somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

HannanMag
সাদাসিদে কথা কাজের ফাঁকে কিছু করা,ব্যস্ততার মাঝে যাকিছু ভাবি তাই লিখি।

ইথিওপিয়ার মানুষ-জাতি –ভাষা ৫

২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৪:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ওরোমোদের জাতিসত্ত্বার বিকাশ;

আবিসিনিয় সম্রাটদের দমন পীড়ন, তাদের রাজ্যে সম্রাটের একচ্ছত্র ক্ষমতার বিস্তার হচ্ছিল। এই উনবিংশ শতকে আবিসিনিয়ার সম্রাটদের শাসনকে ওরোমোরা উপনিবেশবাদি শাসন হিসাবে দেখে থাকে। একই সময় ইউরোপীয়রাও আফ্রিকায় হামলে পড়ে। জাতিভিত্তিক নানা রাষ্ট্র কাঠামো আফ্রিকা কে ভাগকরতে আরম্ভ করে। অন্যদিকে আবিসিনিয়া এই ভাগাভাগির বাইরে ছিল বটে; তবে আভ্যন্তরীণভাবে আসপাশের এলাকা, জন বসতি, ভূমিতে তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে আরম্ভ করেছিল।ইউরোপীয়দের সাহায্যে আমহারা সম্রাটরা অনেক শক্তিশালী অস্ত্রের ভান্ডার গড়ে তোলে। সেই অস্ত্র ওরোমোদের উপর প্রয়োগকরেছিল। আবিসিনিয়রা ওরোমোদের যাযাবর জীবন –যাপনের বিরুদ্ধে ভূমিকা রাখে। পশুচারণের পরিবর্তে কৃষিতে উদ্ভুদ্ধ করে। ওরোমোদের বাড়তি আয় নিজেদের জন্য সংরক্ষণ করতে পারট না। বরং বাড়তি আয়ের অংশ তাদের কে সামন্ত ভূমি মালিকদের সাথে ভাগাভাগি করতে হত। এমনকি স্থানীয় দালালদের হাতে তাদের বাড়তি আয় তোল দিতে হত। মাঝে মধ্যে তাদের কে জোর করে খ্রীস্টান বানানো হত। অন্যদিকে সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের প্রতিবাদে ওরোমোদের অনেকেই ইসলাম গ্রহন করতে পারে। অধিকাংশ ওরোমো স্বচক্ষে দেখতে পায় যে তারা আমহার কিংবা রাষ্ট্র প্রতিনিধিদের খোলামেলা শোষণ আর নির্যাতনের শিকার। তাদের সংস্কৃতি প্রতি আগ্রাসন চলছে। যেমনটা ইউরোপীয় শক্তি তাদের উপনিবেশে করেছে কিংবা করে চলেছে।

