ইয়াহুদিরা শনিবার ও নাসারারা রবিবার সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন অর্থাৎ পবিত্র দিন ধার্য করে। কিন্তু তা কোনটাই আল্লাহ তায়লার মোননীত দিন ছিল না।
ইয়াহুদিরা বলে শনিবার সকল সৃষ্টির কাজ সমাপ্ত হয়েছিলো। তাই এই দিনটিই শ্রেষ্ঠ। অন্যদিকে নাসারারা বলে রবিবার সকল সৃষ্টির কাজ আরম্ভ হয়েছিলো তাই এই দিনটিই শ্রেষ্ঠ।
হযরত শাফিঈ (র)-র মুসনাদে হযরত আনাস (র) হতে বর্ণিত _
হযরত জিবরাইল (আঃ) একটি আয়না নিয়ে মুহম্মদ (সঃ) এর কাছে হাজির হলেন। তাতে একটি ফোঁটা ছিল। হুজুর (সঃ) জিজ্ঞেস করলেন, এটা কি ? জিবরাইল (আঃ) তখন জবাব দিলেন - এটি শুক্রবার। এই দিনটি দ্বারা আপনাকে আর আপনার উম্মতকে একটি বিশেষ মর্যাদায় ভূষিত করা হইল। এই দিনে রয়েছে 'ইয়াওমুল মজিদ'। অর্থাৎ তা এমন একটি মুহূর্ত যাতে কোন মুমিন যদি ভালো কোন দুয়া করে, তা আল্লাহ তায়লা তা অবশ্যই কবুল করেন।
প্রতিকুল পরিস্থিতির জন্য হিজরতের পূর্বে মক্কা শরীফে মুসলমানদের জন্য এক সাথে হয়ে ইবাদত করা সম্ভব ছিল না। তাই সেখানে জুম্মার নামাজও সম্ভব হয়ে উঠে নি। কিন্তু হজুর (সঃ) এর পূর্বে যারা মদিনায় গমন করে ছিলেন তাদের নেতা মাসআব বিন উমায়ার (র) কে তিনি লিখিত নির্দেশ দেন - জুম্মার দিন বেলা দুপুর গড়িয়ে গেলে, দু' রাকআত নামাজ পড়ে আল্লাহর নৈকট্য লাভ কর। এই নির্দেশ পেয়ে মাসআব বিন উমায়র (র) ১২ জন লোক নিয়ে মদিনায় জুময়ার নামাজ পড়েন।
কিন্তু এর আগেও মদিনায় আনসারগণ আসআদ বিন জিরারাহ (রা) এর আহবানে 'বিয়াযা' অঞ্চলে ১৪০ জন লোক নিয়ে আদায় করেন। সেটি ছিল একটি কবরস্থান। তাকে বলা হতো 'বাকিউল খাজমাত'। এটিই ছিল প্রথম জুম্মার নামাজ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



