অযুত নিযুত কালে কোন এক রমনী
হেসে হেসে বলেছিল,
তুমি বড্ড সুন্দর পুরুষ
বাহুডোরে বেঁধেছিল তারে
উত্তপ্ত আলিঙ্গনে করেছিল মাতাল
দেহের প্রতিটি শিরা উপশিরা নেচেছিল
উদ্দাম সারা শরীর যেন কর্ষিত ভূমি;
শিল্পীর নিখুঁত চিত্র কল্পে সাজানো হয়েছিল জিন।।
সেকালে পুরুষ ছিল দেবতা আর নারী দেবি
আজ উত্তর পুরুষে রক্ত মাতাল, অশ্লীল জিন
নারীরা মুক্তির কান্ডারি, বড্ড বেশি স্বাধীন।
বেগানা পুরুষ কামাসক্ত; লোভে মত্ত, চক্ষুশূল,
নারীর বাড়ন্ত শরীর দেখে ক্লেদাক্ত;
মননে ধরে জ্বলন, তৃষিত আত্মার উগ্র দহন।।
এক ফোটা জলে চায় তৃষ্ণার নিবারণ,
কখনও উত্তাল ঢেউয়ের মত আচড়ে পরে
নেকড়ের মত হামলে পরে,
পুরুষালী শক্তির দাপটে কেঁপে উঠে ভূমি;
যখন নিষ্পাপ শিশুর কোমল দেহে করে অত্যাচার
ধিক হে পুরুষ, তোমার অন্তর কি আজ কলুষিত?
ধিক আমাকে, আমিও পুরুষ!!
অযুত নিযুত কালের উত্তর প্রজন্ম হে পুরুষ
তোমার পৌরুষের অহংকার তুমি
ভালবাসা অপরাধ নয়, মননের শ্লীলতা চাই।,
মায়া আর মমতায় ভালবাস তুমি;
তোমার আরাধ্যদেবী তিন সত্যি বলে দিব্যি দেবে
কোন এক ক্লিওপেট্টা,
একদিন জানাবে ফুলেন সম্ভাষণ;
সেদিন সমগ্র মানব জাতি উদাত্তকন্ঠে
গাইবে তোমার প্রেমের গান;
আগামী প্রজন্ম তোমারি রক্ত প্রবাহ
তোমারি জিন বয়ে চলে কোমল দেহ।।
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর বয়ে চলেছে মানুষ,
সুখ দুখ জীবন জিন।
নর আর নারীর মিলন মেলায়
তুমি আর আমি কেবলি এক জোর বাঁধন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
