দিরাইয়ে শ্রম বিক্রির হাটে দিনমজুরের লাইন দীর্ঘ হচ্ছে। অভাবের তাড়নায় বেকার পুরুষের পাশাপাশি কর্মহীন স্বামী পরিত্যক্ত, বিধবা, দুস্থ ও অসহায় মহিলা শ্রমিকের সংখ্যাও বাড়ছে। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত শ্রম বিক্রির হাটে লাইনে দাঁড়িয়েও কাজ পাননি সামীনা বেগম নামে এক মহিলা। দিরাই পৌর বাজার ব্রিজের ওপর প্রতিদিনই বসছে শ্রম বিক্রির ওই হাট। সেখানে নাচনী চুণ্ডিপুর, ধনপুর, চান্দপুর বর্মণপাড়া, নাছিরপুর, টুক দিরাই, পৌর এলাকার শুকুরনগর, আয়লাবাজ, মজলিশপুর, হারানপুরসহ ১৫-২০ গ্রামের ৩-৪শ' অভাবি লোক শ্রম বিক্রির আশায় ভিড় জমান।
শুকুরনগরের আমিনা বেগম বলেন, 'দুই মাস ধইরা সোয়ামীর খুজখবর নাই। দুই মাইয়ার ফেটে খাওন দেওনের লাগি খাম খুজতাছি।' চান্দপুর বর্মণপাড়ার জুলেকা বর্মণ জানান, এখদিন খাম ফাইলে তিন দিন বইয়া থাখন লাগে। আয়লাবাজ গ্রামের ওয়ারিছ মিয়া জানান, বাজারের ফুলের উফরে ফরতিদিন ৩-৪শ' বেটা-বেইট্টাইন আইয়া দলা অইন খামও জাইবার লাগি। যারার ভাইগ্য ভাল তারা খাম ফাইন। পৌর মেয়র আজিজুর রহমান বলেন, অপ্রতুল বরাদ্দের কারণে বিগত দিনে যারা তালিকা থেকে বাদ পড়েছিলেন সেই সব বিধবা, স্বামী পরিত্যক্ত, দুস্থ ও অসহায় মহিলার পাশাপাশি কর্মহীন পুরুষদের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় নিয়ে আসা হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুুল কুদ্দুছ বলেন, চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের মূল্য এসব লোকের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে যাওয়ায় তাদের নাভিশ্বাস উঠছে। পরিবারপ্রধানের একা পক্ষে আর ভরণপোষণ ও খাদ্য চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না বিধায় মহিলাদেরও কাজের সন্ধানে নামতে হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



