somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

ইনসাফ১
অন্যের মতামত কে শ্রদ্ধা করাই গনতন্ত্র । আর অন্যের মত কে বিবেচনা না করার কারনেই বিশ্বজুড়ে আজ সন্ত্রাশ ছড়িয়ে পড়ছে। সর্বোপরি মানব সমাজে ন্যায়বিচার না থাকাতেই আজ এত অশান্তি। তাই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাই সবার লক্ষ হওয়া উচিত।

ভেজাল

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

খাদ্যে এবং ওশোধে ভেজাল মিশানো একটি মারাত্বক অপরাধ। এটি জীবন মরন সমস্যা। যারা এই সব জঘন্য কাজ করেন তাদের কে শাস্থির ব্যাবস্থা বা এর প্রতিরোধ করা ত দুরের কথা বরং তাদের কে ফুলের মালা দিয়ে নিজের দলে বরন করা হয়। উনারা রাজনৈতিক ডোনার হিসাবে কাজ করেন। ফলে খমতাই যেয়ে ঐ সব দলগুলো তাদের বিচার করেনা। এই সব সমসসার কথা আমরা প্রাই বলে থাকি তা টক শ গুলোতে আলচনা হয় কিন্তু সমসসার সমাধান ত হচ্ছে না। তাহলে কি এর কোন সমাধান নাই? অবশ্যই আছে আজ ইউরোপ আমেরিকা জাপান ,জার্মান সহ অনেক দেশেই এই সব সমস্যা না বললেই চলে। তাহলে তারা করল কিভাবে? হাঁ তার ও উত্তর আছে ।তাহলো মুসলমানরা যখন ৬ষ্ট শতক থেকে মাদিনা -মাক্কা থেকে শুরু করে ইউরোপের অরধেক দখল করল। শিক্ষা দিক্ষা শিল্প কলকারখানায় চরম নিশঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছে, তখন ইউরোপের বড় বড় দেশের বুদ্ধিজীবীরা মিটিং সিটিং গবেশনা শুরু করল ,তারা মুসলিম দেশ গুলোর ভিতর গোয়েন্দা পাঠাল ।তারা দেখে গেল মুসলমান রা মিথ্যা বলে না, মদ গাজা খাই না, জিনা ব্যাভিচার করে না একজন আর একজন কে ফাকি দেয় না , প্রতারনা করে না, অনৈতিক কোন কাজই করে না । তারা স্বিদ্ধ্যান্ত নিল মুসলমানদের প্রতিরোধ করতে হলে প্রথমত সমাজ থেকে সকল শোষণ, দুরনিতি, অনিয়ম দূর করতে হবে দ্বিতিয় মুসলমানদের মধ্যে অনক্য জিনাবাভিচারের মতন জঘন্য অপরাধের বীজ বপন করতে হবে।অরথাত একদিকে তারা নৈতিকতার বা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে লাগল অপরদিকে বড়
বড় উপধোউকন দিয়ে গোয়েন্দাগিরি করে মুসলিম শাসকদের ভিতর জিনাব্যাভিচার থেকে শুরু করে সকল অনৈতিক কাজ চালু করতে সক্ষম হলো। ফলে মুসলমানরা ধিরে ধিরে দুর্বল হতে লাগল অপরদিকে তারা কুরানের কঠোর আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে উন্নতির দিকে এগুতে থাকল , পাঠক একটু খেয়াল করুন মুসলমান শাসকগণ কতটুকু অধপতনহলে স্বয়ং আল্লাহর রসুল (সঃ) এর নাতি কে হত্যা করতে পারে ? ইমাম দের জেলে দিতে পারে? ইমাম বলতে এখানে ইমাম আবুহানিফা,সাফেই, প্রমুখ ইমামদের বুঝানো হয়েছে, সেই যে অধপতন শুরু হলো আজও সেই ধারাই চালু আছে , মুসলমান্দের এই নৈতিক দুরবলতার সুজোক নিয়ে উরোপিয়ানরা মুসলিম দেশ গুলো আক্রমন করে একের পর এক দখল করে নিল । মুসলমানদের হাত থেকে কুরআন কেড় নিল । আমি আর ইতিহাস লম্বা করব না , শুরু হল উপমহাদেশ ব্রিটিশ শাসন ,শুরু হলো হিন্দুদের দারা মুসলমান নিরজাতন, মক্তব দিয়ে শুরু করল ।শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলতে জিহাদি হুকুম আহকামের কুরানের আয়াত গুলো বাদ দিয়ে শুধু মাত্র বিয়ে সাদি নামাজ রোজার মতন অত্যাবশ্যকীয় মাসলা মাসায়েল দিয়ে পাথ্যসুচি তৈরি করা হল। সমাজনিতি রাজনীতি মুসলমানদের জন্য হারাম করা হলো, একশ্রেণীর আলেম উলামা ইংরেজদের গোলামি শুরু করল, দেওবন্দের মতন বড় প্রতিশটানে বসে ফতুয়া দিয়ে জিহাদ হারাম করে রাখল । সেই জে ইংরেজ রা ভেজাল শিক্ষা দিয়ে গেল আজ পরজন্ত তা পরিবরতন হয়নি, সে দ্বিমুখি শিক্ষা আমাদের কে চিরতরে পঙ্গু করে রেখেছে, এর থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় হলো আবার সেই কুরানের হুকুম আর রসুল (সঃ) এর সুন্নত উনুযায়ি দেশের স্বাসন ব্যাবস্থা প্রতিশটা করে আবার সেই সাহাবিদের মতন দ্রিড় ইমান ফিরিয়ে আনতে হবে। মানুষের মধ্যে আবার সেই তাকওয়া বা আল্লাহ্‌ ভীতি নিতি নৈতিকতা তৈরি করতে হবে তাহলে কেবল এই ভেজালের মতন অভিশাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। আসুন আমরা স্বপত নিই আমরা সকল প্রকার অনতিকতা, ঘুস-দুরনিতি, জিনাবাভিচার পরিহার করে চলব, যারা এগুলো করে তাদের কে পরিত্যাগ করব, জেসব রাজনৈতিক দলের কর্মী রা এ গুলো করে আমরা তাদের সমরথন দেওয়া থেকে দূরে থাকব। শুধু মাত্র সৎ ব্যাক্তিদের কেই নিরবাচিত করব। ঔষধ সহ সকল খাদ্য দ্রব্যের ভেজাল প্রতিরোধ করব। স্লোগান তুলি রাষ্ট্র যেহেতু সবার সেহেতু আইন সবার জন্য অবশ্যই সমান হতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৩৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

