হাঙ্গর
প্রাকৃতিকভাবেই এক দক্ষ শিকারী হাঙ্গর। এর মস্তিষ্কে বিশেষ কিছু কোষ রয়েছে, যা অন্য প্রাণীর শরীর থেকে তৈরি হওয়া ইলেকট্রিক ফিল্ড শনাক্ত করতে পারে। তাই সমুদ্রের তলদেশে বালির নিচে লুকিয়ে থাকা ছোট একটি মাছও হাঙ্গরের কাছ থেকে লুকিয়ে থাকতে পারে না। এমনকি পানিতে এক ফোটা রক্ত এরা শনাক্ত করতে পারে কয়েক মাইল দূর থেকে। তাই পানির নিচে কখনো হাঙ্গর দেখলে পাথর বা লতা-পাতার আড়ালে লুকানোর চেষ্টা করাটা সম্পূর্ণ বৃথা।
অক্টোপাস
অক্টোপাস বরাবরই মানুষের কাছে একটি রহস্যময় প্রাণী। আমরা যদিও জানি এদের ৮টি পা রয়েছে, তবে এগুলো আসলে বাহু। আত্মরক্ষার জন্য এরা শরীরের রং বদল করে ফেলতে পারে। পালিয়ে যাওয়ার সময় দেহ থেকে এক ধরনের কালি ছুঁড়ে মারে যা পানিকে অন্ধকার করে দেয়। এদের দেহে রয়েছে ৩টি হৃৎপিণ্ড। ব্লু-রিংড অক্টোপাসের দেহে রয়েছে মারাত্মক বিষ, যার সংস্পর্শে মানুষের মৃত্যু ঘটা সম্ভব খুবই দ্রুত।
বাদুড়
প্রাণিজগতের এক বিস্ময়কর প্রাণী বাদুড়। আমরা সবাই জানি এরা পাখি নয়। কারণ এদের দেহ লোম দিয়ে ঢাকা, পালক নয়। তা ছাড়া এরা নিশাচর প্রাণী। বাদুড়ের চোখ থাকলেও দেখার ক্ষমতা খুবই সীমিত। রাতে চলাচলের সময় এরা শব্দের প্রতিধ্বনি ব্যবহার করে। উড়ার সময় এরা আল্ট্রাসনিক শব্দ তৈরি করে। এরপর এই শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে সামনে থাকা বস্তু সম্পর্কে ধারণা লাভ করে এবং পথের নির্দেশনা পায়। তবে অনেক সময় বাদুড় বিদ্যুতের তারে ধাক্কা খায়। কারণ সূক্ষ্ম তারে শব্দ ঠিকমতো প্রতিফলিত হয় না। আর বলাই বাহুল্য, আল্ট্রাসনিক শব্দ শোনার ক্ষমতা মানুষের নেই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



