নিম্নোক্ত শর্তসমূহ যদি আহলে কিতাবের মেয়েদের মধ্যে থাকে তবে বিয়ে করা যাবে;
১.প্রকৃতপক্ষেই আল্লাহকে ইলাহ হিসেবে মানে।
২.নিজের ধর্ম আন্তরিকভাবে পালন করে।
৩.সন্তান-সন্তুতি পিতার অর্থাৎ মুসলিম পরিচয়ে বড় হবে।মায়ের পরিচয়ে বড় হতে পারবে না।
৪.মুসলিম পুরুষ যাতে নিজের দ্বীন ছেড়ে তার দ্বীনের দিকে অভ্যস্ত না হয়।
বিশেষ দ্রষ্টব্য : বর্তমানে অধিকাংশ ইহুদি-খ্রিস্টান আল্লাহকে বিশ্বাস করে না অর্থাৎ তারা নাস্তিক।তারা আহলে কিতাব দাবী করলেও তাদের বিয়ে করা যাবে না।উপরোক্ত শর্ত পালন করলেই কেবল বিয়ে করা যাবে।
আল্লাহ তায়ালা কুরআনে বলেছেন, "আজ তোমাদের জন্য যাবতীয় ভাল ও পবিত্র বস্তু হালাল করা হলো আর যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের খাদ্য তোমাদের জন্য হালাল, আর তোমাদের খাদ্য তাদের জন্য হালাল, সচ্চরিত্রা মু’মিন নারী এবং তোমাদের পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের সচ্চরিত্রা নারী তোমাদের জন্য হালাল করা হলো যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর, বিবাহের দূর্গে স্থান দানের উদ্দেশ্যে, ব্যভিচারী হিসেবে নয় এবং গোপন সঙ্গী গ্রহণকারী হিসেবে নয়। কেউ ঈমান অমান্য করলে, তার কার্যাদি নিষ্ফল হবে। আর সে আখেরাতে ক্ষতিগ্রস্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।[সূরা মায়িদা,আয়াত;৫]
ইবনে আবি হাতিম (রঃ) হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। যে, যখন মুশরিকদেরকে বিয়ে না করার হুকুম নাযিল হয় তখন সাহাবায়ে কিরাম তা থেকে বিরত থাকেন। অতঃপর যখন আহলে কিতাবের সতী সাধ্বীদেরকে বিয়ে করার অনুমতি যুক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয় তখন জনগণ তাদেরকে বিয়ে করেন। সাহাবীদের একটি দল এ আয়াতটিকে দলীল হিসেবে গ্রহণ করতঃ খ্রীষ্টান নারীদেরকে বিয়ে করেন এবং এটাকে কোন অপরাধমূলক কাজ মনে করেননি। তাহলে এটা যেন সূরায়ে বাকারায় নিষেধযুক্ত আয়াতের অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু পরে অন্য আয়াত একে বিশিষ্ট করে দিয়েছেন। এটা ঐ সময় প্রযোজ্য হবে যখন মেনে নেয়া হবে যে, নিষেধযুক্ত আয়াতের মধ্যে এটাও শামিল ছিল। নচেৎ এ দুটি আয়াতের মধ্যে কোনই বৈপরীত্ব নেই। কেননা, আরও বহু আয়াতে আলে কিতাবদেরকে মুশরিকদের হতে পৃথকরূপে বর্ণনা করা হয়েছে। যেমনঃ (আরবী) (৩:২০) আয়াত দু'টিতে তাদেরকে মুশরিকদের হতে পৃথকভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



