্যার প্রায় চার ভাগের তিনভাগ জনসংখ্যা ৭৫% শতাংশ। দেশটিতে ওমোটিক জাতির জনগোষ্ঠীর মানুষেরাও এফ্রো-এশিয়াটিক ভাষায় কথা বলে। তাদের মধ্য আছে ওমোটিক শাখা। এই শাখার মানুষেরা দেশটির দক্ষিনাঞ্চলে বসবাস করে। তাদের মধ্য আছে ওয়ালাইতা ও গামো। অন্যদিকে নিলো-সাহারান মানুষেরা কথা বলে নিলোটিক ভাষায়। এদের বসবাস গাম্বেলা অঞ্চলে। এদের একটা অংশ দক্ষিন সুদানে বাস করে। আনুয়াক, নুয়েল জনগোষ্ঠীর এই দলে বিদ্যমান।বিদেশে ভাষার মাঝে ইংরেজি ব্যাপক ভাবে ব্যবহার করা হয়।
ইথিওপিয়ার মোট জনসংখ্যা প্রায় ১০ কোটি। ২০১৬ সালের হিসাব মতে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ২.৮৮%। মানুষের গড় বয়স ১৭.৮ বছর। পুরুষের গড় বয়স ১৭.৬ আর নারীর গড় বয়স ১৮ বছর। মানুষের বয়স কাঠামো ০১-১৪ বছর ৪৩.৭১%। ১৫-২৪ বছর ২০.০৪%। ২৫-৫৪ বছর ২৯.৪৫%। ৫৫-৬৪ বছর ৩.৮৯% এবং ৬৫ বছরের উর্ধে ২.৯১%। জীবন প্রত্যাশা কাল গড় ৬২.২ বছর। পুরুষের আয়ুস্কাল ৫৯.৮ বছর আর নারী ক্ষেত্রে তা ৬৪.৭ বছর। নারীর সন্তান ধারনের সংখ্যা গড়ে প্রায় ৫.০৭/ মা প্রতি। নিরাপদ জন্মনিয়ন্ত্রের হার মাত্র ৩৭.৯%। শিশু মৃত্যুর হার ৫১.১০/ ১০০০ সন্তান জন্মের বিপরীতে। ইথিওপিয়ান মানুষের স্বাস্হ্য ঝুঁকির মাত্রা অনেক বেশি। নিরাপদ পানি পান করার হার গড়ে ৫৭.৩%। শহরাঞ্চলে অনেক উন্নতি লাভ করলেও গ্রামাঞ্চলের তার মাত্রা অনেক কম। শহরে নিরাপদ পানি পান করে ৯৩.১০% আর তার বিপরীতে গ্রামে নিরাপদ পানি করে মাত্র ৪৮.৬%। ২০১৪ সালের হিসাব মতে এইডস রোগীর সংখ্যা বা এইচআইভি পজিটিব ৭৩০৩০০জন। ২০১৪ সালে এইডস রোগে মারা যায় ২৩৪০০জন। সবচেয়ে ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে স্বাস্হ্য সন্মত পায়খানা ব্যবহারের মাত্রা অত্যন্ত কম। মাত্র গড়ে ২৮% মানুষ স্বাস্হ্যসন্মত পায়খানা ব্যবহার করতে পারে। গ্রামে এমনকি শহরাঞ্চলেও এই হার খুবই কম। গ্রাম শহরের ব্যবধানও কম। শহরে গড়ে ২৮.২০% মানুষ স্বাস্হ্যসন্মত পায়খানা ব্যবহার করে আর গ্রামে এই হার ২৭.৮%। নানা ধরনের সংক্রামক ব্যাধির ছাড়াও পোকামাকড়, মশা, পশুবাহিত রোগের প্রভাব আছে। সাধারণ রোগ ব্যাধির মধ্যে, টাইপয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, কলেরা, মেনিনজাইটিস, ইয়েলুফিভার আছে।
অধিকাংশ ইথিওপিয়ান মানুষের বসতি গ্রামাঞ্চলে। মাত্র ১৯.৬% মানুষ শহরে বাস করে। নগরায়নের হার মাত্র ৪.৮৯%। তার বিপরীতে গ্রামাঞ্চলে মানুষের বাস ৮০.৫৫%। অন্যদিকে শিক্ষার হার বর্তমানে বাড়ছে। স্বাক্ষরতার হার ৪৯.১০ শতাংশ। ইথিওপিয়ার নারী স্বাক্ষরতার হার তুলনামূলকভাবে অনেক কম। মাত্র ৪১.১০ শতাংশ নারী স্বাক্ষরতা সম্পন্ন। পুরুষের স্বাক্ষরতার হার সেখানে ৫৭.২০ শতাংশ। প্রতিহাজার মানুষের বিপরীতে মাত্র ০.০৩জন চিকিৎসক আছে আর প্রতিহাজার মানুষের জন্য আছে ৬.৩০টি হাসপাতাল বেড। জিডিপি ৪.৯০ শতাংশ স্বাস্হ্য সেবার জন্য ব্যয় করা হয়।
যেহতু ইথিওপিয়া কৃষি প্রধান দেশ। সেখানে ৮০% শতাংশের মত মানুষ গ্রামে বাস করে। গত এক দশকে শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমেছে সত্য। কিন্তু জন্মহার কমছে অতিধীরে ফলে জনসংখ্যা বাড়ছে অতিদ্রুত। জনসংখ্যা বৃদ্ধি একদিকে ভূমির উপর চাপ বাড়ছে। পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে। খাদ্য সংকট কমছে না। মানুষের খাদ্যাভাব লেগেই আছে। পুষ্টিহীন নারী, শিশুর সংখ্যা বাড়ছে। ফলে স্বাস্হ্য ঝুঁকি দিন দিন বাড়ছে। ৪০শতাংশের চেয়ে বেশি মানুষের বয়স ১৫ বছরের নীচে। তাদের স্বা্স্হ্য, শিক্ষা, কর্মসংস্হান করা ইথিওপিয়ান সরকারের জন্য অত্যন্ত চ্যালেঞ্জ বৈকি? পর্যাপ্তভাবে পরিবার পরিকল্পনা গ্রহন না করলেও সেখানে নির্ভরশীল বিশেষত শিশুর সংখ্যা বাড়তেই থাকবে। মা প্রতি সন্তান ধারনের সংখ্যা ৫ জন যা কিনা গ্রামাঞ্চলে আরো বেশি।