তাসালসুল (অনন্ত পশ্চাদগমন), প্রথম সৃষ্টি ও ‘আকল’: কুরআন-সুন্নাহর আলোকে একটি সতর্ক অনুসন্ধান

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:৩৭


ভূমিকা
সৃষ্টিজগতের অস্তিত্ব নিয়ে মানুষের অন্যতম প্রাচীন প্রশ্ন হলো,সবকিছুর শুরু কোথায়? যদি প্রতিটি সৃষ্ট বস্তুর অস্তিত্বের জন্য তার আগে আরেকটি সৃষ্ট বস্তুর প্রয়োজন হয়, এবং সেই নির্ভরতার ধারা কখনো শেষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মরিয়ম খাতুন জীবন থেকে ছুটি নিয়েছে

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:১৮



মরিয়ম খাতুন। মাত্র ১৯ বছরের একটি মেয়ে। ৭৫ বছরের বুইড়া পাঁঠা গাজী নজরুলের লালসার শিকার হয়ে জীবন থেকে ছুটি নিয়েছে। শুধুমাত্র একটি ছোটখাটো চাকুরী সুপারিশের জন্য গিয়েছিল। তখনই ১৯... ...বাকিটুকু পড়ুন

⌛️ সক্রেটিসের আত্মানুসন্ধান

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৫



প্রাচীন গ্রিক দর্শনের মহান পুরুষ সক্রেটিসের আত্মানুসন্ধান বা "নিজেকে জানো" তত্ত্বটি মানুষের ভেতরের ঘৃণা, গোঁড়ামি এবং অজ্ঞানতা দূর করার সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। সক্রেটিসের মতে, মানুষের সমস্ত নৈতিক স্খলন ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লো, পকেট খালি হলো সাধারণ মানুষের!

লিখেছেন ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩


জীবনটা আজকাল বড় অদ্ভুত নিয়মে চলছে। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার সময় এক রকম থাকে, আর সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি দুনিয়াটা সম্পূর্ণ বদলে গেছে। গতকাল রাত বারোটা এক মিনিট থেকে জ্বালানি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্যামিলি কার্ডের স্বার্থে তেলের দাম বৃদ্ধি মেনে নিতে হবে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৯


দীর্ঘ সতেরো বছর পর আমরা পেয়েছি একটি নির্বাচিত সরকার । অনেকে ভালোবেসে ইহাকে জনগণের সরকার বলে থাকেন । জনগণের সরকারের উপর একটু আস্থা রাখুন । সরকারকে সময় দিন ;... ...বাকিটুকু পড়ুন

×