সম্রাট হেইলে সেলাসি (Haile Selassie) শাসনকাল ১৯৩০-১৯৭৪ সাল পর্যন্ত। তিনি ওরোমোদের আনুগত্য লাভের জন্য নানা কৌশল গ্রহন করেন। কিছু ওরোমো নেতার সাথে ঐক্য গড়ে তোলেন। তাদের মধ্যে আমহারাদের সাথে যারা মিশে গেছে কিংবা খ্রীষ্টান নাম গ্রহন করেছে তাদের কেই বেছে নেন। ওয়ালেগা (Wollega) সোয়ান( Shoan) ওরোমোরা এই আবেদনে সাড়া দেয়। তবে অন্যান্য অঞ্চলে সম্রাট আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের প্রক্রিয়ায়, দেশের সীমানা নির্ধারণ করা, আমলাতন্ত্র তৈরি করা, বিশাল সেনা বহর প্রতিষ্ঠা মাধ্যমে সমগ্র অঞ্চলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন। ফলে ওরোমা নিজেদের শাসন হারায় আর সম্রাটের অধীন প্রজায় পরিণত হয়। তাদের প্রতি নির্যাতন, নিপীড়ণ বেড়ে যায়। অন্যায্য শাসন, অবিচার চলতে থাকে। এই অত্যাচার নির্যাতন থেকে বাঁচার জন্য অনেকেই থেদের প্রাচীন ধর্ম ত্যাগ করে খ্রীস্টান হতে আরম্ভ করে। সরকার কর্তৃক কোন দুষ্প্রাপ্য বস্তুর বন্টণের সময়, ওরোমোদের বাদ দেয়া হত কিংবা কম গুরুত্ব দেয়া হত। এই ক্ষেত্রে আমহারা জনগোষ্ঠীকেই সর্বদা প্রাধান্য দেয়া হত। অন্যদিকে ইথিওপিয়া ইতিহাসে সবচেয়ে ভাল ফসল ফলে ওরোমিয়া অঞ্চলে। ওরোমোরা কৃষি উৎপাদনে বিশাল ভূমিকা রাখে। তাদের উৎপাদিত কৃষি পণ্যই বাইরে রপ্তানী করা হয়। কফি, তেল বীজ, চামড়া, চামড়াজাত পণ্য উৎপাদনে ওরোমোদের অবদান বেশি। সম্রাট তার সাম্রাজ্যে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা করে তাদের জন্য বিশেষ পারিতোষিক প্রধান করতেন। অন্যদিকে কৃষক, প্রান্তিকচাষী, পশুপালনকারি জনগন বাড়তি করের বোঝার কবলে চাপা পড়ে। ১৮৫৫ সালের পর থেকে যে ওরোমোদের উপর যে নির্যাতন – নিপীড়নের শাসন আরম্ভ হয়। এর ব্যাপকতর মাত্রা বৃদ্ধিপায় হেইলে সেলাসির আমলে। এই আমলে জাতি রাষ্ট্রের আদল বদলে যায়। রাষ্ট্রের সার্বভৌম- অলঙ্ঘনীয় সীমানা নির্মাণ করা হয়। ফলে ওরোমোদের জাতিতাত্ত্বিক সত্ত্বার ভেতর এক আঘাত আসে। নিজেদের উপর মারাত্মক প্রভাব রাখে। তারা আমহারাদের আধিপত্য,কর্তৃত্বকে না মানা প্রবণতা তৈরি হয়। মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন আন্দোলন গড়ে ওঠে। এইসব আন্দোলনের মধ্যে, ১৯২৮-৩০ পর্যন্ত চলা আজেবুরা (Azebo Raya), বেলে (Bele ) ১৯৬৪-১৯৭০ এর কথা বলা চলে।

১৯৩৬ সালে, পশ্চিমা ওরোমো কনফেডারেশন গঠিত হয়। এই ফেডারেশনের উদ্দেশ্য ছিল ইথিওপিয়া থেকে নিজেদের কে আলাদা করে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্টা করা। এই উদ্দেশ্যে সাধনের জন্য ওরোমোদের ৩৬ জন গোত্রপ্রধান একটা চুক্তি করে। ইতিহাসে এই চুক্তি পশ্চিমা ওরোমো কনফেডারেশন নামে পরিচিত। এই চুক্তির অধীনে তারা প্রথমে নিজদের কে শাসন করার জন্য লীগ অব নেশনের অধিনে অছি হিসবে দিতে রাজি ছিল। ইংরেজরা হেইলে সেলাসিকে ক্ষমতা পুনঃবহাল করেলে তাদের উদ্দশ্যে আর সফল হয়নি।ওরোমোদের নিজস্বজাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ ভেস্তে যায়। বলতে গেলে ওরোমোদের আর কোন রাজনৈতিক দল গঠনের অনুমতি দেয়া হয়নি। ১৯৬৫ সালের আগে আর কোন জাতীয়তাবাদি আন্দোলন চোখে পড়েনি।

