প্রতয় , প্রজ্ঞা ,প্রিতম তিন বন্ধু।তিন জনের নামই প্র- দিয়ে তাই ক্লাসের সবাই ডাকে থ্রি-মাস্কেটিয়ার্স ।যদিও ওরা নিজেদের ডাকে বন্ধু বলে ।বন্ধু প্রজ্ঞা্,বন্ধু প্রিতম , বন্ধু প্রত্যয়…
……
একই ডিপার্টমেন্টে পড়ে।ভবিষ্যত যন্ত্রমানব(Mechanical Engineer)।যন্ত্রের ছিটে ফোটাঁও এখনও তাদের মাঝে দেখা যাচ্ছে না । এই নিয়ে ডঃ মামুন(তিন জনের উপদেষ্টা) খুবই চিন্তিত। প্রতি টার্মের শুরুতে তিনি তাদের নিজের রূমে ডাকেন, তারপর গ্রেড শিট দিয়ে বলেন, “ পঁচা, গন্ধঁ , শরম লাগে না ”…
…
না ওদের শরম লাগে না, কারণ ওরা চায় যন্ত্র মানব হতে ।তাই আনুভুতি গুলো এখন ভোঁতা হয়ে যাওয়ার ট্রেনিং নিচ্ছে।কিন্তু পারছে না।এক্ষেত্রে সবচেয়ে খারাপ অবস্তায় বন্ধু প্রজ্ঞা, আজকাল ও ক্লাসে তার পুরনো প্রতিভা পুনরুদ্ধারে ব্যস্ত। ক্লাস নোটকে ক্যানভাসে রূপ দিয়ে ও ভিঞ্চি হওয়ার পথে অনেক দূর অগ্রসর হয়ে গেছে। যদি সে সব স্যারের মনালিসা টাইপ কার্টুন আকাঁ শেষ করতে পারে তবে তাকে মাদাম ভিঞ্চি উপাধি দেওয়ার সকল প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
এদিকে প্রত্যয়ও চেষ্টা করে যাচ্ছে তার পাঙ্গাস মাছের মস্তিষ্ক রুপান্তরের, কিন্তু পারছে কই …।আবার শুনতে হবে, “ পঁচা, গন্ধঁ , শরম লাগে না ”। স্যারদের মাঝে তার অন্য নাম ‘গাব’।এর পিছনে কাহিনীটা এরকম----
একদিন ল্যাবে রিপোর্টে ও graph লিখতে gaph লিখে।স্যারকে তখন আর পায় কে , রিপোর্ট নিয়ে অনেক্ষন গবেষণা করেও ‘ r ’ খুঁজে না পাওয়ায় নামটা মেনে নিতে হয়েছিল তাকে। তাই প্রত্যয় আজ বন্ধু পরিষদে grraph সামনে নিয়ে শপথ নিয়েছে, তার বাকি জীবন সে একটা ‘ r ’ এর জায়গায় সবসময় দুইটা ‘ r ’ লিখবে। একটা মিস হয়ে গেলেও অন্যটা যেন থাকে।
আজ এখানেই থাক । বন্ধু সমাচার অন্যদিন...
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০১০ ভোর ৪:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