অন্যদিকে দারিদ্রতা, খরা, সংঘাত, যুদ্ধ, রাজনৈতিক নির্যাতন, সরকার জোরপূর্বক উৎখাত ও বসতি গড়ে তোলার কারণে মানুষ আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে মানুষের অভিবাসন বেড়েছে। ১৯৬৪ সালের পর থেকেই এই ধারা চালু আছে। ১৯৭৪ সালের বিপ্লবের পর তা আরো বেড়েছে। অতি অল্প সংখ্যাক অভিজাত ইথিওপিয়ান বিদেশে পড়াশোনা করতে যায় আবার দেশে ফেরৎ আসে। ১৯৭৪ সালে তথাকথিত বিপ্লবের পর মানুষের উপর নেমে আসে ভয়াবহ নির্যাতন, অপহরণ, জেল জুলুম, হত্যা, গুমের মত অপরাধ বেড়ে যায়। অনেক মানুষ বিদেশে চলে যায় জীবন বাঁচাতে। বিদেশে উদ্বাস্তু হিসাবে বসবাস আরম্ভ করে। ১৯৮২-১৯৯১ সালের মধ্যে চলে পরিবারের সাথে মিলিত হতে আরেক দফা বিদেশে অভিবাসন। ১৯৯১ সালে বিপ্লবি সরকারের পতন ঘটে। তবে সংঘাত এড়াতে অনেকই বিদেশে চলে যায়। আভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিকভাবে নারী ও শিশু পাচারের মত সমস্যা এখনও আছে। এই সব পাচারকৃত নারী ও শিশুকে গৃহ কর্মী, পতিতা বৃত্তিতে ব্যবহার করা হয়। বর্তমানে রাজনৈতিক স্হিতিশীলতা বিদ্যমান আছে। ১৯৯১ সালে পর দেশের রাজনীতির ইতিহাস বদলে যায়। রাষ্ট্রকাঠামোতে পরিবর্তন আসে। গড়ে উঠে ফেডারেল কাঠামোর রাষ্ট্র ও সরকার। জাতিভিত্তিক প্রদেশ গড়ে তোলা হয়েছে যাতে প্রতিটি জাতিতাত্ত্বিক গোষ্ঠী নিজেদের শাসনতান্ত্রিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। এই প্রক্রিয়া দেশ চলছে ১৯৯৩ সালে পর থেকে। অন্যদিকে ইরিত্রিয়া স্বাধীন হলে যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে দেশটি রেহাই পায়। বর্তমানে আঞ্চলিক কিছু অসন্তোষ বিরাজ করলেও বড় ধরনের সংঘাত নেই। সরকার মানুষের জীবন মান উন্নয়নের জন্য নানামূখী পদক্ষেম নিচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, শিক্ষার বিকাশ, যোগাযোগের উন্নতি। শহারঞ্চলে এই উন্নতি চোখে পড়ার মত। প্রসস্ত রাস্তা, পরিচ্ছন্ন ফুটপাত, অনেক ফ্লাইওভার , ওভারপাস, এমনকি আদ্দিস আবাবায় চালু করা হয়েছে মেট্রোরেল। অনেক উন্নত হোটেল চোখে পড়ে। বিমান বন্দর পরিচ্ছন। অনেক বিদেশ এয়ার লাইন সরাসরি বিমান চালায় সেখান থেকে। তাছাড়া ইথিপিয়ার নিজস্ব বিমান বহরও অনেক বড়। দেশে অনেক উন্নত রপ্তানীমূখি শিল্প পার্ক চালু আছে।
ইথিওপিয়া ভ্রমন করার কারনে আমার যে জ্ঞান অর্জন হয়েছে তা ধারাবাহিক ভাবে সবার সাথে শেয়ার করতে চাই। সেই ইচ্ছায় থেকেই ইথিওপিয়া কে নিয়ে লেখা। এই পর্বে ইথিওপিয়া মানুষ, ভাষা জাতি নিয়ে সামান্য আলোকপাত করা হয়েছে। তার বিস্তারিত বিবরণ থাকবে পরবর্তি লেখায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:০৪
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নেভার গিভ আপ!!!: দেশের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারদের পিছনে বিনিয়োগ করুন, প্রধানমন্ত্রী!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৩

