কারো জন্য ভালো, কারো জন্য মন্দ , আবার কারো জন্য বিনোদনে টইটুম্বুর।
পেছনের দিকে তাকিয়ে মনে হলো সবগুলো ঘটনা সংগ্রহ করে ফেললে কেমন হয়....
কিন্তু সমস্যা হইল ২০১৩ এর মত এবছর তেমন ঘটনাবহুল না,মখা চাচা অথবা আবুল কিংবা সাহারা মরুভুমি তেমন কোন উক্তি দেন নাই বিনোদুন খাওয়ার মত।
এখানে আবুল বলতে পারতেন – বাংলাদেশের গত ১০ বছরের মোট বাজেট তো কোন টাকাই নয়,এরচেয়ে আমার মেয়ের হাতখরচই বেশি।
সাহারা খাতুন বলতে পারতেন – সাকিব আল হাসান বিস্বসেরা অলরাউন্ডার হবে এটা বংগবন্ধুর স্বপ্ন ছিল।
কিংবা মখা নতুন কোন বিল্ডিং ঝাকি দিয়া ফালায়া দিতে পারতেন।
অবশ্য গত সপ্তাহে অর্থমন্তি বলছেন অশিক্ষিত মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত নয় -
এখানে আমার প্রশ্ন হইল সমাজকল্যান মন্ত্রি তাহলে কোন স্পিশির অন্তর্গত?

লতিফ ফাউল সিদ্দিকী এবং বাংলায় বীরশ্রেষ্ঠগরু তারেক রহমানে অবশ্য লন্ডনে বসে কয়েকবার আলোচনায় আসার চেস্টা করছেন,জিরো ফেসবুকের কল্যানে আলোচনায় এসেও গেছেন।তবে এদের গোনায় ধরছি না।
এছাড়া গত বছরের মত ক্রিকেটেও নাই তেমন কোন অর্জন,জিম্বাবুইয়ের সাথে ৮-০ তে বাংলাওয়াশ তেমন বড় কিছু না।তবে জিম্বাবুইয়ের বোলারের উদ্দেশ্যে মুশফিকের খাটি বাংলায় গালি এবং মারমুখি আচরন(যা দেইখা বোলার দৌড় মারছিল আরেকটু হলে) সম্ভবত আমাদের সেরা অর্জন।
আর ম্যান অব দ্যা ইয়ার নিংসন্দেহে নাজমুল হাসান পপকর্ন।
ঐশির উত্তরসরী সেরা বিরাঙ্গনার পুরুষ্কার এবছর চলে গেছে থার্ড গ্রেডের **** অভিনেত্রি হ্যাপির কাছে। [ইচ্ছামত শুন্যস্থান পুরন]
নোমিনেশন পাইছিলেন– নায়লা নাঈম,শেখ হাসিনা,খালেদা জিয়া এবং রওশন এরশাদ।
সেরা বোলার অব দ্যা ইয়ার – রুবেল হোসেইন [নিজেরেই বোল্ড করে দিছেন]
ফেসবুকে ২০১৪ সালে - এড মেহ আই এম বলদ , মাইরালা কেউ আমারে মাইরালা এবং তুমি এত্তগুলা পচা – এগুলা পুরাতন হইয়া যাওয়ার দরুন জনমনে বিনুদুন সৃস্টি করতে পারে নাই।
ফেসবুক ফান অব দ্যা ইয়ার – সীডাটিভের হুডি + আরিফ & হোসাইনের মগার মগার অভিজ্ঞতা।
আরিব্বাই নিসংন্দেহে ২০১৪ সালের সবচেয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মানুষ।তার স্ট্যাটাসগুলা এরকম কইরা শুরু হইছে-
গতকাল অমুকখানে গেছিলাম
এরপর মা বাপ দাদা নানা নানী ১৪ গুস্টি টাইনা আইনা পোস্টে ৩০ হাজার লাইক।
এছাড়া রেডিওমুন্নার – অনলাইনে থাকা সকল মুসলমান লাইক দিন,লাইক না দিলে ঈমান থাকবে না,কিংবা ১ লাইক= ১০০ জুতার বাড়ি – এগুলা নিঃসন্দেহে বিনোদুনের শীর্ষে থাকবে।
সেরা মৃত্যু হচ্ছে গু আজমের হঠাত করে পটাস।
আর হারিয়ে যাওয়া অফ দ্যা ইয়ারে আছে বি এন পি নামক বাংলাদেশের এক রাজনৈতি দল।সেরা উক্তিও গেছে তাদের ঝুলিতে আর তা হলো – ঈদের পরে আন্দোলন। ডিঃ
শাহাবাগের ছাগলগুলার ফেসবুকে লাইক বাড়া ছাড়া তেমন কোন পরিবর্তন হয় নাই।

