সকাল থেকেই কেন জানি ইন্টারনেট বন্ধ ছিল, তাই কোথাও ঢু মারা হয়নি। তাই বাসায় এসে নেট পেয়েই একটু করে সব জায়গায় ঢু মারা শুরু করলাম।
সাকা ও মুজাহিদের রিভিউ আবেদন যে আজ হবে তা গতকালই জেনেছিলাম কিন্তু তারেক জিয়ার জন্মদিন আগামীকাল তা জানা ছিল না। প্রথম আলোর "তারেকের জন্মদিনের অনুষ্ঠান স্থগিত" সংবাদটি দেখে পড়লাম। আগামীকাল তারেকের জন্মদিনের নানা প্রোগ্রাম স্থগিত করা হয়েছে, কারণ হিসাবে তেমন কিছুরই উল্লেখ নেই। তবে কারণটি যে দলীয় নেতা সাকার ও সহযোগী দলের নেতা মুজাহিদের কারণে তা পত্রিকাটি নিজেই উল্লেখ করেছে। যদিও বিএনপির থেকে রায় নিয়ে এখনও কোন প্রতিক্রিয়া জানায় নি।
কিন্তু কথা হল, দুইজন যুগ্ধঅপরাধীর ফাঁসির রায়ে চিন্তিত হয়ে দলটি তারেক জিয়ার জন্মদিন পালন পেছাতে পারে তবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর মৃত্যবার্ষিকীতে কেন খালেদা জিয়া নিজের জন্মদিন পালন পেছাতে পারবেন না!
তাছাড়া সেই জন্মদিন নিয়ে তো নানা বিতর্ক আছে, মেনেই নিলাম সেটাই আসল জন্মদিন। কিন্তু সেটাতো প্রথম প্রহরে পালন না করে কিছুটা বিলম্বে পালন করা যেতে পারে। যদিও আমাদের দেশে কোন দলই অন্য নেতাদের সন্মানটুকুও দেয় না, যেটা দেয় সেটাও নিজের দরকারে। তা না হলে আজ মাওলানা ভাসানীর কথা, বড় বড় ব্যাক্তিতের কথা ভুলে যেতে হতো না।
এই দেশ গঠনে যেমন বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা আছে, সেক্টর কমান্ডার হিসাবে জিয়ার ভুমিকাও কম না। তাছাড়া আইন যাই বলুক না কেন স্বাধীনতার ঘোষক হিসাবে সবাই জিয়াকেই চিনে। ভূলতো সবাই করে, মুজিব করেছিলেন, জিয়া করেছিলেন তাই বলে একদল আরেক দলের নেতাকে পাকিস্থানি বলে গালি দেয়াটা মানায় না। বর্তমানে খালেদা ও হাসিনার ছবি শুধু ইতিহাসই হয়ে আছে, অথচ তারা চাইলেই নিজেদের ও অন্যের সন্মানটুকু দিতে পারে ও আদায় করে নিতে পারে।
যাই হোক, একজন বাঙালি হিসাবে আজও আশা রাখি, দলীয় নেতারা দেশের হয়ে কাজ করবে। অন্যের ভূলের চেয়ে ভালো কাজগুলোর চর্চা করবে, সকল সময় দেশের জন্য কাজ করবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