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,
আসসালামু আলাইকুম। আজ আমার খুব খুশির দিন হওয়ার কথা ছিলো। ব্রিটিশ একটি ভার্সিটিতে ৩য় বারের মতো মেন্টর হিসেবে সিলেক্টেড হয়েছি। এই আনন্দে বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজনদের নিয়ে পার্টি দেওয়ার কথা ছিলো।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার মহাজাগতিক ভাবনাকে এআই আমার সেরা পোষ্ট হিসাবে সাব্যস্ত করেছে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:১২



মহাজাগতিক ভাবনা

মহাজগতের প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্য। কারণ প্রথমের পূর্ব অবস্থান শূন্যই হয়ে থাকে।শূন্য অবস্থানে সীমাদাতা না থাকায় তাতে যা হবে তা’ অসীম হবে।সকল অসীম একত্রে মিলে এক হবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

লিখেছেন নতুন নকিব, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫

বিনয়: মুমিনের এক অনন্য মহৎ গুণ; কুরআন ও সুন্নাহর আলোকে একটি বিশ্লেষণ

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা

মানুষের প্রকৃত সৌন্দর্য তার বাহ্যিক চেহারা, ধন-সম্পদ বা সামাজিক মর্যাদায় নিহিত নয়। বরং তাঁর চরিত্র,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছবি ব্লগ -৪ বর্ষণ মুখর সকাল

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৯


আজ মেঘলা আকাশ। আজ ভীষণ বর্ষণ মুখর এক সকাল। অনেকের কাছে এরকম প্রকৃতি এক অপূর্ব দৃশ্য নিয়ে আসে। আবার অনেকের কাছে মেঘলা আকাশের বর্ষণ মুখর সকাল মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে || সহেলিয়া ও সোনারুর কণ্ঠে নতুন ভার্সন

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ০২ রা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩০

আমার দিনগুলি আর ফিরবে নারে
যারে হারাইয়াছি মায়ের কোলে
আর কি ফিরা পাবো তারে

মন যে আমার কান্দে সদাই
ফিরা যাইতে সোনার শৈশবে
হায়রে কোথায় আমার ঘুড্ডি নাটাই
খেলার সাথি কই সবে

কে যে আমায় নিত্যি ডাকে
ঘুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×