শেষ মুহুর্তে২০১৪ সাল আর আমার কম্পিউটারের হার্ডিস্কের দিকে তাকায়া দেখি পুরাই লালে লাল।এর মুলে আছে বাশ আর বাশ।
কয়েক টেরাবাইট বাশ দিছি বাংলালিংক রবি কে।আর হারামিরফোনকে কত দিছি তার কোন হিসাব নাই।মোবাইল সেট ফ্লাসমারছি (ফ্লাস কেমনে মারে সেটা জানতে) আর কম্পিউটারে মারছি উইন্ডোস ১০ ইন্সটল,নাইলে বাশের পরিমান জানাতে পারতাম।
জিপিকে ধন্যবাদ আমার সিক্রেট সার্ভার ধরতে না পারার কারনে।এজন্য জিপি আমার তালিকায় বেশ কয়েকটা এওয়ার্ড পাইছে -
অফার অব দ্যা ইয়ার – ১৫ টাকায় ১৪৪০ এমবি এবং ১২ টাকায় ১ মাস আনলিমিটেড।
বিরক্তি অব দ্যা ইয়ার – খেলায় ওভারের মাঝখানে বিরক্তিকর গান নিয়ে জিপির এডভের্টাইস ।
এডভের্টাইস অব দ্যা ইয়ার – রাত ১০ টা বাজে,এখনো বাড়ি ফিরলো না – এটা ভালো লাগছে।
টিভি চ্যানেল অব দ্যা ইয়ার – হারামির গাজী টেলভিশন
ফুটবল বিশ্বকাপ দেখাইছে ,প্যানাল্টির আগে এড
ক্রিকেট খেলা দেখাইছে ,ওভারের মাঝখানে এড।
হতাশা অব দ্যা ইয়ার – বইমেলায় হুমায়ুন আহমেদের নতুন কোন বই নাই।
নিশ্বাস অব দ্যা ইয়ার – এটা আমি নিজেই ছাড়ছি।ব্রাজিল ৭ গোল খাওয়ার পর।
কিন্তু নিষেধাজ্ঞা অব দ্যা ইয়ার নির্ঘাত সাকিব আল হাসান ...... কামড় ম্যান শুয়ারেজকে পিছনে ফেলে
লাকি ম্যান অব দ্যা ইয়ার – এতিম ইকবাল –
যাই করুক,টিমে একটা জায়গা রিসার্ভড।
গেম অব দ্যা ইয়ার – ফার ক্রাই 4
মুভি অব দ্যা ইয়ার – এডজ অব টুমোরো,দ্যা মেইজ রানার, ইন্টারস্টেলার ………. আরো বহুত আছে
ডে অব দ্যা ইয়ার – ১ নভেম্বর – সব বিদ্যুৎ রেলমন্ত্রির মেশিন চার্য করতে খরচ হয়ে গেছে।
আশা অব দ্যা ইয়ার – বাংলাদেশের জন্মদিনে সাদা-নিলের ফেসবুক ঢেকে যাবে লাল-সবুজের পতাকায়।
পারছি কি?
মনে হয় পারছি
৭১ এ নিজেদের মধ্য থেকেই বের হইছে রাজাকার – আলবদর
২০১৪ সালের ১৬ই ডিসেম্বরে এসে সেই টাইপের লোকেরা সবার সাথে এক হয়ে কিছু করবে এরকম ভাবা নিতান্তই ছেলেমানুষি।
আপনাদের জানা উল্লেখযোগ্য কোন ঘটনা বাদ পড়ে গেলে জানাবেন ।
পিলিজ লাগে।
©Ishraque
আমার ফেসবুক নোট হতে কিঞ্চিত পরিমার্জিত।
একটু দেরিতে হলেও - হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০১৫


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