১৯৬৫ সালে শিক্ষিত ওরোমোদের মধ্যে পূর্ণ নাগরিকতার জন্য যে আন্দোলন চালানো হচ্ছিল তখনই জন্ম নেয় নতুন একটি সংগঠন মিচা-তুলেমা (Mecha-Tulema)। এই দলের নেতৃত্বে ছিল ওরোমোদের দুইটি বংশ –বা গোষ্ঠী। নিজেদের পরিচিতি, স্বত্তার বিকাশে গড়ে উঠা সংগঠনের উদ্দেশ্যে নিজেদের কে আত্মনির্ভরশীল হিসাবে গড়ে তোলা; এই সংঠন অতিদ্রুত সমর্থন লাভ করতে থাকে। একবছরের মধ্যে এই সংগঠনের কর্মী দাড়য় ৩০০,০০০ সদস্য। দক্ষিনের আরোসী এলাকায় এই কার্যক্রম বেশি গুরুত্ব পায়। এই এলাকার ভূমির উপর ওরোমোদের নিজের মালিকানা ছিল। সম্রাটের শাসনের অধীনের আসার পর তারা সাধারণ প্রজায় পরিনত হয়। এই সংগঠনের নেতারা সবাই ছিল শিক্ষিত। অন্যদিকে এই নেতারা নিজেরা আমহারিত্ব বরণ করেছিল। শিক্ষা অর্জনের পর নিজেদের সংস্কৃতি, পরিচিতি প্রতি আগ্রহ, উদ্দিপনা লাভ করে। কাজেই তাদের ন্যায্য অধিকার, সমানাধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন সংগ্রাম কে বেছে নেয়। ওরোমো বুদ্ধিজীবিদের দাবী ছিল পূর্ণ নাগরিকতা, প্রথম শ্রেণীর মর্যদা, আমহারাদের সমান সুযোগসুবিধা। পূর্ণ স্বাধীনতা তাদের দাবী ছিল না।

মিচা- তুলেমা দলের প্রধান নেতা ছিল টাডেসি বিরো (Tadesse Biru)। তিনি ছিলেন ইথিওপিয়ার পুলিশ ও প্রাদেশিক বাহিনীর সাবেক জেনারেল। তিনি সোয়ান –ওরোমো পরিবারে জন্ম নেন এবং নিজেকে আমহারিক সংস্কৃতিতে গড়ে তোলেন। তিনি রাজনৈতিক দল গঠনের আগে পর্যন্ত তাঁর পরিচয় দৃশ্যমান ছিলনা। দক্ষিনের শহরাঞ্চলের সভাসমাবেশে তিনি হাজির হতেন, বক্তব্য রাখতেন, মানুষকে সচেতন করতেন।নিজেদের ন্যায্য দাবির প্রতি আরো বেশি করে আন্দোলন করার জন্য মানুষ উৎসাহ দিতেন।আমহারাদের হাতে যে নিজস্ব সংস্কৃতি বিনষ্ট হয়েছে তাই তিনি অতি যত্ন সহকারে মানুষকে জানানো প্রয়োজন মনে করেছেন। এইদিকে হেইলে সেলাসি সরকার তাঁকে ১৯৬৬ সালে গ্রেপ্তার করে। বিচারে তাঁর মৃত্যুদন্ড হয়। পরে তার শাস্তি কিছুটা মওকুপ করা হলেও সারাজীবন জেলে থাকতে হয়েছে। তাঁর প্রতিষ্ঠিত দল মিচা তুলেমাকে নিষিদ্ধ করা হয়। অনেক নেতা কর্মীকে বিচারের আওতায় এনে শাস্তি দেয়া হয়। এই দলের কার্যক্রম স্বল্প স্থায়ী হলেও অনেক গুরুত্ব বহন করে। ইথিওপিয় সমাজ ও রাষ্ট্রে তাদের প্রভাব নানা কারণে অনেক সূদুর প্রসারি প্রভাব রাখে। যেমন ক) ওরোমো জাতির অভিজাত শ্রেণী আমহারা জাতির সাথে যে অঙ্গীভূত হওয়ার অঙ্গিকারে করেছিল তা প্রশ্নবিদ্য হয়ে যায়, খ) ওরোমোদের আত্মনির্ভরশীলতার দাবি শক্তিশালী হতে দেখা যায়, গ) নিজস্ব জাতিসত্ত্বার অধিকার আদায়ের দাবি শুধুমাত্র রাজনৈতিক দল কে নিষিদ্ধ করার মাধ্যমে দমানো যাবেনা, ঘ) এই আন্দোলন ওরোমোদের সংস্কৃতির প্রতি তাদের কে সহানুভূশীল, আবেগি করে তোলে এবং ঙ) ইথিওপিয় সমাজে যে রাজনৈতিক – অর্থনীতি গড়ে উঠেছিল তার সাথে বিরোধপূর্ণ –বৈসাদৃশ্যমূলক সম্পর্ক তৈরি করে।

তবে এখানে উল্লেখ্য যে এই আন্দোলন ছিল নিয়মতান্ত্রিক, সহিংসতা ছিল না। কিন্তু বেলে বিদ্রোহ ছিল সহিংস আন্দোলন। এই সব আন্দোলন কঠোরভাবে দমন করা হয়। কিন্তু ১৯৭৩ সালে জন্ম নেয় ওরোমো লিবারেশন ফ্রন্ট (Oromo Liberation Front- OLF)। তাদের দাবী হল ইথিওপিয়া থেকে আলাদা হয়ে সম্পূর্ণ স্বাধীনতা অর্জন করা। তাদের দাবি ছিল সমগ্র ওরোমোদের কে নিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করা। মিচা-তুলেমা অপেক্ষা অনেক বেশি সক্রিয় তাদের দাবি। তবে তাদের দেখানো পথেই এই দলের জন্ম হয়। অনেকেই ওরোমো লিবারেশন ফ্রন্ট কে মিচা-তুলেমা সন্তান বলে দাবী করে। ১৯৭৪ সালে এই দলের নেতৃত্বে সহিংস আন্দোলন গড়ে ওঠে হারারগে প্রদেশে (Hararge Province)। তবে ইথিওপীয় সম্রাটের পতন হলে, কিছুদিন তাদের কার্যক্রম বন্ধ রাখে। ১৯৭৬ সালে আবার তা ছড়িয়ে পড়ে। এইসময় তাদের আন্দোলন মাত্রা আরোবেগমান হয়। পশ্চিমে ওয়ালেগা অঞ্চলে তার বিস্তারলাভ করে।

সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৫:০৫
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সংকীর্ণ মন

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩৮


রাস্তার মোড় যেনো সংকীর্ণ মন
ঘর উঠনে রাখবে আর কত কাল
চোখের নেশায় লালসার আগুন
জ্বলছে নিভবে না আর অমরণ

কখন মন জানালায় দেখেছ পায়রা
ভাবনার সফলী মাঠে যাচ্ছে উড়ে
দেখো নাই যে শান্তির পায়রা মন-
সংকীর্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুই হাজার বছরের এক খেলা কীভাবে জমিদারি হয়ে উঠল

লিখেছেন রাজসোহান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯



১৮৮৩ সালের ৩১ মার্চ, লন্ডনের কেনিংটন ওভাল। এফএ কাপের ফাইনাল।

এক দলের নাম ওল্ড এটোনিয়ানস। ইটন কলেজের প্রাক্তন ছাত্রদের দল। ওইদিন মাঠে নামা এগারোজনের ভেতর ছিলেন একজন ব্যারনেট, একজন ল্যাটিন ভাষার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই আন্দোলনের সম্ভাবনাময়, রৌদ্রোজ্জ্বল মুখগুলো ডানপন্থার অনুরাগী হচ্ছে! দায় কার?

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৩



জুলাই আন্দোলনের অন্যতম সেই আইকনিক ফটো--যেখানে দেখা যাচ্ছিল একটা ভার্সিটির ফাস্ট কি সেকেন্ড ইয়ারের মেয়ে পুলিশের গাড়ি আটকাচ্ছে, ওর ভার্সিটির এক বড় ভাইকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিলের কোনো রসিদ নেই

লিখেছেন রাজসোহান, ০৩ রা আগস্ট, ২০২৬ রাত ১১:২৪



ঢাকার পাইপলাইন গ্রাহকদের একটা বড় অংশ এই জুলাইয়ে জানিয়েছেন, দিনে এক থেকে দুই ঘণ্টার বেশি গ্যাস তাঁরা পান না। সেই এক-দুই ঘণ্টাও আসে গভীর রাতে কিংবা ভোরের আগে। ফলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছাত্রদলকে সামলাতে না পারলে ক্যাম্পাসগুলো সহিংসতায় পূর্ণ হবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৪ ঠা আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮


রাতে রংপুর, সকালে জগন্নাথ। আজকে জগন্নাথে ছাত্রদলের হামলার শিকার একযোগে সব বিরোধী দল। এসব কি ছাত্রদলের কাজ? নাকি ছাত্রদলের ভেতর ছাত্রলীগ প্রবেশ করেছে? জকসু জিএসের জীবন আশংকাজনক। দেশে যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×